NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, আগস্ট ২৪, ২০২৬ | ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে যাচ্ছে মার্কিন প্রতিনিধিদল ই-হেলথ প্ল্যাটফর্মের পাইলট প্রকল্প শুরুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর অস্বস্তিকর প্রশ্নে সাংবাদিকের ওপর ক্ষেপলেন ট্রাম্প কিয়েভের ওপর রুশ ক্ষেপণাস্ত্র বর্ষণে বাড়ছে হতাহত, পরিস্থিতি থমথমে যুক্তরাজ্যে ধাওয়া দিতে গিয়ে দুর্ঘটনা, ২ পুলিশ কর্মকর্তাসহ নিহত ৭ গুলিতে প্রাণ হারালেন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন বক্সার তেতে পরীমনির গাড়ি বিতর্ক ‘মাসরুর’ আসলে মাসরুর আরেফিন নন বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসা স্থগিত নীতি বাতিল ইরান যুদ্ধের প্রভাবে এশিয়া থেকে সামরিক সম্পদ সরাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, উদ্বিগ্ন মিত্ররা ট্রাম্প–কিম বৈঠকের ইঙ্গিত, উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
Logo
logo

লোডশেডিং চলবে কতদিন?


খবর   প্রকাশিত:  ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ০৯:০৪ এএম

লোডশেডিং চলবে কতদিন?

তীব্র গরমে লোডশেডিং বেড়ে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। শিল্প উৎপাদন এবং কৃষি উৎপাদনেও এর বিরূপ প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।

আর তাই বিদ্যুৎ নিয়ে এমন পরিস্থিতি আরও কতদিন চলবে এই প্রশ্নই এখন ঘুরেফিরে সামনে আসছে। পরিস্থিতি পুরো ঠিক না হলেও খুব শিগগিরই সহনীয় পর্যায়ে আসবে বলেই মনে করছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

 

তারা বলছে, ২৬ এপ্রিল থেকে আদানি পাওয়ারের আমদানিৃকত বিদ্যুৎ আবারো পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া বাঁশখালির এসএস পাওয়ারের আইপিপি প্ল্যান্ট থেকে ৬৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ ২৮শে এপ্রিল থেকে স্বাভাবিক হতে পারে।

বিদ্যুৎ বিভাগের যুগ্ম সচিব উম্মে রেহানা বলেন, ‘২৮ এপ্রিল থেকে প্রায় তেরশ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমরা পাবো, যাতে সংকট খানিকটা কমবে। এছাড়া জ্বালানি সংকটে আরএনপিএন এর বন্ধ ইউনিটটি চালু হলে সব মিলিয়ে মে মাসের প্রথম সপ্তাহে প্রায় দুই হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দেওয়া সম্ভব হবে।

 

এক সপ্তাহের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়ে আসতে পারে বলে মনে করেন বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

তিনি বলেন, ‘আদানি পাওয়ার প্ল্যান্ট আমাদেরকে যা সাপ্লাই করতো তাদের একটি ইউনিটে সমস্যা হওয়ায় এখন অর্ধেক দিতে পারছে, বাঁশখালির এসএস পাওয়ারের ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। তাদের সবার সঙ্গে আমরা কথা বলেছি, আশা করছি সপ্তাহ খানেকের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি হবে।’

তবে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি চলমান থাকলে এবং বাংলাদেশে জ্বালানি সংকটের এই প্রেক্ষাপট ঠিক না হওয়া পর্যন্ত লোডশেডিং সহ্য করেই চলতে হবে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞদের অনেকে।

 

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ইজাজ হোসেন বলছেন, প্রায় ছয় থেকে সাত হাজার মেগাওয়াটের তেলভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো সচল করে এই মুহূর্তে লোডশেডিং কমানো সম্ভব।

কিন্তু এক্ষেত্রে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম যত বাড়বে সেটি বহন করা বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় কঠিন বলেই মনে করেন তিনি।

তিনি বলছেন, ‘বর্তমানে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দেওয়া হচ্ছে এই খাতে। এবার হয়তো সেটা ৬০ হাজার কোটি টাকা হতে পারে। ফার্নেস অয়েল নির্ভর বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো থেকে চাইলেই বাড়তি উৎপাদন করা যাবে না।