NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, আগস্ট ২৯, ২০২৬ | ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আইরিন খান ট্রাম্পের 'নজিরবিহীন ঘোষণা'য় ভেনেজুয়েলার তেলক্ষেত্র যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে বায়ার্নের সঙ্গে চুক্তি নবায়ন নিয়ে মুখ খুললেন কেইন নেপালের সেই ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, দেশে ফিরে যা জানালেন অপু বিশ্বাস জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আইরিন খান ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ একাডেমি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ ইরানের আর্থিক নেটওয়ার্কে নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা নেপালে ভয়াবহ বন্যা-ভূমিধসে নিহত ৫৩৮, নিখোঁজ প্রায় ১,০০০ ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশে লেক অন্টারিওর নতুন নাম ‘লেক আমেরিকা’ হাসিনাকে ঘিরে টানাপোড়েন, তবুও কেন তারেক রহমানকে দিল্লিতে নিতে আগ্রহী ভারত
Logo
logo

জাপানে বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী উদযাপিত


খবর   প্রকাশিত:  ১২ জানুয়ারী, ২০২৪, ০৭:৩৮ এএম

জাপানে বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী উদযাপিত

জাপানে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। আজ জাপানের টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাস বিনম্র শ্রদ্ধা, সম্মান আর ভালোবাসা নিয়ে বঙ্গমাতার ৯২তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করে। দূতাবাসের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শাহাবুদ্দিন আহমদ এবং দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ। 


সকালের অনুষ্ঠানের শুরুতে বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিবের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ অর্পণের মাধ্যমে গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়। অতঃপর বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতাসহ তাঁর পরিবারের শহিদ সদস্যদের আত্মার শান্তি ও মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য এবং দেশ ও দেশবাসীর কল্যাণে মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত বানী সকলের উদ্দেশে পাঠ করা হয়। 

রাষ্ট্রদূত শাহাবুদ্দিন আহমদ, তাঁর বক্তব্যে বলেন, বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব সারাজীবন বঙ্গবন্ধুকে অনুপ্রেরণা যুগিয়েছেন। বঙ্গবন্ধুর ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাজনৈতিক জীবনের নিভৃত সহচর হিসাবে বিদ্যমান থেকে বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ প্রদান ও সহযোগিতা করেছেন। রাষ্ট্রদূত আরো বলেন, সংগ্রামী জীবনে বঙ্গবন্ধু বহুবার কারাবরণ করেছেন, আর তখন সাহসী বঙ্গমাতা পরিবার দেখাশোনার পাশাপাশি রাজনৈতিক নেতাকর্মীদেরও আগলে রেখেছিলেন প্রজ্ঞা ও দায়িত্বশীলতার সাথে। আর এজন্যই কোন রাজনৈতিক পদধারী না হয়েও তিনি বাংলাদেশে নারীদের রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের প্রতিক।     

অনুষ্ঠানের পরবর্তী পর্যায়ে বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিবের কর্মজীবন, ত্যাগ ও সংগ্রামের উপর উম্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয় এবং তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।