NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, আগস্ট ২৮, ২০২৬ | ১২ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব : রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের সৌদি আরবের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি কংগ্রেসে, ইসরায়েল স্বীকৃতির শর্ত নেপালে বন্যা ও ধসে নিহতদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শোক আরএসএসের অনুষ্ঠান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বিতর্ক নেপালে ভয়াবহ বন্যায় প্রাণহানি, জাতিসংঘ মহাসচিবের শোক নেপালে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬২, নিখোঁজ শত শত পর্যটক সহিংস উগ্র বামপন্থী নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা চীন থেকে ২০টি জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কিনবে বাংলাদেশ, ব্যয় ২.১৪ বিলিয়ন ডলার মহানবী (সা.)-এর আদর্শ তরুণদের জন্য হতে পারে প্রেরণার উৎস-প্রধানমন্ত্রী ৪৭ বছর পর যুক্তরাষ্ট্র থেকে মুক্তি পেল সিরিয়া
Logo
logo

যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসীকে সহায়তা করায় বিচারক গ্রেপ্তার


খবর   প্রকাশিত:  ২৮ এপ্রিল, ২০২৫, ১১:০৪ এএম

যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসীকে সহায়তা করায় বিচারক গ্রেপ্তার


যুক্তরাষ্ট্রের মিলওয়াকি কাউন্টি সার্কিট কোর্টের বিচারক হান্না ডুগানকে শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) গ্রেপ্তার করেছে ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই)। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এফবিআই পরিচালক কাশ প্যাটেল জানিয়েছেন, অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেপ্তার থেকে বাঁচাতে সহায়তা করায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

এফবিআইয়ের মতে, বিচারক ডুগান আদালত প্রাঙ্গণে অভিবাসন কর্তৃপক্ষের নজর এড়িয়ে অভিযুক্ত এদুয়ার্দো ফ্লোরেস-রুইজকে পালাতে সহায়তা করেন।

কাশ প্যাটেল এক পোস্টে লিখেছেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, বিচারক ডুগান ইচ্ছাকৃতভাবে এজেন্টদের ভুল পথে পরিচালিত করেন, যাতে অবৈধ অভিবাসী এদুয়ার্দো ফ্লোরেস-রুইজ পালাতে পারেন। আমাদের এজেন্টরা পরে তাকে ধাওয়া করে ধরে ফেললেও বিচারকের এই বাধাদান জনসাধারণের জন্য ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে।’

এ বিষয়ে একজন আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ডুগানের বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগ আনা হয়েছে—একজন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার এড়াতে সাহায্য করা এবং ফেডারেল কর্তৃপক্ষের কাজে বাধা দেওয়া।

যুক্তরাষ্ট্রের মার্শাল সার্ভিসের মুখপাত্র ব্র্যাডি ম্যাক্যারন জানিয়েছেন, শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৮টায় বিচারক ডুগানকে আদালত প্রাঙ্গণ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ফেডারেল মার্শালদের মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

এ ঘটনা ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে বিচারকদের আচরণ ও ইমিগ্রেশন আইন প্রয়োগে সহযোগিতা না করা নিয়ে কড়াকড়ি নজরদারির অংশ বলে মনে করা হচ্ছে।