পার্থের ওয়ানডে যেন পেয়েছিল ‘কই মাছের প্রাণ’। এক বা দুবার নয়, ভারতের ইনিংসে চারবার বৃষ্টির হানা। বেরসিক বৃষ্টি যেন খুব করে চেয়েছিল অস্ট্রেলিয়া-ভারতের প্রথম ওয়ানডে ভেস্তে যাক।
তবে পার্থের মাঠ কর্মীরা বৃষ্টির কাছে হার মানতে নারাজ।
খবর প্রকাশিত: ২০ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:১০ এএম

পার্থের ওয়ানডে যেন পেয়েছিল ‘কই মাছের প্রাণ’। এক বা দুবার নয়, ভারতের ইনিংসে চারবার বৃষ্টির হানা। বেরসিক বৃষ্টি যেন খুব করে চেয়েছিল অস্ট্রেলিয়া-ভারতের প্রথম ওয়ানডে ভেস্তে যাক।
তবে পার্থের মাঠ কর্মীরা বৃষ্টির কাছে হার মানতে নারাজ।
২৯ বল হাতে রেখে পাওয়ায় জয়ে সহজ লক্ষ্যেই পেয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। ১৫৬ বলে ১৩৭ রানের লক্ষ্য।
তবে ইনিংস উদ্বোধন করতে নেমে জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছেন মিচেল মার্শ।
এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩৬ রানে থামে ভারত। এত অল্প সংগ্রহে নিশ্চিতভাবেই বৃষ্টি ব্যাপক প্রভাব রেখেছে। তবে বৃষ্টি হানা দেওয়ার আগেই টপ অর্ডার ধসিয়ে পড়ে ভারতের। দলীয় ২৫ রানে প্রথম তিন ব্যাটারকে হারায় তারা। নতুন অধিনায়ক গিলের সঙ্গে ড্রেসিংরুমের পথ ধরেন ৭ মাস পর ওয়ানডে খেলতে নামা দুই কিংবদন্তি রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলি।
তাতে প্রত্যাবর্তনটা সুখের হয়নি রোহিত-কোহলির। ভারতের পঞ্চম ক্রিকেটার হিসেবে ৫০০তম ম্যাচ খেলতে নেমে ৮ রানে ফিরেছেন রোহিত। অন্যদিকে ৮ বল খেলে রানের খাতাই খুলতে পারেননি কোহলি। দুজনের পরেই ফেরেন ১০ রান করা গিল। এরপরেই বৃষ্টি শুরু হয়। পরে আরো তিনবার হয়।
বৃষ্টির জন্যই ম্যাচের ওভার কমে আসে। প্রথমে ৪৯, পরে ৩২ আর শেষে ২৬ ওভারে নেমে আসে। শুরুতেই টপ অর্ডার হারানোয় দেখেশুনে ইনিংস গড়ার চেষ্টা করে ভারত। যার প্রমাণ ১৬.৪ ওভার শেষে ৪ উইকেটে ৫২ রান। এই সমীকরণের সময় চতুর্থবার বৃষ্টি আসলে ম্যাচের ওভার নির্ধারিত হয় ২৬।
শেষ ৫৬ বলে পরে টি-টোয়েন্টি স্টাইলে খেলে ৮৪ রান তোলে ভারত। তাতে বড় অবদান রেখেছেন দুটি ত্রিশোর্ধ্ব ইনিংস খেলা অক্ষর প্যাটেল (৩১) ও লোকেশ রাহুল (৩৮)। প্রতিপক্ষের হয়ে ২ টি করে উইকেট নিয়েছেন জশ হ্যাজলউড, মিচেল ওয়েন ও ম্যাথিউ কুনেম্যান।