NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, আগস্ট ২৫, ২০২৬ | ১০ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
৪৭ বছর পর ‘সন্ত্রাসের পৃষ্ঠপোষক রাষ্ট্র’ তালিকা থেকে সিরিয়াকে সরাল যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে অর্থনৈতিক ভাবে বিচ্ছিন্ন করতে ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন অভিযান যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে পুরো সুদানে অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা, জাতিসংঘে চীন-রাশিয়ার আপত্তি নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ারে বিশ্বমঞ্চে শাড়ির প্রচার: ‘শাড়ি গোজ গ্লোবাল’ ট্রাম্প প্রশাসন ছাড়ছেন প্রেস সেক্রেটারি কারোলিন লেভিট জাতিসংঘের মহাসচিব পদের দৌড়ে দ্বিতীয় দফায় এগিয়ে রদ্রিগেস-বিরকেট প্রধানমন্ত্রীর হাতে যোগদানপত্র তুলে দিলেন জহির উদ্দিন স্বপন গ্রেপ্তার ২ তরুণের পরিবারেরও প্রশ্ন—‘দুজন মিলে কি এত বড় ঘটনা ঘটাতে পারে?’ নতুন আন্দোলনের হুঁশিয়ারি সিজেপির, আজ বৈঠক প্রিন্সেস ডায়ানার জীবন নিয়ে বই লিখছেন ভাই চার্লস স্পেন্সার
Logo
logo

‘আমি পাকিস্তান থেকে আসা এক কালারড মুসলিম ছেলে’— খাজা


খবর   প্রকাশিত:  ০২ জানুয়ারী, ২০২৬, ১০:০১ এএম

‘আমি পাকিস্তান থেকে আসা এক কালারড মুসলিম ছেলে’— খাজা

অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটে এক ঐতিহাসিক অধ্যায়ের সমাপ্তি টানতে চলেছেন উসমান খাজা। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে চলমান অ্যাশেজ সিরিজের পঞ্চম ও শেষ টেস্ট খেলেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন এই অভিজ্ঞ বাঁহাতি ব্যাটার।

শুক্রবার সিডনিতে সংবাদ সম্মেলনে খাজা বলেন, ‘সবচেয়ে বড় অনুভূতি হলো তৃপ্তি। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে এত ম্যাচ খেলতে পেরেছি, এটাই আমার সৌভাগ্য।

আশা করি, পথে চলতে গিয়ে কাউকে অনুপ্রাণিত করতে পেরেছি।’

 

আবেগঘন বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, ‘আমি পাকিস্তান থেকে আসা এক গর্বিত মুসলিম কালারড ছেলে, যাকে বলা হয়েছিল, সে কখনোই অস্ট্রেলিয়ার হয়ে খেলতে পারবে না। আজ আমাকে দেখুন, আপনিও পারেন।’

৩৯ বছর বয়সী এই ব্যাটারের অবসর ঘোষণার মধ্য দিয়ে শেষ হচ্ছে ১৫ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার।

নির্বাচিত হলে সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডেই খেলবেন নিজের শেষ টেস্ট, যেখানে ২০১১ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষেই তার টেস্ট অভিষেক হয়েছিল।

 

শৈশবে ইসলামাবাদ থেকে অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি জমান খাজাওয়া। ২০১১ সালে সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডেই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট অভিষেক—আর এখানেই শেষ টেস্ট খেলে বিদায় নেওয়ার সম্ভাবনা। নির্বাচিত হলে এটি হবে তার ৮৮তম টেস্ট।

 

অস্ট্রেলিয়ার প্রথম পাকিস্তানে জন্ম নেওয়া এবং প্রথম মুসলিম টেস্ট ক্রিকেটার হিসেবে তিনি ইতিহাস গড়েছেন। এক সময় অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া ক্রিকেটে তিনিই ছিলেন একমাত্র এশিয়ান ফার্স্ট-ক্লাস খেলোয়াড়, যা তাকে বহু তরুণের রোল মডেলে পরিণত করেছে।

চলতি অ্যাশেজে ইনজুরি ও দল নির্বাচনের টানাপড়েনে পড়তে হয় তাকে। পার্থ টেস্টে পিঠের চোট, ব্রিসবেনে বাদ পড়া, অ্যাডিলেডে শুরুর একাদশে না থাকা, সব মিলিয়ে কঠিন সময় পার করেছেন। এ সময় কিছু সাবেক ক্রিকেটার ও গণমাধ্যমের সমালোচনাকে তিনি ‘বর্ণবাদী স্টেরিওটাইপ’ বলে আখ্যা দেন।

 

খাজা বলেন, ‘আমার প্রস্তুতি, কমিটমেন্ট নিয়ে যে ভাষায় আক্রমণ করা হয়েছে, এগুলো সেই পুরোনো বর্ণবাদী ধারণা। অস্ট্রেলিয়ান দলে কাউকে এভাবে আগে দেখিনি।’