NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, মে ২৮, ২০২৬ | ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
দেশবাসীকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত এবার ‘নেহারি-রন্ধনশিল্পী’ কাতারের স্মৃতি ধরে রেখে বিশ্বকাপে মরক্কোর ২৬ সদস্যের দল ঘোষণা হাজার কোটির পথে হাঁটছে ‘মাইকেল’ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এডিবি প্রেসিডেন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ ভারত যা চাইবে, তাই পাবে : ডোনাল্ড ট্রাম্প কোহলির সঙ্গে তর্কে জড়ানোয় হেডের স্ত্রীকে অনলাইনে আক্রমণ প্রসেনজিতের হাতে পদ্মশ্রী, ধর্মেন্দ্রর হয়ে মরণোত্তর সম্মান গ্রহণ হেমার অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে আধুনিক আইন প্রণয়নের কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রবীণ ও প্রতিবন্ধীদের জন্য মেট্রোরেলের ভাড়ায় ২৫ শতাংশ ছাড়
Logo
logo

শান্তিচুক্তি নাকি ‘রাজনৈতিক বিজয়’ দেখাতেই ইরানের সঙ্গে চুক্তি চান ট্রাম্প


খবর   প্রকাশিত:  ২৭ মে, ২০২৬, ০৭:০৫ পিএম

শান্তিচুক্তি নাকি ‘রাজনৈতিক বিজয়’ দেখাতেই ইরানের সঙ্গে চুক্তি চান ট্রাম্প

ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনা ও দীর্ঘায়িত সংঘাতের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখন এমন একটি সমঝোতা খুঁজছেন, যা কেবল যুদ্ধ থামাবে না—বরং তাকে রাজনৈতিকভাবেও বিজয়ী হিসেবে তুলে ধরবে। এমনটাই মনে করছেন কাতারের জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্লেষক পল মুসগ্রেভ।

 

আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মুসগ্রেভ বলেন, যুদ্ধটি ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য প্রত্যাশার চেয়ে বেশি দীর্ঘ হয়ে গেছে। ফলে এখন তার প্রধান লক্ষ্য এমন একটি সমঝোতায় পৌঁছানো, যা দ্রুত সংঘাতের অবসান ঘটাবে এবং তাকে আবারও অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও আন্তর্জাতিক অন্যান্য ইস্যুতে মনোযোগ দেওয়ার সুযোগ করে দেবে।


 

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের রাজনৈতিক কৌশলের একটি বড় বৈশিষ্ট্য হলো—তিনি যেকোনো কূটনৈতিক ফলাফলকে ব্যক্তিগত সাফল্য হিসেবে উপস্থাপন করতে চান। ইরান ইস্যুতেও সেই প্রবণতা স্পষ্ট।

বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাচনী আবহ ও অভ্যন্তরীণ চাপের মধ্যে একটি ‘শান্তিচুক্তি’ তাকে শক্তিশালী নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরতে পারে।

 

তবে মুসগ্রেভ সতর্ক করে বলেন, ট্রাম্পের জন্য লাভজনক কোনো চুক্তি সবসময় যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত স্বার্থের সঙ্গে মিলবে—এমন নিশ্চয়তা নেই। এমনকি সেটি ইসরায়েলের দৃষ্টিকোণ থেকেও গ্রহণযোগ্য না-ও হতে পারে।

এই কারণেই ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের কট্টরপন্থী গোষ্ঠীগুলো আলোচনার প্রক্রিয়া নিয়ে অস্বস্তিতে রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

তাদের আশঙ্কা, দ্রুত কোনো আপসচুক্তি হলে তা ইরানের ওপর কাঙ্ক্ষিত চাপ বজায় রাখার কৌশলকে দুর্বল করে দিতে পারে।

 


 

মুসগ্রেভের ভাষায়, কট্টরীন্থিরা “কথা, কাজ ও বিভিন্ন পদক্ষেপের মাধ্যমে” আলোচনায় প্রভাব ফেলতে চাইছে, যাতে চূড়ান্ত চুক্তি তাদের স্বার্থের অনুকূলে থাকে। আর এখানেই ট্রাম্পের রাজনৈতিক বাস্তবতা ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের কৌশলগত অবস্থানের মধ্যে সূক্ষ্ম পার্থক্য স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

বিশ্লেষকদের ধারণা, ট্রাম্প প্রশাসনের সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো—একদিকে যুদ্ধের ক্লান্তি ও আন্তর্জাতিক চাপ সামাল দেওয়া, অন্যদিকে মিত্রদের আস্থা ধরে রেখে এমন একটি সমঝোতা তৈরি করা, যা রাজনৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য এবং কৌশলগতভাবেও কার্যকর।