NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, জুন ৩০, ২০২৬ | ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
২০৩৮ সালে ৬৪ দলের ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজনে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র: হোয়াইট হাউসের বড় ঘোষণা ২৯ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতি তদন্তের দাবি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছাত্র বিক্ষোভের মুখে পদত্যাগের ঘোষণা সার্বিয়ার প্রেসিডেন্টের ‘ধর্মীয় অবমাননা’র অভিযোগ, ১৫ দিন সম্প্রচার বন্ধ জিও নিউজের মরক্কোর বিস্ময়বালককে নিয়ে ইউরোপ জায়ান্টদের কাড়াকাড়ি ডেটিং অ্যাপে সঙ্গী খুঁজছেন রাকুল প্রীতের স্বামী? মালয়েশিয়া ও চীন সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করেছি: সংসদে প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের পথ সামনে খুলবে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ‘সিয়াকেও লোহাগড় দুর্গ থেকে ফেলে দেওয়া হোক’
Logo
logo

২০৩৮ সালে ৬৪ দলের ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজনে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র: হোয়াইট হাউসের বড় ঘোষণা


Shibbir Ahmed   প্রকাশিত:  ৩০ জুন, ২০২৬, ১২:০৬ এএম

২০৩৮ সালে ৬৪ দলের ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজনে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র: হোয়াইট হাউসের বড় ঘোষণা

ওয়াশিংটন ডিসি: ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক হিসেবে ফুটবল উন্মাদনায় ভাসছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তবে এই টুর্নামেন্টের মাঝপথেই দেশটির নীতিনির্ধারকরা ভবিষ্যতের এক বড় পরিকল্পনার কথা সামনে এনেছেন। ২০২৬ আসর শেষ হতে না হতেই আবারো ফুটবল বিশ্বকাপ আয়োজনের দৌড়ে শামিল হতে চায় আমেরিকা। ২০৩৮ সালের পুরুষ ফুটবল বিশ্বকাপ এককভাবে আয়োজনের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে বিড (আবেদন) করার ব্যাপারে তীব্র ইচ্ছা প্রকাশ করেছে তারা।

হোয়াইট হাউসের ওয়ার্ল্ড কাপ টাস্ক ফোর্সের নির্বাহী পরিচালক অ্যান্ড্রিউ জুলিয়ানি সম্প্রতি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি স্পোর্টসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই সম্ভাবনার কথা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথেও এই বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে।

ফিফা আগামী ২০৩০ বা ২০৩৮ সালের মধ্যে বিশ্বকাপের পরিধি আরও বাড়িয়ে বর্তমানের ৪৮ দল থেকে সর্বমোট ৬৪ দলের টুর্নামেন্ট করার কথা ভাবছে। অ্যান্ড্রিউ জুলিয়ানি মনে করেন, এত বড় মেগা ইভেন্ট সফলভাবে আয়োজন করার মতো সব ধরনের সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের রয়েছে। তিনি বলেন, `ভবিষ্যতে যখন এই বিশ্বকাপ ৬৪ দলের টুর্নামেন্টে রূপ নেবে, আমার বিশ্বাস যুক্তরাষ্ট্র সেটি একাই সামলাতে পারবে। তবে ২০৩৮ সালের পিচ বা চূড়ান্ত প্রস্তাব দেওয়ার আগে আমরা আগামী ১৯ জুলাই চলমান ২০২৬ বিশ্বকাপের সফল সমাপ্তি টানতে চাই।'

বিশ্বকাপের মতো বড় ইভেন্ট আয়োজন করতে গিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে অনেক দেশকেই হাজার কোটি ডলার খরচ করে নতুন স্টেডিয়াম বানাতে হয়েছে, যা পরবর্তীতে অর্থনৈতিক সংকটের সৃষ্টি করেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিন্ন। টাস্ক ফোর্সের প্রধানের মতে, আমেরিকার রয়েছে বিশ্বমানের সব মেগা-স্টেডিয়াম এবং উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা। তিনি যোগ করেন, `অন্যান্য আয়োজক দেশের যেখানে নতুন পরিকাঠামো তৈরিতে হাজার হাজার কোটি ডলার খরচ করতে হয়, সেখানে আমাদের সব স্টেডিয়াম আগে থেকেই প্রস্তুত রয়েছে। ফলে আমাদের খরচ হবে মাত্র কয়েক বিলিয়ন ডলার।'

ফিফার মহাদেশীয় পরিক্রমা বা রোটেশন নীতি অনুযায়ী, ২০৩০ সালের বিশ্বকাপ যৌথভাবে ইউরোপ, আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকায় এবং ২০৩৪ সালের আসর এশিয়ায় (সৌদি আরব) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ফলে ২০৩৮ সালের বিশ্বকাপের জন্য উত্তর আমেরিকা অঞ্চলের দেশগুলোই সবচেয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকবে। এই সুযোগটিকেই শতভাগ কাজে লাগাতে চায় মার্কিন প্রশাসন।

চলমান ২০২৬ বিশ্বকাপে যেভাবে দর্শক সমাগম ও টিকিটের চাহিদা তৈরি হয়েছে, তাতে বাণিজ্যিক দিক থেকে আরেকটি সফল টুর্নামেন্ট উপহার দিতে আমেরিকা ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে আকর্ষণীয় ভেন্যু হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। ফুটবলপ্রেমীরা মনে করছেন, মার্কিন ফুটবল অবকাঠামোর যে জোয়ার শুরু হয়েছে, ২০৩৮ সালে তা পূর্ণতা পেতে পারে।