NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, জুন ২০, ২০২৬ | ৫ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
জুয়া-মাদক-প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে কঠোর আইন, বগুড়ায় পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় চুক্তি মানতে ব্যর্থ হলে ফের হামলার হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের অস্ট্রেলিয়ায় বিপুল পরিমাণ মাদকসহ ব্রিটিশ অভিনেত্রী গ্রেপ্তার জি-৭ সম্মেলনে মেলোনির ঠোঁটে চুম্বনের চেষ্টা জেলেনস্কির, ভিডিও ভাইরাল বিশ্বকাপে ছেলের খেলা দেখতে যুক্তরাষ্ট্রে উড়াল দিলেন ভোজিনহার মা মানবিক সহায়তা জোরদার ও নারী নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের পরীর বাসায় টানা ১ মাস রাত যাপন সাকলায়েনের! শুক্রবারের মধ্যেই শান্তিচুক্তির পূর্ণাঙ্গ খসড়া প্রকাশ হবে : জেডি ভ্যান্স ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে ট্রাম্পের স্বাক্ষরের ভিডিও প্রকাশ করলেন ম্যাক্রোঁ মেসিকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপে অনন্য রেকর্ড গড়লেন হ্যারি কেইন
Logo
logo

দূতাবাস কর্মকর্তার সন্দেহ হলেই বাতিল হবে ভিসার আবেদন


খবর   প্রকাশিত:  ২৩ মে, ২০২৫, ০৭:০৫ পিএম

দূতাবাস কর্মকর্তার সন্দেহ হলেই বাতিল হবে ভিসার আবেদন

জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিকত্ব লাভ রোধে আরও কঠোর হচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। এখন থেকে দেশটিতে ভ্রমণের উদ্দেশে যেতে চাওয়া ব্যক্তিদের ভিসার আবেদন পর্যালোচনায় মার্কিন দূতাবাসের কর্মকর্তারা আরও খুঁটিয়ে ভিসাপ্রার্থীদের তথ্য যাচাই-বাছাই করতে পারবেন। সন্দেহজনক মনে হলেই বাতিল করতে পারবেন ভিসার আবেদনও।

শুক্রবার (২৩ মে) এক বিবৃতিতে এমনটাই জানিয়েছে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস।

 

বিবৃতিতে বলা হয়, মার্কিন দূতাবাস কর্মকর্তারা যদি মনে করেন যে ভ্রমণের প্রাথমিক উদ্দেশ্য হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সন্তান জন্মদান এবং সন্তানের জন্য মার্কিন নাগরিকত্ব অর্জন করা, তাহলে তারা পর্যটন ভিসার আবেদন প্রত্যাখ্যান করবেন। এটি অননুমোদিত।

দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতা গ্রহণের প্রথম দিনই জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিকত্ব বাতিলসহ একগুচ্ছ নির্বাহী আদেশে সই করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের ইতি টানার চেষ্টায় নিম্ন আদালতগুলোতে বার বার ধাক্কা খেয়ে পরে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থও হন তিনি। ট্রাম্প এ সংক্রান্ত নির্বাহী আদেশে সই করার পর তার আদেশের বিরুদ্ধে প্রথম মামলা করে অভিবাসীদের সংগঠন যুক্তরাষ্ট্রের সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন। এরপর দেশটির বিভিন্ন প্রদেশেও এই আদেশ বাধার মুখে পড়ে।

 

 

 

কেউ যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করলে তিনি জন্মসূত্রে দেশটির নাগরিকত্ব পান। এই বিধান বাতিলের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি। শপথ নেওয়ার পর এ সংক্রান্ত নির্বাহী আদেশে সই করেন ট্রাম্প। তবে শুধু নির্বাহী আদেশ দিয়েই এই নীতি পরিবর্তন করা কঠিন। কারণ মার্কিন সংবিধানেই জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে।