NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, জুন ১৫, ২০২৬ | ১ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন গুম ও খুনের শিকার ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা শান্তিচুক্তি ট্রাম্পের ‘আত্মসমর্পণের দলিল’? দুর্দান্ত কামব্যাকে নেদারল্যান্ডসকে রুখে দিল জাপান ভক্তদের ভিড়ে নাজেহাল রাশমিকা, আগলে রাখলেন কৃতি রক্তক্ষয়ী কঙ্গোতে শান্তির পতাকা উত্তোলনে সেনাবাহিনীর বীরত্ব মরক্কোর সঙ্গে ড্র, হতাশায় ‘হেক্সা অভিযান’ শুরু ব্রাজিলের বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে এক টুকরো বাংলাদেশ! গানে গানে সৈয়দ আব্দুল হাদীকে শ্রদ্ধা, দেওয়া হলো সংবর্ধনা কক্সবাজারে আজ যেসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নিজেকে ‘গুটিয়ে নেওয়ার’ ইঙ্গিত দিচ্ছেন ট্রাম্প?
Logo
logo

প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী তুরস্ক


খবর   প্রকাশিত:  ০৫ জুন, ২০২৬, ০৭:০৬ পিএম

প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী তুরস্ক

বাংলাদেশের সঙ্গে প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা আরও জোরদার করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে তুরস্ক। একই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং কৌশলগত অংশীদারিত্বকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছে ঢাকা ও আঙ্কারা।

এছাড়া বাণিজ্য ২ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার বিষয়ে আলোচনা করেছে দুদেশ। 

 

আজ শুক্রবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ও তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান-এর মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিভিন্ন বিষয়ে বক্তব্য দেন।

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেছেন, দুই দেশের প্রতিরক্ষা শিল্পের বিকাশে যৌথ উদ্যোগ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে এবং এ বিষয়ে উভয় পক্ষ ইতোমধ্যে আলোচনা করেছে।

বৈঠকে দুই দেশের বার্ষিক বাণিজ্য ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার থেকে ২ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিরক্ষা শিল্পসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়েও মতবিনিময় হয়েছে।

 

বাংলাদেশ সফরকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে হাকান ফিদান বলেন, ‘এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে আমার সফরের চতুর্থ ও শেষ গন্তব্য বাংলাদেশ। এখানে আসতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং তাঁর প্রতিনিধিদলের উষ্ণ আতিথেয়তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ।’

 

তিনি ড. খলিলুর রহমানের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার বিষয়টিকে বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে উল্লেখ করেন। তাঁর ভাষায়, এই নির্বাচন বাংলাদেশের নতুন যুগের বৈশ্বিক প্রভাবের প্রতিফলন এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে দেশের মর্যাদা ও গ্রহণযোগ্যতার প্রমাণ।

হাকান ফিদান বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ও গণভোটের পর বাংলাদেশ শান্তি ও স্থিতিশীলতার একটি নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে। তুরস্ক এ প্রক্রিয়াকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করে।