NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, আগস্ট ২৮, ২০২৬ | ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব : রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের সৌদি আরবের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি কংগ্রেসে, ইসরায়েল স্বীকৃতির শর্ত নেপালে বন্যা ও ধসে নিহতদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শোক আরএসএসের অনুষ্ঠান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বিতর্ক নেপালে ভয়াবহ বন্যায় প্রাণহানি, জাতিসংঘ মহাসচিবের শোক নেপালে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬২, নিখোঁজ শত শত পর্যটক সহিংস উগ্র বামপন্থী নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা চীন থেকে ২০টি জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কিনবে বাংলাদেশ, ব্যয় ২.১৪ বিলিয়ন ডলার মহানবী (সা.)-এর আদর্শ তরুণদের জন্য হতে পারে প্রেরণার উৎস-প্রধানমন্ত্রী ৪৭ বছর পর যুক্তরাষ্ট্র থেকে মুক্তি পেল সিরিয়া
Logo
logo

যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচারের অভিযোগ


খবর   প্রকাশিত:  ২১ এপ্রিল, ২০২৫, ০৯:৩৭ এএম

যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচারের অভিযোগ

যুক্তরাজ্যের সাবেক সিটি মন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিক ৬ লাখ পাউন্ড মূল্যের বাংলাদেশি ফ্ল্যাটের মালিকানা নিয়ে মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল শনিবার (৫ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বাংলাদেশে নিজের নামে থাকা ফ্ল্যাট তিনি তার বোনের বলে যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ভুল তথ্য দিয়েছিলেন। 

কারণ ডেইলি মেইল গত সপ্তাহে ঢাকা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে অনুসন্ধান চালিয়ে জানতে পেরেছে যে তার প্রকৃত মালিক এখনো টিউলিপ। তবে ৪২ বছর বয়সী সিদ্দিক যেকোনো ধরনের অন্যায়ের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

 

 

তিনি ডেইলি মেইলকে জানিয়েছেন, ২০০২ সালে ফ্ল্যাটটি তার বাবা-মা তাকে উপহার দেন এবং ২০১৫ সালের মে মাসে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই তা ‘আইনগত ও বৈধভাবে’ তার বোন আজমিনার (৩৪) নামে হস্তান্তর করেন।

তবে দুর্নীতিবিরোধী কমিশনের (দুদক) অনুরোধে ছয় লাখ পাউন্ড সমমূল্যের ফ্ল্যাটটি বাংলাদেশ সরকার জব্দ করেছে। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে তদন্তও চলছে।

যুক্তরাজ্যের ওয়েস্ট মিনস্টার রেজিস্টারে এমপিদের সম্পর্কে যে তথ্য আছে সে অনুযায়ী, ২০১৫ সালের জুন পর্যন্ত এই সম্পদটি পরিবারের সদস্যের সঙ্গে টিউলিপের যৌথ মালিকানাধীন ছিল।

পরের মাসে তিনি এটি হস্তান্তর করে দেন। তবে ডেইলি মেইল গত সপ্তাহে ঢাকা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে অনুসন্ধান করে জানতে পেরেছে, টিউলিপ সিদ্দিক এখনো ফ্ল্যাটটির মালিক। যেমনটা বাংলাদেশের দুদক দাবি করছে। এখন বাংলাদেশের আদালত সিদ্ধান্ত নেবে ফ্ল্যাটটির মালিক কে।

 

গত মাসে দুর্নীতি দমন কমিশন জানায় যে ২০১৫ সালে ফ্ল্যাটটি আজমিনার নামে হস্তান্তর করার জন্য টিউলিপ ‘হেবা’ নামক একটি ইসলামিক দলিল ব্যবহার করেন, যা একজন ব্যক্তি ভালোবাসা বা স্নেহের কারণে নিজের সম্পদ অন্যকে হস্তান্তর করতে ব্যবহার করে।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশি আইনে ফ্ল্যাট হস্তান্তর তখনই বৈধ হিসেবে গণ্য হয় যখন সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে মালিকানা পরিবর্তনের নথিভুক্তি সম্পন্ন হয়।

দুর্নীতি দমন কমিশন দাবি করেছে, হেবা দলিলটি ছিল ‘জাল’, কারণ যে ব্যারিস্টার এটি সত্যায়িত করেছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে, তিনি এতে নিজের জড়িত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন এবং দাবি করেছেন, তার স্বাক্ষর নকল করা হয়েছে।

তবে টিউলিপের আইনজীবীরা বলছেন, হেবা যথাযথভাবে সম্পাদিত হয়েছে এবং ফ্ল্যাটটি ‘একজন পরিবারের সদস্যের সঙ্গে যৌথ মালিকানায়’ ছিল, কারণ এর সমস্ত ভাড়ার অর্থ তার বোন আজমিনা পেতেন।

 

গত শুক্রবার রাতে টিউলিপের আইনজীবী পল থোয়েট বলেন, একজন বাংলাদেশি আইন বিশেষজ্ঞ তাকে জানিয়েছেন যে হেবা দলিলটি মালিকানা হস্তান্তরের জন্য যথেষ্ট।

তিনি বলেন, সংসদে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগটি ‘অযৌক্তিক’।