NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, নভেম্বর ২, ২০২৬ | ১৮ কার্তিক ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
পোশাক কারখানা চালু রেখে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর হ্যালোইন উৎসবের ছুটিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে বন্দুক হামলা, নিহত ৬ মার্কিন-দক্ষিণ কোরীয় মহড়া পারমাণবিক যুদ্ধের প্রস্তুতি : দাবি উত্তর কোরিয়ার ৩ ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে মেসির গোল, হেডে অ্যাসিস্ট যুবকদের জন্য ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ তহবিল ঘোষণা সরকারের : প্রধানমন্ত্রী লন্ডনে ফিলিস্তিনপন্থি বিক্ষোভে ১৩৯ জন গ্রেফতার ফ্রান্সজুড়ে আবারও লাখো মানুষের বিক্ষোভ, সংঘর্ষে উত্তাল রাজপথ ক্যালিফোর্নিয়ায় হ্যালোইন সামগ্রীর দোকানে গুলি, নিহত ১ রাফিনিয়া-ইয়ামালের জোড়ায় প্রতিপক্ষকে ৬ গোলে উড়িয়ে ফের শীর্ষে বার্সেলোনা মুক্তির ছাড়পত্র পেল দেশের প্রথম এআই সিনেমা ‘গ্যাপ’
Logo
logo

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষের সাংবিধানিক স্বীকৃতির দাবি


খবর ডেস্ক//   প্রকাশিত:  ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৩, ০১:০৭ এএম

>
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষের সাংবিধানিক স্বীকৃতির দাবি

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষের সাংবিধানিক স্বীকৃতিসহ একাধিক দাবিতে শোভাযাত্রা করেছে উত্তরবঙ্গ আদিবাসী ফোরাম। মঙ্গলবার (৯ আগস্ট) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এসব কর্মসূচি পালন করা হয়।

এতে সভাপতির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট প্রভাত টুডু বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৯ সালে আদিবাসী দিবস উপলক্ষে তার দেওয়া বাণীতে আদিবাসীদের নিজস্ব পরিচয়ে সব অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছিলেন। এ উপমহাদেশে যুগের পর যুগ সাঁওতাল, কোল, মুন্ডা তুরীসহ অনেক ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর লোকজন বসবাস করে আসছে। ইংরেজ সরকার, ভারত সরকার, পাকিস্তান সরকার তাদের আদিবাসী হিসেবেই স্বীকার করেছে। তাদের আদিবাসী হিসেবেই পরিচয় করিয়ে নিয়েছে। অথচ বর্তমানে স্বাধীন বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন দলগুলো এ সমস্ত আদিবাসীদের আদিবাসী হিসেবে স্বীকার করতে এবং সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃতি দিতে অনেকটা পিছপা হয়েছে। উত্তরবঙ্গ আদিবাসী ফোরাম সরকারের এমন আচরণের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে।

বিশ্ব আদিবাসী দিবসে বাংলাদেশ সরকারের কাছে সাত দফা দাবি পেশ করে আদিবাসী ফোরাম। দাবিগুলো হলো

১. আদিবাসী শব্দ ব্যবহার না করার নির্দেশনা প্রত্যাহার করতে হবে।

২. আদিবাসীদের আদিবাসী হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দিতে হবে।

৩. সমতলের আদিবাসীদের জন্য পৃথক ভূমি কমিশন গঠন করতে হবে।

৪. সমতলের আদিবাসীদের পক্ষ থেকে সংসদে প্রতিনিধি নিশ্চিত করতে হবে।

৫. সংখ্যালঘু কমিশন গঠন করতে হবে।

৬. উত্তরবঙ্গের আদিবাসীদের জীবনমান উন্নয়নে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ দিতে হবে।

৭. যত দ্রুত সম্ভব নব নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রপতিকে বাংলাদেশে আমন্ত্রণ জানানো এবং সাঁওতালসহ অন্যান্য আদিবাসী প্রতিনিধিদের সাক্ষাতের ব্যবস্থা করতে হবে।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বনিফাস হেমব্রম, লাল ফিলিমন সরেন, থিওফিল হাসদা, নিকোলাস কিস্কু প্রমুখ।