NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, আগস্ট ২৫, ২০২৬ | ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ারে বিশ্বমঞ্চে শাড়ির প্রচার: ‘শাড়ি গোজ গ্লোবাল’ ট্রাম্প প্রশাসন ছাড়ছেন প্রেস সেক্রেটারি কারোলিন লেভিট জাতিসংঘের মহাসচিব পদের দৌড়ে দ্বিতীয় দফায় এগিয়ে রদ্রিগেস-বিরকেট প্রধানমন্ত্রীর হাতে যোগদানপত্র তুলে দিলেন জহির উদ্দিন স্বপন গ্রেপ্তার ২ তরুণের পরিবারেরও প্রশ্ন—‘দুজন মিলে কি এত বড় ঘটনা ঘটাতে পারে?’ নতুন আন্দোলনের হুঁশিয়ারি সিজেপির, আজ বৈঠক প্রিন্সেস ডায়ানার জীবন নিয়ে বই লিখছেন ভাই চার্লস স্পেন্সার বক্স অফিসে দারুণ আয় দিয়ে শুরু হলো নতুন ‘ইনসিডিয়াস’ রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে যাচ্ছে মার্কিন প্রতিনিধিদল ই-হেলথ প্ল্যাটফর্মের পাইলট প্রকল্প শুরুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
Logo
logo

রাশিয়া ও ইউক্রেন পরমাণু কেন্দ্র মেরামতের জন্য স্থানীয় যুদ্ধবিরতিতে সম্মত


খবর   প্রকাশিত:  ১৮ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৯:০১ এএম

রাশিয়া ও ইউক্রেন পরমাণু কেন্দ্র মেরামতের জন্য স্থানীয় যুদ্ধবিরতিতে সম্মত

রাশিয়া ও ইউক্রেন জাপোরিঝিয়া পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের শেষ অবশিষ্ট ব্যাকআপ বিদ্যুৎ লাইন মেরামতের জন্য স্থানীয় পর্যায়ে একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। শুক্রবার এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ)।

জাতিসংঘের পরমাণু পর্যবেক্ষণ সংস্থাটি এক বিবৃতিতে জানায়, গত ২ জানুয়ারির সামরিক হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া বিদ্যুৎ লাইনের মেরামতকাজ আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই শুরু হওয়ার কথা। বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, আইএইএ মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসি বলেছেন, এই অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি পরিস্থিতিতে সংস্থাটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকারই প্রমাণ।

তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে চার দফা আলোচনা হয়েছে।

 

ভিয়েনা–ভিত্তিক আইএইএ আরো জানায়, ঘটনাস্থলে থাকা তাদের পর্যবেক্ষক দল সেখানে বিপুল সংখ্যক বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছে। এর মধ্যে কয়েকটি বিস্ফোরণ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আশপাশের এলাকাতেও শোনা গেছে। সংস্থাটি জানায়, গত সপ্তাহে তাদের দল প্রতিদিন একাধিকবার বিমান হামলার সতর্কতা জারি করেছে।

এ ছাড়া কেন্দ্র থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে একটি সামরিক উড়ন্ত বস্তু দেখা গেছে বলেও তাদের জানানো হয়েছে।

 

জাপোরিঝিয়া ইউরোপের সবচেয়ে বড় পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র। এটি ডিনিপার নদীর তীরে অবস্থিত এবং ২০২২ সালের মার্চ মাস থেকে রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। দখলের পর কেন্দ্রটির ছয়টি চুল্লিই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

মস্কো ও কিয়েভ একে অপরের বিরুদ্ধে বারবার অভিযোগ করে আসছে, তারা এই পরমাণু স্থাপনায় হামলা চালিয়ে সম্ভাব্য পারমাণবিক বিপর্যয়ের ঝুঁকি তৈরি করছে।