NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, জুন ১৩, ২০২৬ | ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
কক্সবাজারে আজ যেসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নিজেকে ‘গুটিয়ে নেওয়ার’ ইঙ্গিত দিচ্ছেন ট্রাম্প? বেলফাস্টে ঘরবন্দি ৫ হাজার বাংলাদেশি নোরা ফাতেহির সঙ্গে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সঞ্জয়, ছবিতে ছবিতে কানাডায় বিশ্বকাপের উদ্বোধন রাজ্যসভা থেকে পদত্যাগ করলেন কোয়েল মল্লিক সেন্ট্রাল পার্কে বিশ্বকাপ উন্মাদনা, বিনামূল্যে ফাইনাল দেখাবে নিউইয়র্কবাসী বাংলাদেশ ও জার্মানি শক্তিশালী বাণিজ্য ও কৌশলগত সম্পর্ক চায় বেলফাস্টে অভিবাসীবিরোধী বিক্ষোভ, যানবাহনে আগুন ভিসা জালিয়াতির দায়ে মার্কিন নাগরিকত্ব হারাচ্ছেন ভারতীয় সিইও বদলি নেমেই পেনাল্টি থেকে গোল মেসির, বড় জয় আর্জেন্টিনার
Logo
logo

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী পদে লড়ার ঘোষণা দিলেন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী


খবর   প্রকাশিত:  ১৭ মে, ২০২৬, ১০:০৫ এএম

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী পদে লড়ার ঘোষণা দিলেন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী

যুক্তরাজ্যের সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং ঘোষণা দিয়েছেন, ক্ষমতাসীন লেবার পার্টিতে নতুন নেতা নির্বাচনের প্রতিযোগিতা শুরু হলে তিনি তাতে অংশ নেবেন। শনিবার (১৬ মে) লন্ডনে এক অনুষ্ঠানে তিনি এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টির পরাজয়ের পর বর্তমান প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের পদত্যাগের দাবির মুখে তিনি এই ঘোষণা দেন।

 

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত যুক্তরাজ্যের স্থানীয় নির্বাচনে ক্ষমতাসীন লেবার পার্টি ভালো ফলাফল করতে পারেনি। এরপর থেকেই দলের ভেতরে প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের নেতৃত্বের সমালোচনা হচ্ছে। ইতিমধ্যে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের ৮০ জনেরও বেশি সংসদ সদস্য (এমপি) তাকে পদত্যাগ করার আহ্বান জানিয়েছেন এবং চারজন জুনিয়র মন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী স্টারমার অবশ্য এসব সমালোচনা উপেক্ষা করে পদে বহাল আছেন। তবে দলের ভেতরে নতুন নেতা নির্বাচনের একটি প্রক্রিয়া তৈরি হচ্ছে। যুক্তরাজ্যের নিয়ম অনুযায়ী, ক্ষমতাসীন দলের প্রধান যিনি হন, তিনিই দেশের প্রধানমন্ত্রী হন।

 

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) প্রধানমন্ত্রী স্টারমারের ওপর অনাস্থা জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেন ওয়েস স্ট্রিটিং।

শনিবার তিনি বলেন, দলের জন্য এখন একটি সুনির্দিষ্ট প্রতিযোগিতা প্রয়োজন এবং তিনি সেখানে প্রার্থী হবেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগের একটি সময়সূচী নির্ধারণ করারও অনুরোধ জানান। স্ট্রিটিংয়ের মতে, লেবার পার্টি কোনো স্পষ্ট দিকনির্দেশনা ও প্রস্তুতি ছাড়াই সরকার গঠন করেছিল। এ ছাড়া ওয়াশিংটনে বিতর্কিত রাষ্ট্রদূত নিয়োগ এবং অভ্যন্তরীণ নীতি পরিবর্তনে ধীরগতির কারণেও সরকারের ভেতরে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।

 

নেতৃত্বের এই দৌড়ে গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র অ্যান্ডি বার্নহ্যামকে অন্যতম প্রধান দাবিদার মনে করা হচ্ছে এবং ওয়েস স্ট্রিটিং নিজেও তাকে সমর্থন জানিয়েছেন।

তবে দলের শীর্ষ পদের লড়াইয়ে নামতে হলে বার্নহ্যামকে প্রথমে সংসদের সদস্য (এমপি) হতে হবে। তার সংসদে ফেরার সুযোগ করে দিতে ইতিমধ্যে মেকারফিল্ড আসনের লেবার এমপি জশ সাইমন্স পদত্যাগ করেছেন। আগামী মাসে এই আসনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। বার্নহ্যাম যদি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন, তবে স্টারমারকে চ্যালেঞ্জ করতে তার অন্তত ৮১ জন লেবার এমপির সমর্থনের প্রয়োজন হবে।

 

অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী পদের আরেক সম্ভাব্য প্রার্থী অ্যাঞ্জেলা রেনারও কর সংক্রান্ত একটি তদন্তের অভিযোগ থেকে কর কর্তৃপক্ষের দ্বারা অব্যাহতি পেয়েছেন। ফলে তার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার পথও এখন পরিষ্কার।