NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১, ২০২৬ | ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
‘বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল চুক্তি’ ঘোষণা ট্রাম্পের, ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেল যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ গুমের শিকার ও নিখোঁজদের নিয়ে জাতিসংঘের উদ্বেগ, ন্যায়বিচার নিশ্চিতের আহ্বান ট্রাম্পের হাতে আর্টেমিস-২ মহাকাশচারীদের কংগ্রেশনাল স্পেস মেডেল অব অনার শহীদ ও ভুক্তভোগীদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী কিয়েভের একটি গুদামে রুশ ড্রোন হামলায় নিহত ২৭ নতুন আঞ্চলিক সমঝোতার পথ দেখাল ইরান শচীন-পন্টিংকে ছাড়িয়ে জো রুটের বিশ্বরেকর্ড প্রতারণার অভিযোগ ‘অযৌক্তিক’, দাবি সেলেনা গোমেজের জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আইরিন খান ট্রাম্পের 'নজিরবিহীন ঘোষণা'য় ভেনেজুয়েলার তেলক্ষেত্র যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে
Logo
logo

স্ত্রী-শ্যালিকসহ সাবেক এমপি পাপুলের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট


খবর   প্রকাশিত:  ১০ মার্চ, ২০২৫, ০৮:৩৮ এএম

স্ত্রী-শ্যালিকসহ সাবেক এমপি পাপুলের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট

প্রায় ১১ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ ও ৩১৮ কোটি টাকার সন্দেহভাজন লেনদেনের অভিযোগ এনে লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য কাজী শহিদ ইসলাম পাপুল এবং তার স্ত্রী সাবেক এমপি সেলিনা ইসলাম, শ্যালিকা জেসমিন প্রধান এবং মেয়ে ওয়াফা ইসলামের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

 

বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে ওই চার্জশিট অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে সংস্থাটির মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) আক্তার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। 

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০২০ সালের ১১ নভেম্বর কাজী শহিদ ইসলাম পাপুল এবং তার স্ত্রী সাবেক এমপি সেলিনা ইসলাম, শ্যালিকা জেসমিন প্রধান এবং মেয়ে ওয়াফা ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা করেছিল দুদক। ওই মামলা আসামিদের বিরুদ্ধে ২ কোটি ৩১ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ ও ১৪৮ কোটি টাকার মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ আনা হয়। মামলার বাদী ছিলেন উপ-পরিচালক মো. সালাহউদ্দিন। 

 

তবে তদন্তে অবৈধ সম্পদ ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে টাকার পরিমাণ বেড়েছে। তদন্তে আসামিদের বিরুদ্ধে ১০ কোটি ৯৭ লাখ ৮ হাজার ৩২ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়া ২০১২ সাল থেকে ২০২০ পর্যন্ত অস্বাভাবিক ও সন্দেহভাজন ৩১৮ কোটি ২৮ লাখ ৪৮ হাজার টাকা লেনদেনের প্রমাণ মিলেছে বলে জানা যায়। 

 

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করে তা ভোগ দখলে রাখার অপরাধ প্রমাণ হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে দুদক আইন ২০০৪ এর ২৭ (১) ধারা ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ২০১২ এর ৪ (২) ও ৪ (৩) ধারায় চার্জশিট অনুমোদন দেওয়া হয়েছে আসামিদের বিরুদ্ধে।