NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, অক্টোবর ২৫, ২০২৬ | ১০ কার্তিক ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
সৃজনশীল শিল্পকে মূলধারার অর্থনীতি ও সফট পাওয়ার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী কড়া নিরাপত্তার মধ্যেও উত্তাল ফ্রান্স, বিক্ষোভে সংঘর্ষ ইরানে আজই হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র ব্যক্তিগত অধিকার রক্ষায় আইন চান কৃতি শ্যানন গর্ভের সন্তান বিক্রি করতে চাওয়া সেই আঁখির পাশে প্রধানমন্ত্রী ফ্রান্সের অস্থিরতা নিয়ে ট্রাম্পসহ বিদেশি নেতাদের বক্তব্য ‘অগ্রহণযোগ্য’: ম্যাখোঁ ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কেন বিতর্কে মেটা ঢাকেশ্বরী মন্দিরে সিঁদুর খেলায় মেতেছেন শাওন দ্বিতীয় মেয়ের নাম প্রকাশ করলেন দীপিকা-রণবীর তিন বিভাগে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
Logo
logo

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি বার্ন ইনস্টিটিউট থেকে ছাড়পত্র পেলেন আরও দুই জন


খবর   প্রকাশিত:  ২৮ জুলাই, ২০২৫, ১০:০৭ এএম

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি বার্ন ইনস্টিটিউট থেকে ছাড়পত্র পেলেন আরও দুই জন

ঢাকার উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় দগ্ধ দুজনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় রোববার (২৭ জুলাই) হাসপাতাল থেকে তাদের ছাড়পত্র দেওয়া হয়। তারা হলেন কাজী আমজাদ সাইফ (২০) ও সবুজ। দুপুরে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক নাসির উদ্দিন।

একই সঙ্গে কিছু টেস্ট (পরীক্ষা) বাহির থেকে করানোর বিষয়ে রোগীর স্বজনদের অভিযোগের বিষয়টি দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের আহ্বান জানান তিনি।

 

তিনি বলেন, আমাদের হয়তো দু-একটি পরীক্ষা বাহির থেকে করানো লাগে সেগুলো আমরা আমাদের নিজস্ব তত্ত্বাবধানে নিজস্ব লোক দিয়ে করাচ্ছি। সাধারণভাবে এ পরীক্ষাগুলো সচরাচর হয় না। তাই পরীক্ষাগুলো একেবারে নিজেদের তত্ত্বাবধানে আমাদের নিজেদের অর্থ দিয়ে করানো হচ্ছে।

ডা. নাসির উদ্দিন বলেন, আজ কোনো খারাপ খবর নেই। আমরা নতুন করে কাউকে মৃত ঘোষণা করছি না। এখানে এখন পর্যন্ত মোট ৩৪ জন রোগী আছে। এর মধ্যে ২৮ জন শিশু। অ্যাডাল্ট আছে আটজন তাদের মধ্যে পাঁচজন নারী ও তিনজন পুরুষ। আমরা আজ দুজনকে ডিসচার্জ দিয়েছি। এর মধ্যে একজন ২০ বছর বয়সী কাজী আমজাদ সাইফ। তিনি ছিলেন মূলত একজন উদ্ধার কর্মী। অন্যজন জন সবুজ। তিনি স্টাফ ছিলেন। তাদের আমরা আজ ছাড়পত্র দিয়েছি।

 

এই মুহূর্তে আমাদের আইসিইউতে আছে চারজন রোগী। আর ভেন্টিলেশনে আছে দুজন। মেইল এইচডিইউতে আছে তিনজন, ফিমেইল এইচডিইউতে আছে ছয়জন, পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ডে আছে আটজন এবং কেবিনে আছে ১২ জন রোগী। তাদের মধ্যে ক্রিটিক্যাল অবস্থায় আছে চারজন রোগী এবং সিবিআর কন্ডিশনে আছে ৯ জন রোগী। এর মধ্যে ইনহেল্যুশন ইনজুরি আছে ৭ জন, আর ৩০ শতাংশের ওপরে দগ্ধ রোগীর সংখ্যা ছয়জন।

গতকাল (শনিবার) থেকে একটু ক্রিটিক্যাল স্টেজে অর্থাৎ খারাপ অবস্থায় গেছে আমাদের দুজন রোগী। এছাড়া নতুন করে কোনো রোগী আইসিইউতে আসেনি।

কয়েকজন রোগীর স্বজন অভিযোগ তুলছেন কিছু কিছু পরীক্ষা বাহিরের হাসপাতাল থেকে করানো লাগছে, যার খরচ নিজেরা বহন করছেন। এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এমন কোনো তথ্য আমাদের কাছে নেই। যদি কারও থাকে তাহলে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। কারণ আমাদের হয়তো দু-একটি টেস্ট বাইরে থেকে করানো লাগে সেগুলো আমাদের নিজস্ব তত্ত্বাবধানে নিজস্ব লোক দিয়ে পরীক্ষাগুলো আমরা করাচ্ছি। সাধারণভাবে এই পরীক্ষাগুলো সচরাচর হয় না। তাই পরীক্ষাগুলো একেবারে নিজেদের তত্ত্বাবধানে আমাদের নিজেদের অর্থ দিয়ে করানো হচ্ছে।