NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, মার্চ ৮, ২০২৬ | ২৪ ফাল্গুন ১৪৩২
ব্রেকিং নিউজ
জাকাত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশে দারিদ্র্য বিমোচন সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী ‘ইরানি হামলার’ জেরে জরুরি বৈঠকে বসছে আরব লিগ ট্রাম্পের হুমকির পরপরই পাল্টা সতর্কবার্তা দিল ইরান ‘রোনালদোর চোট ধারণার চেয়েও গুরুতর’ তৃষার সঙ্গে ম্যাচিং পোশাকে বিয়েবাড়িতে বিজয়, ফের আদালতে স্ত্রী রবিবার থেকে রেশনিং পদ্ধতিতে জ্বালানি তেল বিক্রি যুদ্ধের মধ্যে প্রথম জুমায় খামেনির জন্য ইরানিদের শোক মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে তারেক রহমান ও আমিরাতের প্রেসিডেন্টের ফোনালাপ আকাশসীমা আংশিক চালু, সীমিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে এমিরেটস ইরানে হামলা না করার সিদ্ধান্তে অটল ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী, ক্ষুব্ধ ট্রাম্প
Logo
logo

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি বার্ন ইনস্টিটিউট থেকে ছাড়পত্র পেলেন আরও দুই জন


খবর   প্রকাশিত:  ২৮ জুলাই, ২০২৫, ১০:০৭ এএম

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি বার্ন ইনস্টিটিউট থেকে ছাড়পত্র পেলেন আরও দুই জন

ঢাকার উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় দগ্ধ দুজনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় রোববার (২৭ জুলাই) হাসপাতাল থেকে তাদের ছাড়পত্র দেওয়া হয়। তারা হলেন কাজী আমজাদ সাইফ (২০) ও সবুজ। দুপুরে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক নাসির উদ্দিন।

একই সঙ্গে কিছু টেস্ট (পরীক্ষা) বাহির থেকে করানোর বিষয়ে রোগীর স্বজনদের অভিযোগের বিষয়টি দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের আহ্বান জানান তিনি।

 

তিনি বলেন, আমাদের হয়তো দু-একটি পরীক্ষা বাহির থেকে করানো লাগে সেগুলো আমরা আমাদের নিজস্ব তত্ত্বাবধানে নিজস্ব লোক দিয়ে করাচ্ছি। সাধারণভাবে এ পরীক্ষাগুলো সচরাচর হয় না। তাই পরীক্ষাগুলো একেবারে নিজেদের তত্ত্বাবধানে আমাদের নিজেদের অর্থ দিয়ে করানো হচ্ছে।

ডা. নাসির উদ্দিন বলেন, আজ কোনো খারাপ খবর নেই। আমরা নতুন করে কাউকে মৃত ঘোষণা করছি না। এখানে এখন পর্যন্ত মোট ৩৪ জন রোগী আছে। এর মধ্যে ২৮ জন শিশু। অ্যাডাল্ট আছে আটজন তাদের মধ্যে পাঁচজন নারী ও তিনজন পুরুষ। আমরা আজ দুজনকে ডিসচার্জ দিয়েছি। এর মধ্যে একজন ২০ বছর বয়সী কাজী আমজাদ সাইফ। তিনি ছিলেন মূলত একজন উদ্ধার কর্মী। অন্যজন জন সবুজ। তিনি স্টাফ ছিলেন। তাদের আমরা আজ ছাড়পত্র দিয়েছি।

 

এই মুহূর্তে আমাদের আইসিইউতে আছে চারজন রোগী। আর ভেন্টিলেশনে আছে দুজন। মেইল এইচডিইউতে আছে তিনজন, ফিমেইল এইচডিইউতে আছে ছয়জন, পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ডে আছে আটজন এবং কেবিনে আছে ১২ জন রোগী। তাদের মধ্যে ক্রিটিক্যাল অবস্থায় আছে চারজন রোগী এবং সিবিআর কন্ডিশনে আছে ৯ জন রোগী। এর মধ্যে ইনহেল্যুশন ইনজুরি আছে ৭ জন, আর ৩০ শতাংশের ওপরে দগ্ধ রোগীর সংখ্যা ছয়জন।

গতকাল (শনিবার) থেকে একটু ক্রিটিক্যাল স্টেজে অর্থাৎ খারাপ অবস্থায় গেছে আমাদের দুজন রোগী। এছাড়া নতুন করে কোনো রোগী আইসিইউতে আসেনি।

কয়েকজন রোগীর স্বজন অভিযোগ তুলছেন কিছু কিছু পরীক্ষা বাহিরের হাসপাতাল থেকে করানো লাগছে, যার খরচ নিজেরা বহন করছেন। এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এমন কোনো তথ্য আমাদের কাছে নেই। যদি কারও থাকে তাহলে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। কারণ আমাদের হয়তো দু-একটি টেস্ট বাইরে থেকে করানো লাগে সেগুলো আমাদের নিজস্ব তত্ত্বাবধানে নিজস্ব লোক দিয়ে পরীক্ষাগুলো আমরা করাচ্ছি। সাধারণভাবে এই পরীক্ষাগুলো সচরাচর হয় না। তাই পরীক্ষাগুলো একেবারে নিজেদের তত্ত্বাবধানে আমাদের নিজেদের অর্থ দিয়ে করানো হচ্ছে।