NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, জুন ১৪, ২০২৬ | ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
কক্সবাজারে আজ যেসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নিজেকে ‘গুটিয়ে নেওয়ার’ ইঙ্গিত দিচ্ছেন ট্রাম্প? বেলফাস্টে ঘরবন্দি ৫ হাজার বাংলাদেশি নোরা ফাতেহির সঙ্গে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সঞ্জয়, ছবিতে ছবিতে কানাডায় বিশ্বকাপের উদ্বোধন রাজ্যসভা থেকে পদত্যাগ করলেন কোয়েল মল্লিক সেন্ট্রাল পার্কে বিশ্বকাপ উন্মাদনা, বিনামূল্যে ফাইনাল দেখাবে নিউইয়র্কবাসী বাংলাদেশ ও জার্মানি শক্তিশালী বাণিজ্য ও কৌশলগত সম্পর্ক চায় বেলফাস্টে অভিবাসীবিরোধী বিক্ষোভ, যানবাহনে আগুন ভিসা জালিয়াতির দায়ে মার্কিন নাগরিকত্ব হারাচ্ছেন ভারতীয় সিইও বদলি নেমেই পেনাল্টি থেকে গোল মেসির, বড় জয় আর্জেন্টিনার
Logo
logo

সমঝোতা না হওয়ায় চুক্তি ছাড়াই ফিরে যাচ্ছেন ভ্যান্স


খবর   প্রকাশিত:  ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ০৯:০৪ এএম

সমঝোতা না হওয়ায় চুক্তি ছাড়াই ফিরে যাচ্ছেন ভ্যান্স

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে টানা ২১ ঘণ্টা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনায় শেষ পর্যন্ত কোনো সমঝোতা হয়নি। দীর্ঘ বৈঠক ও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে আলোচনা হলেও, দুই পক্ষের অবস্থানগত পার্থক্য কাটেনি। ফলে কোনো সমঝোতা ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদল দেশে ফিরে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছেন, কোনো চুক্তি ছাড়াই তারা দেশে ফিরছেন।

সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি প্রথমেই পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ও সেনাপ্রধানকে ধন্যবাদ জানান এবং তাদের ‘অসাধারণ আতিথেয়তার’ প্রশংসা করেন।

 


 

জেডি ভ্যান্স বলেন, ‘আলোচনায় যে ঘাটতিগুলো রয়েগেছে, সেগুলোর জন্য পাকিস্তানিদের দায়ী করা যাবে না। তারা অসাধারণ কাজ করেছে এবং আমাদের ও ইরানের মধ্যে ব্যবধান কমিয়ে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে সত্যিই চেষ্টা করেছে। আমরা প্রায় ২১ ঘণ্টা ধরে আলোচনা করেছি এবং ইরানিদের সঙ্গে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

এটা ভালো দিক।’

 

তিনি আরো বলেন, “খারাপ খবর হলো আমরা কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারিনি এবং আমি মনে করি এটা যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় ইরানের জন্য বেশি খারাপ খবর। তাই আমরা কোনো চুক্তি ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রে ফিরছি। আমরা আমাদের ‘রেড লাইন’ কী, কোন বিষয়ে ছাড় দিতে পারি আর কোন বিষয়ে পারি না—সবই পরিষ্কারভাবে জানিয়েছি।

কিন্তু তারা আমাদের শর্ত মেনে নেয়নি।”

 

ভ্যান্স বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র চায় ইরান স্পষ্টভাবে প্রতিশ্রুতি দিক যে তারা পারমাণবিক অস্ত্র বানানোর চেষ্টা করবে না। সহজভাবে বলতে গেলে, আমরা একটি সুস্পষ্ট প্রতিশ্রুতি দেখতে চাই যে তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না এবং এমন কোনো সক্ষমতা অর্জনের চেষ্টাও করবে না, যা তাদের দ্রুত পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে সহায়তা করবে। এটিই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের মূল লক্ষ্য এবং আমরা এই আলোচনার মাধ্যমে সেটাই অর্জন করার চেষ্টা করেছি।’

 

তিনি বলেন, ‘তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি যেমনই থাকুক, আগে যে সমৃদ্ধকরণ স্থাপনাগুলো ছিল, সেগুলো ধ্বংস হয়ে গেছে।

কিন্তু মূল প্রশ্ন হলো— ইরান কি দীর্ঘমেয়াদে পারমাণবিক অস্ত্র না তৈরির বিষয়ে মৌলিক অঙ্গীকার করবে? শুধু এখন নয়, দুই বছর পরও নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদে? আমরা এখনো সেই প্রতিশ্রুতি দেখিনি। আমরা আশা করছি, ভবিষ্যতে তা দেখা যাবে।’

 

তিনি আরো বলেন, ‘আলোচনায় বিভিন্ন ইস্যুতে কথা হয়েছে, কিন্তু কোনো অগ্রগতি অর্জন সম্ভব হয়নি। আমরা এমন পরিস্থিতিতে পৌঁছাতে পারিনি যেখানে ইরান আমাদের শর্ত মেনে নিতে রাজি হয়েছে। আমি মনে করি আমরা যথেষ্ট নমনীয়, অনেক ছাড় দেওয়ার মনোভাব দেখিয়েছি। প্রেসিডেন্ট (ট্রাম্প) আমাদের বলেছেন—সৎ উদ্দেশে এখানে আসো এবং একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করো। আমরা সেটাই করেছি। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে, আমরা কোনো অগ্রগতি করতে পারিনি।’