NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, অক্টোবর ২৬, ২০২৬ | ১১ কার্তিক ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
সৃজনশীল শিল্পকে মূলধারার অর্থনীতি ও সফট পাওয়ার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী কড়া নিরাপত্তার মধ্যেও উত্তাল ফ্রান্স, বিক্ষোভে সংঘর্ষ ইরানে আজই হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র ব্যক্তিগত অধিকার রক্ষায় আইন চান কৃতি শ্যানন গর্ভের সন্তান বিক্রি করতে চাওয়া সেই আঁখির পাশে প্রধানমন্ত্রী ফ্রান্সের অস্থিরতা নিয়ে ট্রাম্পসহ বিদেশি নেতাদের বক্তব্য ‘অগ্রহণযোগ্য’: ম্যাখোঁ ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কেন বিতর্কে মেটা ঢাকেশ্বরী মন্দিরে সিঁদুর খেলায় মেতেছেন শাওন দ্বিতীয় মেয়ের নাম প্রকাশ করলেন দীপিকা-রণবীর তিন বিভাগে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
Logo
logo

অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ড. ইউনূসের নেতৃত্বের প্রশংসা


খবর   প্রকাশিত:  ১৪ জুন, ২০২৫, ০৯:০৬ এএম

অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ড. ইউনূসের নেতৃত্বের প্রশংসা

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস শুক্রবার (১৩ জুন) যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও জাতিসংঘের বৈশ্বিক শিক্ষা বিষয়ক বিশেষ দূত গর্ডন ব্রাউনের সঙ্গে এক টেলিফোন আলোচনায় অংশ নিয়েছেন। আলোচনায় বাংলাদেশের চলমান অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার কার্যক্রম এবং রোহিঙ্গা শরণার্থী শিশুদের জন্য শিক্ষা কার্যক্রম জোরদারের জরুরি প্রয়োজনীয়তা উঠে আসে।

এসময় গর্ডন ব্রাউন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রফেসর ইউনূসের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন। তিনি অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে ইউনূসের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান।

 

দুই নেতাই বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গা শিশুদের শিক্ষার করুণ অবস্থার ব্যাপারে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বর্তমানে অর্ধলক্ষাধিক রোহিঙ্গা শিশু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত–এই প্রেক্ষাপটে তারা শিক্ষার মাধ্যমে একটি হারিয়ে যাওয়া প্রজন্ম সৃষ্টির আশঙ্কা প্রতিরোধের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

আলাপকালে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, আমাদের অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে, রোহিঙ্গা শিশুরা যেন আশায় বেড়ে ওঠে এবং একটি ভালো ভবিষ্যৎ গড়ার সক্ষমতা অর্জন করে।

 

তিনি রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য সহায়তা নিশ্চিত করতে তার সরকারের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

গর্ডন ব্রাউন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শিক্ষা কার্যক্রম সম্প্রসারণে বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশ সফরেরও আগ্রহ প্রকাশ করেন, যাতে করে তিনি স্বচক্ষে পরিস্থিতি পরিদর্শন করতে পারেন এবং সহায়তার বিভিন্ন পথ অন্বেষণ করতে পারেন।

তাদের আলোচনায় বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার কর্মসূচি এবং গণতান্ত্রিক উত্তরণের জন্য সরকারের ভূমিকা সংক্রান্ত বিষয়াবলি উঠে আসে।