NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, আগস্ট ২৪, ২০২৬ | ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে যাচ্ছে মার্কিন প্রতিনিধিদল ই-হেলথ প্ল্যাটফর্মের পাইলট প্রকল্প শুরুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর অস্বস্তিকর প্রশ্নে সাংবাদিকের ওপর ক্ষেপলেন ট্রাম্প কিয়েভের ওপর রুশ ক্ষেপণাস্ত্র বর্ষণে বাড়ছে হতাহত, পরিস্থিতি থমথমে যুক্তরাজ্যে ধাওয়া দিতে গিয়ে দুর্ঘটনা, ২ পুলিশ কর্মকর্তাসহ নিহত ৭ গুলিতে প্রাণ হারালেন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন বক্সার তেতে পরীমনির গাড়ি বিতর্ক ‘মাসরুর’ আসলে মাসরুর আরেফিন নন বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসা স্থগিত নীতি বাতিল ইরান যুদ্ধের প্রভাবে এশিয়া থেকে সামরিক সম্পদ সরাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, উদ্বিগ্ন মিত্ররা ট্রাম্প–কিম বৈঠকের ইঙ্গিত, উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
Logo
logo

১৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ মামলায় পূজা চেরীর বাবা কারাগারে


খবর   প্রকাশিত:  ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ০৯:০৪ এএম

১৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ মামলায় পূজা চেরীর বাবা কারাগারে

চলচ্চিত্র নির্মাণের নামে ১৩ কোটি টাকার বেশি আত্মসাতের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন চিত্রনায়িকা পূজা চেরীর বাবা দেবু প্রসাদ রায়। মিজানুর রহমানের করা প্রতারণার মামলায় শনিবার (১৮ এপ্রিল) তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। খবরটি নিশ্চিত করেছেন ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসান।

জানা গেছে, গ্রেপ্তারের পর পূজা চেরীর বাবাকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

 

ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসান বলেন, ১৩ কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগে দেবু প্রসাদ রায়ের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন ভুক্তভোগী মিজানুর রহমান। এ মামলায় আমরা তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করি।

মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন বলেও জানান ক্যান্টনমেন্ট থানার তিনি। বলেন, আমরা লেনদেনের স্টেটমেন্টগুলো যাচাই করছি।

 

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, চলচ্চিত্র প্রযোজনার ব্যবসার কথা বলে ভুক্তভোগী ও তার বন্ধু মিজানুর রহমানের কাছ থেকে ২০১৯ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে ক্যান্টনমেন্ট থানাধীন পশ্চিম মাটিকাটার বাসায় এসে দেবু প্রসাদ রায় নগদ ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা ধার হিসেবে গ্রহণ করেন। পরে একই ব্যবসার কথা বলে স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেডের মাধ্যমে আরো ৫০ লাখ এবং ২০২৪ সালের ১৫ মে ১০০ টাকার তিনটি নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প সম্পাদনের মাধ্যমে নগদ ৬ কোটি টাকা গ্রহণ করেন।

এ ছাড়া বিভিন্ন সময়ে বিকাশ, নগদ ও রকেটের একাধিক নম্বরে মোট ১ কোটি ২০ লাখ টাকা পাঠানো হয়। সর্বশেষ ২০২৬ সালের ৩০ মার্চ বিকেল ৩টার দিকে অভিযুক্তের অনুরোধে আরো ১০ হাজার ২০০ টাকা বিকাশে পাঠান তিনি।

 

ভুক্তভোগীর দাবি, দীর্ঘদিন পার হলেও অভিযুক্ত কোনো টাকা ফেরত দেননি। টাকা চাইলে নানা ধরনের তালবাহানা করেন এবং পরে হুমকি দিতে থাকেন। এতে তার সরল বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে মোট ১৩ কোটি ২০ লাখ ১০ হাজার ২০০ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

পূজা চেরির পরিচিতি ও পূর্ব সম্পর্কের কারণে টাকা দেওয়ার বিষয়টি জানিয়ে অভিযোগকারী মিজানুর রহমান বলেন, আমি আমার অভিযোগের কথা থানায় জানিয়ে মামলা করেছি। বাকিটা আদালতে গিয়ে কথা বলব।

 

এদিকে বাবার অভিযোগ নিয়ে পূজা চেরী গণমাধ্যমে বলেন, ‘আপনারা যেই অভিযোগ কিংবা মামলার বিষয়ে কথা বলছেন তার সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। আপনারা আমাকে টানবেন না। প্রথম কথা হচ্ছে, মামলাটির তদন্ত চলমান। বিষয়টি আমার পরিবারকেন্দ্রিক হলেও এ বিষয়ে কোনো তথ্য আমার জানা নেই। আইনগত প্রক্রিয়া চলমান। বিষয়টি বিজ্ঞ আদালত দেখবেন এবং সিদ্ধান্ত নেবেন।’