NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, জুন ১৬, ২০২৬ | ১ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন গুম ও খুনের শিকার ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা শান্তিচুক্তি ট্রাম্পের ‘আত্মসমর্পণের দলিল’? দুর্দান্ত কামব্যাকে নেদারল্যান্ডসকে রুখে দিল জাপান ভক্তদের ভিড়ে নাজেহাল রাশমিকা, আগলে রাখলেন কৃতি রক্তক্ষয়ী কঙ্গোতে শান্তির পতাকা উত্তোলনে সেনাবাহিনীর বীরত্ব মরক্কোর সঙ্গে ড্র, হতাশায় ‘হেক্সা অভিযান’ শুরু ব্রাজিলের বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে এক টুকরো বাংলাদেশ! গানে গানে সৈয়দ আব্দুল হাদীকে শ্রদ্ধা, দেওয়া হলো সংবর্ধনা কক্সবাজারে আজ যেসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নিজেকে ‘গুটিয়ে নেওয়ার’ ইঙ্গিত দিচ্ছেন ট্রাম্প?
Logo
logo

নথিবিহীন অভিবাসীদের জন্য সুখবর দিল স্পেন


খবর   প্রকাশিত:  ২২ মে, ২০২৬, ০৭:০৫ পিএম

নথিবিহীন অভিবাসীদের জন্য সুখবর দিল স্পেন

স্পেন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে প্রায় ৫ লাখ নথিবিহীন অভিবাসী কর্মীকে বৈধ করার একটি কর্মসূচি চালু করতে যাচ্ছে। এর অংশ হিসেবে অভিবাসীদের জন্য উপযুক্ত কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে বলে দেশটির শীর্ষ অভিবাসন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন।

 

জানুয়ারিতে ঘোষিত এই কর্মসূচিটি স্পেন ও ইউরোপজুড়ে কট্টর ডানপন্থী নেতাদের সমালোচনার মুখে পড়েছে। তবে সমাজতান্ত্রিক নেতৃত্বাধীন জোট সরকার বলছে, জনসংখ্যার গড় বয়স বাড়ার প্রেক্ষাপটে তরুণ শ্রমশক্তি বাড়াতে অভিবাসন স্পেনের অর্থনীতিকে ইউরোপের অন্যান্য দেশের তুলনায় আরো এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে।

অভিবাসন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী পিলার ক্যানসেলা জানান, গত সপ্তাহ পর্যন্ত কর্মসূচির প্রথম মাসেই সরকার দুই লাখের বেশি আবেদন পেয়েছে। তিনি বলেন, এসব আবেদনকারীর অনেককেই প্রক্রিয়াকরণের পর অস্থায়ী কাজের অনুমতিও দেওয়া হয়েছে।

তার ভাষায়, এটি অভিবাসন ব্যবস্থাপনার একটি ‘বুদ্ধিদীপ্ত পদ্ধতি’। এটি ভবিষ্যতে সরকারি সেবা ও পেনশন ব্যবস্থা আরো টেকসই করতে সহায়তা করবে।

 

সরকারি হিসাব অনুযায়ী, স্পেনের কল্যাণ রাষ্ট্র টিকিয়ে রাখতে আগামী দশকে সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থায় অবদান রাখা প্রায় ২৪ লাখ অতিরিক্ত কর্মীর প্রয়োজন হবে। ক্যানসেলা আরো বলেন, এনজিও এবং বিশেষায়িত সংস্থার সহযোগিতায় কর্তৃপক্ষ প্রায় ১০ লাখ আবেদন প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রস্তুত রয়েছে।

পাশাপাশি অভিবাসীদের আনুষ্ঠানিক চাকরি খুঁজে পেতে সহায়তা করার একটি পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।

 

এই কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য হলো গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন খাতে চলমান শ্রম ঘাটতি পূরণ করা এবং হাজার হাজার মানুষকে অনানুষ্ঠানিক কাজের পরিসর থেকে বের করে আনা। অভিবাসন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী পিলার ক্যানসেলা বলেন, ‘যারা প্রায়ই ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে কাজ করে আমাদের দেশের উন্নয়নে অবদান রাখছেন, তাদের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর এটি একটি বড় সুযোগ।’

তিনি আরো জানান, আনুষ্ঠানিক চাকরি পাওয়ার মাধ্যমেই অভিবাসীদের সমাজে প্রকৃত একীকরণ সম্ভব হবে। অভিবাসন মন্ত্রণালয় অস্থায়ী কাজের অনুমতি পাওয়া ব্যক্তিদের দক্ষতা ও কর্মক্ষেত্রের আগ্রহ সম্পর্কে জানতে একটি স্বেচ্ছামূলক জরিপ চালানোর পরিকল্পনাও করছে।

 

সরকার নির্মাণ, পর্যটন, পরিবহন ও সেবা খাতের ব্যবসায়িক সংগঠনগুলোর সঙ্গে অংশীদারিত্ব করে শ্রমের চাহিদা মূল্যায়ন এবং কর্মসংস্থান খুঁজতে থাকা নিয়মিত অভিবাসীদের সঙ্গে সমন্বয় করার উদ্যোগ নিয়েছে। তবে এসাডে বিজনেস স্কুলের একটি গবেষণা প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়েছে, ২০০৫ সালে অনুরূপ একটি নিয়মিতকরণ কর্মসূচির ফলে অনানুষ্ঠানিক খাতে কিছু চাকরি স্থানান্তরিত হয়েছিল। এ কারণে প্রতিবেদনে আরো বেশি শ্রম পরিদর্শন এবং আনুষ্ঠানিক কর্মসংস্থানে রূপান্তরকে সহায়তা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে পিলার ক্যানসেলা বলেন, এই পরিকল্পনার পাশাপাশি শ্রম পরিদর্শন আরো জোরদার করা হবে। তিনি বলেন, ‘যখন মানুষ নিয়মিতকরণ প্রক্রিয়ায় যুক্ত হবে, তখন আমরা তাদের বাস্তব পরিস্থিতি আরো ভালোভাবে বুঝতে পারব, এটি অনেক অদেখা সমস্যাও সামনে নিয়ে আসবে।’