NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, জুন ১৭, ২০২৬ | ৩ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
মৌলভীবাজারে যেসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণে আগ্রহ শ্রীলঙ্কার পারমাণবিক শক্তিধর হতে গেলে ইরানের ‘সর্বনাশ’ হবে : ট্রাম্প ইনস্টাগ্রামে আমরা সবচেয়ে বিখ্যাত জুটি—মোদিকে মেলোনি মার্কিন সহায়তা চাওয়ায় দোষী সাব্যস্ত বলসোনারোর ছেলে মেসির হ্যাটট্রিকে আলজেরিয়াকে বিধ্বস্ত করল আর্জেন্টিনা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন গুম ও খুনের শিকার ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা শান্তিচুক্তি ট্রাম্পের ‘আত্মসমর্পণের দলিল’? দুর্দান্ত কামব্যাকে নেদারল্যান্ডসকে রুখে দিল জাপান ভক্তদের ভিড়ে নাজেহাল রাশমিকা, আগলে রাখলেন কৃতি
Logo
logo

ভারতকে সিন্ধু পানি চুক্তি বাস্তবায়নের আহ্বান পাকিস্তানের


খবর   প্রকাশিত:  ০১ জুলাই, ২০২৫, ১০:০৭ এএম

ভারতকে সিন্ধু পানি চুক্তি বাস্তবায়নের আহ্বান পাকিস্তানের

হেগে স্থায়ী আদালতের সম্পূরক রায় ঘোষণার পর ভারতকে সিন্ধু পানি চুক্তি পুরোপুরি এবং আন্তরিকভাবে মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে পাকিস্তান। মে মাস থেকে ভারত এই চুক্তি কার্যকর রাখা থেকে বিরত রয়েছে এবং এখন তা অবিলম্বে পূর্ণরূপে পুনরায় চালু করা উচিত বলে জানিয়েছে পাকিস্তান।

দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২৭ জুন ২০২৫ তারিখে ঘোষিত এক সম্পূরক রায়ে আদালত জানিয়েছে কিশেনগঙ্গা ও রাটলে জলবিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে পাকিস্তান-ভারত বিরোধের বিষয়ে আদালতের এখতিয়ার বহাল রয়েছে এবং আদালতের দায়িত্ব হচ্ছে এই কার্যক্রম সময়োপযোগী, দক্ষ এবং ন্যায়সংগতভাবে এগিয়ে নেওয়া।

 

পাকিস্তানের দাবি, এই রায় প্রমাণ করে যে সিন্ধু পানি চুক্তি এখনো বৈধ এবং কার্যকর, এবং ভারত একতরফাভাবে এই চুক্তি স্থগিত করার কোনো অধিকার রাখে না।

ভারতীয় অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরে গত এপ্রিল মাসে এক হামলায় ২৬ জন নিহত হন। ভারত পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এই হামলার ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগ তোলে, যা পাকিস্তান জোরালোভাবে অস্বীকার করেছে।

 

এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ভারত চুক্তি স্থগিত করে এবং পরবর্তীতে গত মাসে দুই দেশের মধ্যে ভয়াবহ যুদ্ধ শুরু হয়, যা কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় সংঘর্ষে পরিণত হয়। পরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।

সিন্ধু নদের অববাহিকায় প্রবাহিত ভারতীয় নদীগুলোর পানি ব্যবহারের অধিকার নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। এই ব্যবহার নির্ধারিত হয়েছে ১৯৬০ সালে বিশ্বব্যাংকের মধ্যস্থতায় স্বাক্ষরিত সিন্ধু পানি চুক্তির মাধ্যমে, যেখানে কোনো পক্ষ একতরফাভাবে চুক্তি বাতিল বা স্থগিত করতে পারে না।

পাকিস্তান আগেই পিসিএ-এর সম্পূরক রায়কে স্বাগত জানিয়েছে এবং বলেছে, এতে আদালতের এখতিয়ার নিশ্চিত হয়েছে।

 

পাকিস্তানের পক্ষ থেকে ভারতকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে যে, চুক্তিভঙ্গ বা একতরফা সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না এবং আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি সম্মান বজায় রাখার জন্য ভারতকে আবারও চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়ন শুরু করতে হবে।