NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, জুলাই ১, ২০২৬ | ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
কেন ইউনূসের অপশাসনের তদন্ত করা জরুরি? বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ারের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক কেতনের টাকায় জীবন সাজাতে চেয়েছিল সিয়া-চেতন টাইব্রেকারে জার্মানির বিদায় ঘণ্টা বাজাল প্যারাগুয়ে সেই ‘চুমুকাণ্ড’ বিতর্কে মুখ খুললেন কঙ্গনা ও বীর ২০৩৮ সালে ৬৪ দলের ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজনে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র: হোয়াইট হাউসের বড় ঘোষণা ২৯ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতি তদন্তের দাবি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছাত্র বিক্ষোভের মুখে পদত্যাগের ঘোষণা সার্বিয়ার প্রেসিডেন্টের ‘ধর্মীয় অবমাননা’র অভিযোগ, ১৫ দিন সম্প্রচার বন্ধ জিও নিউজের
Logo
logo

শান্তিচুক্তির ৩০ দিন পর হরমুজ খুলে দেবে ইরান


খবর   প্রকাশিত:  ২৬ মে, ২০২৬, ১০:০৫ এএম

শান্তিচুক্তির ৩০ দিন পর হরমুজ খুলে দেবে ইরান

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্ভাব্য চুক্তির অংশ হিসেবে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালি’ পুনরায় উন্মুক্ত করার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা চলছে। জাপানের সংবাদপত্র নিক্কেই এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

 

গণমাধ্যমটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একটি সম্ভাব্য শান্তিচুক্তি সম্পন্ন হওয়ার পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে ইরান হরমুজ প্রণালিতে পেতে রাখা মাইন অপসারণের কাজ শুরু করবে। এই নির্দিষ্ট সময়সীমা শেষ হওয়ার পর বিশ্বের সব দেশের বাণিজ্যিক ও পণ্যবাহী জাহাজ অত্যন্ত নিরাপদ ও অবাধে এই আন্তর্জাতিক জলসীমা দিয়ে চলাচল করতে পারবে। একই সঙ্গে চুক্তির শর্তানুযায়ী, ইরান এই প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের ওপর আর কোনো অতিরিক্ত ট্রানজিট ফি আদায় করবে না বলেও জানিয়েছে।

এদিকে সম্ভাব্য শান্তিচুক্তি নিয়ে আলোচনার মাঝেই দক্ষিণ ইরানে নতুন করে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানায়, মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড এক বিবৃতিতে এই হামলার খবর নিশ্চিত করেছে।

 

মার্কিন বাহিনীর দাবি, দক্ষিণ ইরানে অবস্থিত ইরানের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনা এবং মাইন পেতে রাখার চেষ্টায় লিপ্ত থাকা ইরানি নৌযানগুলোকে লক্ষ্য করে ‘আত্মরক্ষার্থে’ এই হামলা চালানো হয়েছে। তাদের ভাষ্যমতে, এই অভিযানের উদ্দেশ্য ছিল ‘ইরানি বাহিনীর হুমকি থেকে ওই অঞ্চলে মোতায়েনকৃত মার্কিন সেনাদের সুরক্ষা দেওয়া’।

একদিকে মার্কিন হামলা এবং অন্যদিকে শান্তি আলোচনা প্রসঙ্গে তেহরানের পক্ষ থেকে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছে।

ইরান সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বৈরিতা নিরসনে চলমান আলোচনায় কিছু ক্ষেত্রে অগ্রগতি হলেও খুব দ্রুত কোনো চুক্তি বা সমঝোতা হওয়ার সম্ভাবনা নেই।