NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, আগস্ট ২৭, ২০২৬ | ১২ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব : রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের সৌদি আরবের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি কংগ্রেসে, ইসরায়েল স্বীকৃতির শর্ত নেপালে বন্যা ও ধসে নিহতদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শোক আরএসএসের অনুষ্ঠান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বিতর্ক নেপালে ভয়াবহ বন্যায় প্রাণহানি, জাতিসংঘ মহাসচিবের শোক নেপালে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬২, নিখোঁজ শত শত পর্যটক সহিংস উগ্র বামপন্থী নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা চীন থেকে ২০টি জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কিনবে বাংলাদেশ, ব্যয় ২.১৪ বিলিয়ন ডলার মহানবী (সা.)-এর আদর্শ তরুণদের জন্য হতে পারে প্রেরণার উৎস-প্রধানমন্ত্রী ৪৭ বছর পর যুক্তরাষ্ট্র থেকে মুক্তি পেল সিরিয়া
Logo
logo

দূতাবাস কর্মকর্তার সন্দেহ হলেই বাতিল হবে ভিসার আবেদন


খবর   প্রকাশিত:  ২৩ মে, ২০২৫, ০৭:০৫ পিএম

দূতাবাস কর্মকর্তার সন্দেহ হলেই বাতিল হবে ভিসার আবেদন

জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিকত্ব লাভ রোধে আরও কঠোর হচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। এখন থেকে দেশটিতে ভ্রমণের উদ্দেশে যেতে চাওয়া ব্যক্তিদের ভিসার আবেদন পর্যালোচনায় মার্কিন দূতাবাসের কর্মকর্তারা আরও খুঁটিয়ে ভিসাপ্রার্থীদের তথ্য যাচাই-বাছাই করতে পারবেন। সন্দেহজনক মনে হলেই বাতিল করতে পারবেন ভিসার আবেদনও।

শুক্রবার (২৩ মে) এক বিবৃতিতে এমনটাই জানিয়েছে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস।

 

বিবৃতিতে বলা হয়, মার্কিন দূতাবাস কর্মকর্তারা যদি মনে করেন যে ভ্রমণের প্রাথমিক উদ্দেশ্য হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সন্তান জন্মদান এবং সন্তানের জন্য মার্কিন নাগরিকত্ব অর্জন করা, তাহলে তারা পর্যটন ভিসার আবেদন প্রত্যাখ্যান করবেন। এটি অননুমোদিত।

দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতা গ্রহণের প্রথম দিনই জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিকত্ব বাতিলসহ একগুচ্ছ নির্বাহী আদেশে সই করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের ইতি টানার চেষ্টায় নিম্ন আদালতগুলোতে বার বার ধাক্কা খেয়ে পরে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থও হন তিনি। ট্রাম্প এ সংক্রান্ত নির্বাহী আদেশে সই করার পর তার আদেশের বিরুদ্ধে প্রথম মামলা করে অভিবাসীদের সংগঠন যুক্তরাষ্ট্রের সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন। এরপর দেশটির বিভিন্ন প্রদেশেও এই আদেশ বাধার মুখে পড়ে।

 

 

 

কেউ যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করলে তিনি জন্মসূত্রে দেশটির নাগরিকত্ব পান। এই বিধান বাতিলের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি। শপথ নেওয়ার পর এ সংক্রান্ত নির্বাহী আদেশে সই করেন ট্রাম্প। তবে শুধু নির্বাহী আদেশ দিয়েই এই নীতি পরিবর্তন করা কঠিন। কারণ মার্কিন সংবিধানেই জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে।