NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, জুন ১৬, ২০২৬ | ২ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন গুম ও খুনের শিকার ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা শান্তিচুক্তি ট্রাম্পের ‘আত্মসমর্পণের দলিল’? দুর্দান্ত কামব্যাকে নেদারল্যান্ডসকে রুখে দিল জাপান ভক্তদের ভিড়ে নাজেহাল রাশমিকা, আগলে রাখলেন কৃতি রক্তক্ষয়ী কঙ্গোতে শান্তির পতাকা উত্তোলনে সেনাবাহিনীর বীরত্ব মরক্কোর সঙ্গে ড্র, হতাশায় ‘হেক্সা অভিযান’ শুরু ব্রাজিলের বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে এক টুকরো বাংলাদেশ! গানে গানে সৈয়দ আব্দুল হাদীকে শ্রদ্ধা, দেওয়া হলো সংবর্ধনা কক্সবাজারে আজ যেসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নিজেকে ‘গুটিয়ে নেওয়ার’ ইঙ্গিত দিচ্ছেন ট্রাম্প?
Logo
logo

ট্রাম্পের নতুন নীতি : বিয়ের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড চাইলেই বিতাড়নের ঝুঁকি


খবর   প্রকাশিত:  ০৮ আগস্ট, ২০২৫, ০৭:০৮ পিএম

ট্রাম্পের নতুন নীতি : বিয়ের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড চাইলেই বিতাড়নের ঝুঁকি

বিয়ের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন করলেই এবার অভিবাসীরা পড়তে পারেন বিতাড়নের ঝুঁকিতে। ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন এক নীতির ফলে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজ।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, যেসব অভিবাসীর বৈধ কাগজপত্র নেই কিন্তু স্ত্রী বা স্বামীর মাধ্যমে স্থায়ী বসবাসের অনুমোদনের জন্য আবেদন করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে এখন থেকে সরাসরি বিতাড়নের প্রক্রিয়া শুরু করতে পারবে মার্কিন ফেডারেল অভিবাসন কর্তৃপক্ষ।

নতুন এই নির্দেশনা এসেছে ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস (ইউএসসিআইএস) থেকে।

সোমবার জারি হওয়া এই নীতিটি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়েছে।

 

শুধু স্বামী-স্ত্রী নয়, পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের মাধ্যমে গ্রিন কার্ড পেতে চাওয়া অভিবাসীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে এই নির্দেশনা।

ইউএসসিআইএসের পলিসি ম্যানুয়ালে বলা হয়েছে, পরিবারের সদস্যরা অভিবাসনের আবেদন করলেও সেটি বৈধতা দেয় না কিংবা বিতাড়নের হাত থেকে রক্ষা করে না।

সংস্থাটি আরো জানিয়েছে, যেসব আবেদন এখনো প্রক্রিয়াধীন এবং যেগুলো চলতি বছরের ১ আগস্ট বা তার পর জমা পড়বে— সব আবেদনেই নতুন এই নীতি প্রযোজ্য হবে।

 

এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অভিবাসন আইন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপ বিয়ের মাধ্যমে গ্রিন কার্ড পাওয়ার রাস্তাকে অনিশ্চিত করে তুলেছে।

কলাম্বিয়া ল স্কুলের ইমিগ্র্যান্টস’ রাইটস ক্লিনিকের পরিচালক ইলোরা মুখার্জি এনবিসিকে বলেন, ‘নীতিটির আওতা অনেক বড়। এর ফলে ইউএসসিআইএস এমন ক্ষমতা পাবে যে, আবেদন প্রক্রিয়ার যেকোনো পর্যায়ে অভিবাসীকে বিতাড়নের উদ্যোগ নিতে পারবে।