NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, জুন ১৬, ২০২৬ | ২ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন গুম ও খুনের শিকার ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা শান্তিচুক্তি ট্রাম্পের ‘আত্মসমর্পণের দলিল’? দুর্দান্ত কামব্যাকে নেদারল্যান্ডসকে রুখে দিল জাপান ভক্তদের ভিড়ে নাজেহাল রাশমিকা, আগলে রাখলেন কৃতি রক্তক্ষয়ী কঙ্গোতে শান্তির পতাকা উত্তোলনে সেনাবাহিনীর বীরত্ব মরক্কোর সঙ্গে ড্র, হতাশায় ‘হেক্সা অভিযান’ শুরু ব্রাজিলের বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে এক টুকরো বাংলাদেশ! গানে গানে সৈয়দ আব্দুল হাদীকে শ্রদ্ধা, দেওয়া হলো সংবর্ধনা কক্সবাজারে আজ যেসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নিজেকে ‘গুটিয়ে নেওয়ার’ ইঙ্গিত দিচ্ছেন ট্রাম্প?
Logo
logo

যুক্তরাষ্ট্রে নিউ ইয়র্ক সিটি পুলিশে কর্মরত চার বাংলাদেশি-আমেরিকান পদোন্নতি পেয়েছেন।


খবর   প্রকাশিত:  ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ০৯:০৯ এএম

যুক্তরাষ্ট্রে নিউ ইয়র্ক সিটি পুলিশে কর্মরত চার বাংলাদেশি-আমেরিকান পদোন্নতি পেয়েছেন।

হাকিকুল ইসলাম খোকন, 
যুক্তরাষ্ট্রে নিউ ইয়র্ক সিটি পুলিশে কর্মরত চার বাংলাদেশি-আমেরিকান পদোন্নতি পেয়েছেন ।তারা হলেন- ডেপুটি ইন্সপেক্টর পদে কারাম চৌধুরী, সার্জেন্ট পদে জসিম মিয়া, তুহিন খান এবং আবু নূর মোহাম্মদ সৈয়দ।

গত শুক্রবার ,৫ সেপ্টেম্বর,নিউ ইয়র্ক অঙ্গরাজ্য পুলিশ সদর দপ্তরে এক অনুষ্ঠান থেকে এ ঘোষণা আসে সংস্থাটি থেকে।


কারাম চৌধুরী বর্তমানে নিউ ইয়র্ক পুলিশের ১০৪ প্রেসিঙ্কটের কমান্ডিং অফিসার হিসেবে কর্মরত। বাংলাদেশি-আমেরিকান পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের (বাপা) সাবেক প্রেসিডেন্ট তিনি।

কারাম চৌধুরীর বাড়ি মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলায়। তিনি আব্দুল মতিন চৌধুরীর একমাত্র সন্তান। ১৯৯৩ সালে মাত্র ১১ বছর বয়সে যুক্তরাষ্ট্রে আসেন কারাম এবং ২০০৫ সালে নিউ ইয়র্ক পুলিশের কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দেন।

সার্জেন্ট পদে পদোন্নতি পাওয়া জসিম মিয়া বাংলাদেশি-আমেরিকান পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের ইভেন্ট কো-ট্রেজারার। বাড়ি শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায়। তিনি ২০১৮ সালে নিউ ইয়র্ক পুলিশে যোগ দেন এবং জন জে কলেজ থেকে ক্রিমিনাল জাস্টিসে স্নাতক ডিগ্রি পান।


তুহিন খানের বাড়ি মৌলভীবাজারের রাজনগরে। ১৯৯৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী হন এবং ২০১৭ সালে নিউ ইয়র্ক পুলিশে যোগ দেন। তিনি পুলিশের স্ট্র্যাটেজিক রেসপন্স গ্রুপ (এসআরজি) ইউনিটে দায়িত্ব পালন করেছেন।

পদোন্নতি পাওয়া আরেক বাংলাদেশি আবু নূর মোহাম্মদ সৈয়দ ২০১৬ সালে পুলিশ ক্যাডেট হিসেবে তার ক্যারিয়ার শুরু করেন। তিনি নিউ ইয়র্ক পুলিশের ট্র্যাফিক বিভাগের সুপারভাইজার মোহাম্মদ শাহজাহানের বড় ছেলে। ২০১৮ সালে পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দেন।

বাংলাদেশি-আমেরিকান পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন (বাপা) তাদের এ পদোন্নতির খবরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছে। প্রেসিডেন্ট সার্জেন্ট-ডিটেকটিভ এরশাদুর সিদ্দিক, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ক্যাপ্টেন একেএম আলম, ভাইস প্রেসিডেন্ট আলী চৌধুরী এবং সেক্রেটারি ডিটেকটিভ রাসেকুর মালিক এক বিবৃতিতে পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের অভিনন্দন জানিয়েছেন।


সংগঠনটির মিডিয়া লিয়াজোঁ ডিটেকটিভ জামিল সারোয়ার  বাপসনিউজকে বলেন, “এই সাফল্য বাংলাদেশি-আমেরিকান পুলিশদের জন্য অনুপ্রেরণা হবে এবং পরবর্তী প্রজন্মের জন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে। নিউ ইয়র্ক পুলিশে বর্তমানে হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করছেন এবং তাদের পেশাগত দক্ষতা, সততা ও সাহসিকতা প্রশংসিত।”