NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, আগস্ট ২৮, ২০২৬ | ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব : রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের সৌদি আরবের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি কংগ্রেসে, ইসরায়েল স্বীকৃতির শর্ত নেপালে বন্যা ও ধসে নিহতদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শোক আরএসএসের অনুষ্ঠান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বিতর্ক নেপালে ভয়াবহ বন্যায় প্রাণহানি, জাতিসংঘ মহাসচিবের শোক নেপালে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬২, নিখোঁজ শত শত পর্যটক সহিংস উগ্র বামপন্থী নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা চীন থেকে ২০টি জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কিনবে বাংলাদেশ, ব্যয় ২.১৪ বিলিয়ন ডলার মহানবী (সা.)-এর আদর্শ তরুণদের জন্য হতে পারে প্রেরণার উৎস-প্রধানমন্ত্রী ৪৭ বছর পর যুক্তরাষ্ট্র থেকে মুক্তি পেল সিরিয়া
Logo
logo

আরও দুই ব্রিটিশ কূটনীতিককে বহিষ্কার করলো রাশিয়া


খবর   প্রকাশিত:  ২১ এপ্রিল, ২০২৫, ০৯:৩২ এএম

আরও দুই ব্রিটিশ কূটনীতিককে বহিষ্কার করলো রাশিয়া

গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে দুই ব্রিটিশ কূটনীতিককে বহিষ্কার করছে রাশিয়া। রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা পরিষেবা জানিয়েছে, একজন ব্রিটিশ কূটনীতিক ও অন্য একজন কূটনীতিকের স্ত্রীকে রাশিয়া থেকে বহিষ্কার করা হচ্ছে।

রাশিয়ার ফেডারেল সিকিউরিটি সার্ভিস (এফএসবি) এই দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে গোয়েন্দা তথ্য ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ এনেছে। সেখানে তাদের দুই সপ্তাহের মধ্যে রাশিয়া ত্যাগ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

সোমবার (১০ মার্চ) মস্কো জানিয়েছে, তারা গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে কূটনীতিকদের বহিষ্কার করছে। এক বিবৃতিতে এফএসবি জানিয়েছে, তারা রাশিয়ায় প্রবেশের জন্য অনুমতি নেওয়ার সময় নিজেদের সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য দিয়েছিল।

গত এক বছরেই রাশিয়া থেকে সাতজন ব্রিটিশ কূটনীতিককে বহিষ্কার করা হয়। তখনও মস্কো তাদের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ আনে। তবে এমন অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করেছে যুক্তরাজ্য।

 

যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছে, এটিই প্রথমবার নয় যে রাশিয়া আমাদের কর্মীদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষপূর্ণ ও ভিত্তিহীন অভিযোগ করেছে। ২০২৪ সালের নভেম্বরেও একজন ব্রিটিশ কূটনীতিককে বহিষ্কার করেছিল মস্কো। পরে গত মাসে যুক্তরাজ্য একজন রুশ কূটনীতিককে বহিষ্কার করে। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তখন বলেছিল, তারা বহিষ্কারের জবাব দেওয়ার পরিকল্পনা করছে।

২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার ‘সামরিক অভিযানের’ পর থেকেই লন্ডন ও মস্কোর মধ্যে সম্পর্ক খারাপ হতে থাকে। আর সম্প্রতি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার দৃঢ়ভাবে ইউক্রেনের পাশে থাকার ঘোষাণা দেওয়ায় দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে।

 

স্টারমার নিজেদের প্রতিরক্ষা ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। সেই সঙ্গে তিনি শান্তি চুক্তির ক্ষেত্রে রাশিয়াকে ইউক্রেন আক্রমণ থেকে বিরত রাখতে ইচ্ছুকদের জোটে যোগদানের জন্য দেশগুলোকে আহ্বান জানিয়েছেন।

 

সূত্র: বিবিসি