NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, আগস্ট ২৫, ২০২৬ | ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ারে বিশ্বমঞ্চে শাড়ির প্রচার: ‘শাড়ি গোজ গ্লোবাল’ ট্রাম্প প্রশাসন ছাড়ছেন প্রেস সেক্রেটারি কারোলিন লেভিট জাতিসংঘের মহাসচিব পদের দৌড়ে দ্বিতীয় দফায় এগিয়ে রদ্রিগেস-বিরকেট প্রধানমন্ত্রীর হাতে যোগদানপত্র তুলে দিলেন জহির উদ্দিন স্বপন গ্রেপ্তার ২ তরুণের পরিবারেরও প্রশ্ন—‘দুজন মিলে কি এত বড় ঘটনা ঘটাতে পারে?’ নতুন আন্দোলনের হুঁশিয়ারি সিজেপির, আজ বৈঠক প্রিন্সেস ডায়ানার জীবন নিয়ে বই লিখছেন ভাই চার্লস স্পেন্সার বক্স অফিসে দারুণ আয় দিয়ে শুরু হলো নতুন ‘ইনসিডিয়াস’ রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে যাচ্ছে মার্কিন প্রতিনিধিদল ই-হেলথ প্ল্যাটফর্মের পাইলট প্রকল্প শুরুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
Logo
logo

ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থান দিবস আজ


খবর   প্রকাশিত:  ২৪ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৯:০১ এএম

ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থান দিবস আজ

আজ ২৪ জানুয়ারি, ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থান দিবস। বাংলাদেশের স্বাধিকার আন্দোলনের চূড়ান্ত পরিণতি লাভের পথে উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান ছিল মাইলফলক। ১৯৬৯ সালের এই দিনে পাকিস্তানি সামরিক শাসন ও দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সান্ধ্য আইন উপেক্ষা করে মিছিল বের করে। মিছিলে পুলিশের গুলিবর্ষণে শহীদ হন নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী মতিউর রহমানসহ অনেকে।

 

তীব্র গণ-আন্দোলনের ফলে এক পর্যায়ে পাকিস্তান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ সব অভিযুক্তকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। পতন ঘটে সামরিক স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের। দিবসটি উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাণী দিয়েছেন। উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানকে বাংলাদেশের স্বাধিকার ও স্বাধীনতাসংগ্রামের ইতিহাসে এক তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে অভিহত করে বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, ঐতিহাসিক ছয় দফা আন্দোলন, পরবর্তীকালে ১১ দফা ও উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের ধারাবাহিকতায় মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা অর্জন করেছি মহান স্বাধীনতা।

 

স্মৃতিবিজড়িত এই দিনে গণ-অভ্যুত্থানের সব শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানসহ সব গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে তাঁদের এ আত্মত্যাগ এ দেশের তরুণসমাজকে জুগিয়েছে অফুরন্ত সাহস ও অনুপ্রেরণা। আসুন, উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে সবাই মিলে একটি সত্যিকারের গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা গড়ে তুলতে আত্মনিয়োগ করি।’ তৎকালীন সামরিক শাসন ও দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে ১৯৬৯ সালের পুরো জানুয়ারি মাসই পূর্ব বাংলা ছিল আন্দোলনে উত্তাল। ২৪ জানুয়ারি আইয়ুববিরোধী আন্দোলন ছাত্র-জনতাসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে রূপ নেয় গণবিস্ফোরণে।

 

মানুষ সান্ধ্য আইন উপেক্ষা করে বের করে মিছিল। মিছিলে সেদিন পুলিশের গুলিতে নিহত হন নবকুমার ইনস্টিটিউশনের নবম শ্রেণির ছাত্র মতিউর রহমান।