NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, মার্চ ৭, ২০২৬ | ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২
ব্রেকিং নিউজ
রবিবার থেকে রেশনিং পদ্ধতিতে জ্বালানি তেল বিক্রি যুদ্ধের মধ্যে প্রথম জুমায় খামেনির জন্য ইরানিদের শোক মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে তারেক রহমান ও আমিরাতের প্রেসিডেন্টের ফোনালাপ আকাশসীমা আংশিক চালু, সীমিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে এমিরেটস ইরানে হামলা না করার সিদ্ধান্তে অটল ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী, ক্ষুব্ধ ট্রাম্প মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি মন্ত্রীকে সরিয়ে দিলেন ট্রাম্প এবার তিশার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিলেন সামিয়া অথৈ যুক্তরাষ্ট্রকে কূটনৈতিকভাবে ইরান সংকট সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশের খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা স্থগিত করল ইরান আর্জেন্টিনা-স্পেন ‘ফিনালিসিমা’ স্থানান্তর হতে পারে ইউরোপে
Logo
logo

ইউরোপের বাজার দখল করছে চীনা পণ্য


খবর   প্রকাশিত:  ১২ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৯:০১ পিএম

ইউরোপের বাজার দখল করছে চীনা পণ্য

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তীব্র বাণিজ্য বিরোধের মধ্যে চীন এখন তাদের কমমূল্যের পণ্য বিক্রির জন্য নতুন বাজার খুঁজছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে শেইন ও টেমু -এর মতো চীনা ই-কমার্স কম্পানিগুলো ইউরোপের বাজারকে লক্ষ্য করে এগিয়ে যাচ্ছে। তবে এই কৌশল ইউরোপের অনেক দেশে তীব্র প্রতিরোধের মুখে পড়েছে।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গত এক বছরে ইউরোপের বাজারে চীনা পণ্যের ঢল নেমেছে।

এসব পণ্য বিক্রি করা সবচেয়ে বড় কম্পানিগুলোর একটি হলো শেইন; যেটি স্বল্প দামে দ্রুত ফ্যাশনের জন্য পরিচিত একটি ব্র্যান্ড। গত নভেম্বর মাসে শেইন ইউরোপে তাদের প্রথম স্থায়ী স্টোর চালু করে। এটি প্যারিসের একটি জনপ্রিয় ডিপার্টমেন্ট স্টোরে অবস্থিত।

 

সেখানকার প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্যারিসে শেইনের স্টোর খোলার দিন পরিস্থিতি ছিল একেবারেই বিশৃঙ্খল।

বিপুল সংখ্যক মানুষ লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল কেনাকাটার জন্য। আর ঠিক পাশেই ছিলেন ক্ষুব্ধ প্যারিসবাসী, যারা শেইনকে তাদের শহর থেকে বের করে দিতে চাইছিলেন।

 

পরিস্থিতি ছিল ভীষণ উত্তপ্ত। অনেক ফরাসি খুচরা ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ এতে ক্ষুব্ধ হন।

কিছু ডিপার্টমেন্ট স্টোরের কর্মীরা ধর্মঘট ও বিক্ষোভে অংশ নেন। তারা একদিনের জন্য কাজ বন্ধ রাখেন।

 

শুধু এই স্টোর খোলার ঘোষণাই প্যারিস ও পুরো ফ্রান্সজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। মূলত, ইউরোপে সস্তা চীনা পণ্যের এই প্রবাহ খুব দ্রুত ঘটেছে। আর এর পেছনে রয়েছে একটি নির্দিষ্ট কারণ।

 

যুক্তরাষ্ট্রে শুল্ক (ট্যারিফ) কার্যকর হওয়ার পর চীনকে এমন নতুন বাজার খুঁজতে হয়েছে, যেখানে তারা সেই বিপুল পরিমাণ পণ্য বিক্রি করতে পারে—যেগুলো আর যুক্তরাষ্ট্রে আগের মতো বিক্রি হচ্ছিল না। সেই দিক থেকে ইউরোপকে চীনের কাছে নিখুঁত বাজার বলে মনে হয়েছে।