NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, মার্চ ৭, ২০২৬ | ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২
ব্রেকিং নিউজ
রবিবার থেকে রেশনিং পদ্ধতিতে জ্বালানি তেল বিক্রি যুদ্ধের মধ্যে প্রথম জুমায় খামেনির জন্য ইরানিদের শোক মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে তারেক রহমান ও আমিরাতের প্রেসিডেন্টের ফোনালাপ আকাশসীমা আংশিক চালু, সীমিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে এমিরেটস ইরানে হামলা না করার সিদ্ধান্তে অটল ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী, ক্ষুব্ধ ট্রাম্প মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি মন্ত্রীকে সরিয়ে দিলেন ট্রাম্প এবার তিশার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিলেন সামিয়া অথৈ যুক্তরাষ্ট্রকে কূটনৈতিকভাবে ইরান সংকট সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশের খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা স্থগিত করল ইরান আর্জেন্টিনা-স্পেন ‘ফিনালিসিমা’ স্থানান্তর হতে পারে ইউরোপে
Logo
logo

ইতালিতে ধর্মযাজকদের যৌন নিপীড়নের শিকার ৪,৪০০ ভুক্তভোগী


খবর   প্রকাশিত:  ২৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১০:১০ এএম

ইতালিতে ধর্মযাজকদের যৌন নিপীড়নের শিকার ৪,৪০০ ভুক্তভোগী

ইতালিতে ক্যাথলিক পুরোহিতদের হাতে ২০২০ সাল থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪ হাজার ৪০০ জন মানুষ যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগীদের সংগঠন রেতে ল’আবুসো। শুক্রবার প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে সংগঠনটি জানিয়েছে, বিচারিক সূত্র, গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর এবং ভুক্তভোগীদের বয়ানের ভিত্তিতে এই হিসাব করা হয়েছে।

সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ফ্রান্সেস্কো জানার্দি জানান, এই নির্যাতনের ঘটনাগুলো কত বছর আগে থেকে শুরু হয়েছে, তা নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব হয়নি। ইতালির বিশপ সম্মেলন (সিইআই) বিষয়টি নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

সম্প্রতি ভ্যাটিকানের শিশু সুরক্ষা কমিশন তাদের কার্যক্রম নিয়ে সমালোচনা করেছিল।

 

বিশ্বব্যাপী ক্যাথলিক চার্চ বহু বছর ধরে শিশু নির্যাতনের কেলেঙ্কারিতে জর্জরিত। কিন্তু ইতালির চার্চ নেতারা এ বিষয়ে তুলনামূলকভাবে নীরব থেকেছেন।  নবনির্বাচিত পোপ লিও এই সপ্তাহে প্রথমবারের মতো যৌন নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

তিনি নতুন বিশপদের নির্দেশ দেন যেন তারা কোনো অভিযোগ গোপন না করেন।

 

তার পূর্বসূরি প্রয়াত পোপ ফ্রান্সিসও বিষয়টি নিয়ে ১২ বছরের পোপত্বকালে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছিলেন, যদিও ফলাফল মিশ্র ছিল। ভ্যাটিকানের শিশু সুরক্ষা কমিশনের ১৬ অক্টোবর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইতালির ২২৬টি ডায়োসিসের মধ্যে মাত্র ৮১টি তাদের সুরক্ষা কার্যক্রম সম্পর্কিত প্রশ্নাবলির জবাব দিয়েছে।

রেতে ল’আবুসোর তথ্যমতে, সংগঠনটি মোট ১ হাজার ২৫০টি সন্দেহভাজন নির্যাতনের ঘটনা নথিভুক্ত করেছে, যার মধ্যে ১ হাজার ১০৬টি ঘটনার সঙ্গে পুরোহিতরা জড়িত।

বাকি ঘটনাগুলোয় অভিযুক্ত ছিলেন সন্ন্যাসিনী, ধর্মশিক্ষক, স্বেচ্ছাসেবক, শিক্ষাকর্মী এবং স্কাউট সদস্যরা।

 

মোট ৪ হাজার ৬২৫ জন ভুক্তভোগীর তথ্য পাওয়া গেছে। যার মধ্যে ৪ হাজার ৩৯৫ জন পুরোহিতদের দ্বারা নির্যাতিত। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৪ হাজার ৪৫১ জন ভুক্তভোগীই ছিলেন ১৮ বছরের নিচে এবং তাদের মধ্যে প্রায় ৪ হাজার ১০৮ জন ছিলেন পুরুষ। এ ছাড়া পাঁচজন সন্ন্যাসিনী, ১৫৬ জন অরক্ষিত প্রাপ্তবয়স্ক ও ১১ জন প্রতিবন্ধীও ভুক্তভোগীদের মধ্যে রয়েছেন।

 

সংগঠনটির দাবি, ১ হাজার ১০৬ সন্দেহভাজন পুরোহিতের মধ্যে মাত্র ৭৬ জন চার্চের অভ্যন্তরীণ বিচারের মুখোমুখি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৭ জনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়, ৭ জনকে অন্য স্থানে বদলি করা হয় এবং ১৮ জনকে ধর্মীয় পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বা তারা পদত্যাগ করেছেন। পাঁচজন অভিযুক্ত আত্মহত্যা করেছেন।