NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, আগস্ট ২৪, ২০২৬ | ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে যাচ্ছে মার্কিন প্রতিনিধিদল ই-হেলথ প্ল্যাটফর্মের পাইলট প্রকল্প শুরুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর অস্বস্তিকর প্রশ্নে সাংবাদিকের ওপর ক্ষেপলেন ট্রাম্প কিয়েভের ওপর রুশ ক্ষেপণাস্ত্র বর্ষণে বাড়ছে হতাহত, পরিস্থিতি থমথমে যুক্তরাজ্যে ধাওয়া দিতে গিয়ে দুর্ঘটনা, ২ পুলিশ কর্মকর্তাসহ নিহত ৭ গুলিতে প্রাণ হারালেন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন বক্সার তেতে পরীমনির গাড়ি বিতর্ক ‘মাসরুর’ আসলে মাসরুর আরেফিন নন বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসা স্থগিত নীতি বাতিল ইরান যুদ্ধের প্রভাবে এশিয়া থেকে সামরিক সম্পদ সরাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, উদ্বিগ্ন মিত্ররা ট্রাম্প–কিম বৈঠকের ইঙ্গিত, উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
Logo
logo

স্বামীর পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলার অভিযোগে ইতালিতে বাংলাদেশি স্ত্রী গ্রেপ্তার


খবর   প্রকাশিত:  ০৮ মে, ২০২৬, ০৫:০৫ পিএম

স্বামীর পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলার অভিযোগে ইতালিতে বাংলাদেশি স্ত্রী গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্কঃ ইতালিতে এক প্রবাসীকে অচেতন করে পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলার অভিযোগে তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ভুক্তভোগী ও অভিযুক্ত উভয়েই বাংলাদেশি নাগরিক। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় সালেরনো প্রদেশের আংগ্রি শহরে এই ঘটনা ‘পরকীয়ার জেরে’ ঘটেছে বলে পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। ইতালীয় মানবাধিকার সংগঠন ও আইনজীবীরা ভুক্তভোগীর পাশে দাঁড়িয়েছেন। শনিবার স্থানীয় গণমাধ্যম সালেরনো টুডে-র প্রতিবেদনে বলা হয়, ঘটনার শিকার ব্যক্তি ৪১ বছর বয়সি একজন বাংলাদেশি নাগরিক। অভিযুক্ত নারী তার স্ত্রী। তবে তাদের কারো নাম প্রকাশ করেনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

অভিযোগ অনুযায়ী, “ঘটনার দিন ওই ব্যক্তিকে প্রথমে নেশাজাতীয় দ্রব্য বা ওষুধের মাধ্যমে অচেতন করা হয়। তিনি যখন অচেতন অবস্থায় ছিলেন, তখন তার স্ত্রী ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলেন।”

আহত ব্যক্তি বাসা থেকে বের হন এবং প্রতিবেশীদের কাছে সাহায্য চান। প্রতিবেশীরা ইতালির জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নম্বর ১১৮-তে কল করলে অ্যাম্বুলেন্স ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বর্তমানে তিনি আশঙ্কামুক্ত হলেও তার দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা প্রয়োজন।

হামলার পরপরই অভিযুক্ত স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে স্থানীয় পুলিশ (ক্যারাবিনিয়েরি)। তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই ঘটনাটি ইতালিতে আইনি ও সামাজিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। ইতালীয় আইনজীবী অ্যাঞ্জেলো পিসানি ঘোষণা করেছেন যে, তার সংগঠন এই মামলায় ভুক্তভোগীর পক্ষে দেওয়ানি পক্ষ (সিভিল পার্টি) হিসেবে আইনি লড়াইয়ে অংশ নেবে।

পিসানি বলেন, “এ সহিংসতার ঘটনা আমাদের সমাজ নিয়ে নতুন করে চিন্তার দাবি রাখে। এটি একটি সত্যকে সামনে এনেছে যা প্রায়ই জনমতের আড়ালে থাকে, সহিংসতার কোনো লিঙ্গ নেই।”

তিনি আরও বলেন, “সহিংসতাকে একপাক্ষিক ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ আর নেই। ভুক্তভোগী যেই হোন না কেন, প্রত্যেকেই সমান সুরক্ষা, শুনানি এবং ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার রাখেন। লিঙ্গ বা আদর্শের ভিত্তিতে কোনো ভেদাভেদ থাকা উচিত নয়।”

সালেরনো টুডে-র প্রতিবেদনে বলা হয়, ভুক্তভোগী বাংলাদেশি হাসপাতালে চিকিৎসকের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। পুলিশ মামলার তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং অভিযুক্ত নারী বর্তমানে পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন।