NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, জুন ১৯, ২০২৬ | ৫ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
জুয়া-মাদক-প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে কঠোর আইন, বগুড়ায় পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় চুক্তি মানতে ব্যর্থ হলে ফের হামলার হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের অস্ট্রেলিয়ায় বিপুল পরিমাণ মাদকসহ ব্রিটিশ অভিনেত্রী গ্রেপ্তার জি-৭ সম্মেলনে মেলোনির ঠোঁটে চুম্বনের চেষ্টা জেলেনস্কির, ভিডিও ভাইরাল বিশ্বকাপে ছেলের খেলা দেখতে যুক্তরাষ্ট্রে উড়াল দিলেন ভোজিনহার মা মানবিক সহায়তা জোরদার ও নারী নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের পরীর বাসায় টানা ১ মাস রাত যাপন সাকলায়েনের! শুক্রবারের মধ্যেই শান্তিচুক্তির পূর্ণাঙ্গ খসড়া প্রকাশ হবে : জেডি ভ্যান্স ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে ট্রাম্পের স্বাক্ষরের ভিডিও প্রকাশ করলেন ম্যাক্রোঁ মেসিকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপে অনন্য রেকর্ড গড়লেন হ্যারি কেইন
Logo
logo

অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ড. ইউনূসের নেতৃত্বের প্রশংসা


খবর   প্রকাশিত:  ১৪ জুন, ২০২৫, ০৯:০৬ এএম

অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ড. ইউনূসের নেতৃত্বের প্রশংসা

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস শুক্রবার (১৩ জুন) যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও জাতিসংঘের বৈশ্বিক শিক্ষা বিষয়ক বিশেষ দূত গর্ডন ব্রাউনের সঙ্গে এক টেলিফোন আলোচনায় অংশ নিয়েছেন। আলোচনায় বাংলাদেশের চলমান অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার কার্যক্রম এবং রোহিঙ্গা শরণার্থী শিশুদের জন্য শিক্ষা কার্যক্রম জোরদারের জরুরি প্রয়োজনীয়তা উঠে আসে।

এসময় গর্ডন ব্রাউন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রফেসর ইউনূসের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন। তিনি অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে ইউনূসের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান।

 

দুই নেতাই বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গা শিশুদের শিক্ষার করুণ অবস্থার ব্যাপারে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বর্তমানে অর্ধলক্ষাধিক রোহিঙ্গা শিশু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত–এই প্রেক্ষাপটে তারা শিক্ষার মাধ্যমে একটি হারিয়ে যাওয়া প্রজন্ম সৃষ্টির আশঙ্কা প্রতিরোধের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

আলাপকালে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, আমাদের অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে, রোহিঙ্গা শিশুরা যেন আশায় বেড়ে ওঠে এবং একটি ভালো ভবিষ্যৎ গড়ার সক্ষমতা অর্জন করে।

 

তিনি রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য সহায়তা নিশ্চিত করতে তার সরকারের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

গর্ডন ব্রাউন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শিক্ষা কার্যক্রম সম্প্রসারণে বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশ সফরেরও আগ্রহ প্রকাশ করেন, যাতে করে তিনি স্বচক্ষে পরিস্থিতি পরিদর্শন করতে পারেন এবং সহায়তার বিভিন্ন পথ অন্বেষণ করতে পারেন।

তাদের আলোচনায় বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার কর্মসূচি এবং গণতান্ত্রিক উত্তরণের জন্য সরকারের ভূমিকা সংক্রান্ত বিষয়াবলি উঠে আসে।