NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, আগস্ট ২৫, ২০২৬ | ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ারে বিশ্বমঞ্চে শাড়ির প্রচার: ‘শাড়ি গোজ গ্লোবাল’ ট্রাম্প প্রশাসন ছাড়ছেন প্রেস সেক্রেটারি কারোলিন লেভিট জাতিসংঘের মহাসচিব পদের দৌড়ে দ্বিতীয় দফায় এগিয়ে রদ্রিগেস-বিরকেট প্রধানমন্ত্রীর হাতে যোগদানপত্র তুলে দিলেন জহির উদ্দিন স্বপন গ্রেপ্তার ২ তরুণের পরিবারেরও প্রশ্ন—‘দুজন মিলে কি এত বড় ঘটনা ঘটাতে পারে?’ নতুন আন্দোলনের হুঁশিয়ারি সিজেপির, আজ বৈঠক প্রিন্সেস ডায়ানার জীবন নিয়ে বই লিখছেন ভাই চার্লস স্পেন্সার বক্স অফিসে দারুণ আয় দিয়ে শুরু হলো নতুন ‘ইনসিডিয়াস’ রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে যাচ্ছে মার্কিন প্রতিনিধিদল ই-হেলথ প্ল্যাটফর্মের পাইলট প্রকল্প শুরুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
Logo
logo

কারাগারে ইভ্যালির রাসেল-শামীমা


খবর   প্রকাশিত:  ২১ জানুয়ারী, ২০২৬, ১১:০১ এএম

কারাগারে ইভ্যালির রাসেল-শামীমা

অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার দায়ে বিভিন্ন মামলায় সাজাপ্রাপ্ত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ রাসেল ও প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) ঢাকার ৭ম যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক নিজাম উদ্দিন তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। 

অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার ১০ মামলায় রাসেলকে এবং দুই মামলায় শামীমা নাসরিনকে সাজা পরোয়ানা মূলে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর আদালত সাজা পরোয়ানা মূলে তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গতকাল সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে ডিবির একটি টিম। তাদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার একাধিক মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি রয়েছে। 

এ ছাড়া, একাধিক মামলায় তাদের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার আদালতে হাজিরার পর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ রাসেল। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসা শেষে আবারও তাকে হাজতখানায় নেওয়া হয়।

মঙ্গলবার বিকালে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে হাজিরা শেষে তাকে হাজতখানায় নেওয়া হয়। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পুলিশ সদস্যরা ঢাকার ন্যাশনাল মেডিকেল ইনস্টিটিউট হাসপাতালে ভর্তি করেন

বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটে হাসপাতালে তার বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু হয়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগ থেকে তাকে ইসিজি পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়।