NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, জুন ১৫, ২০২৬ | ১ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন গুম ও খুনের শিকার ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা শান্তিচুক্তি ট্রাম্পের ‘আত্মসমর্পণের দলিল’? দুর্দান্ত কামব্যাকে নেদারল্যান্ডসকে রুখে দিল জাপান ভক্তদের ভিড়ে নাজেহাল রাশমিকা, আগলে রাখলেন কৃতি রক্তক্ষয়ী কঙ্গোতে শান্তির পতাকা উত্তোলনে সেনাবাহিনীর বীরত্ব মরক্কোর সঙ্গে ড্র, হতাশায় ‘হেক্সা অভিযান’ শুরু ব্রাজিলের বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে এক টুকরো বাংলাদেশ! গানে গানে সৈয়দ আব্দুল হাদীকে শ্রদ্ধা, দেওয়া হলো সংবর্ধনা কক্সবাজারে আজ যেসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নিজেকে ‘গুটিয়ে নেওয়ার’ ইঙ্গিত দিচ্ছেন ট্রাম্প?
Logo
logo

রাশিয়ার ‘প্রধান হুমকি’ যুক্তরাষ্ট্র


খবর   প্রকাশিত:  ২৪ জানুয়ারী, ২০২৫, ০৩:০৮ এএম

রাশিয়ার ‘প্রধান হুমকি’ যুক্তরাষ্ট্র

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন তার নৌবাহিনীর জন্য এমন একটি ডকট্রিনে স্বাক্ষর করেছেন যেখানে যুক্তরাষ্ট্রকে সরাসরি রাশিয়ার ‘প্রধান হুমকি’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া ওই ডকট্রিনে আর্কটিক এবং কৃষ্ণ সাগরের মতো গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্র অঞ্চলে রাশিয়ার বৈশ্বিক সামুদ্রিক উচ্চাকাঙ্ক্ষাও নির্ধারণ করা হয়েছে।

সাবেক সোভিয়েত সাম্রাজ্যের রাজধানীতে সেন্ট পিটার্সবার্গে রোববার রাশিয়ার নৌবাহিনী দিবসে বক্তৃতা দিতে গিয়ে পুতিন আগামী কয়েকমাসের মধ্যে রুশ নৌবাহিনীতে জিরকন ক্রুজ মিসাইল যুক্ত হবে বলে ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি রাশিয়াকে একটি ‘বিশাল সমুদ্র শক্তিতে’ পরিণত করার জন্য জার পিটার দ্য গ্রেটের প্রশংসা করেন।

পুতিনের স্বাক্ষরিত ডকট্রেইনে মহাসাগরগুলোর ওপর আধিপত্য প্রতিষ্ঠা ও ন্যাটোকে সম্প্রসারণের মার্কিন প্রচেষ্টাকে রাশিয়ার জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

৫৫ পৃষ্ঠার ওই দলিলে বলা হয়েছে, বিশ্বের মহাসাগরগুলোর ওপর আধিপত্য বিস্তারের জন্য ওয়াশিংটন যে কৌশলগত লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে এবং রাশিয়া অভিমুখে ন্যাটোর সামরিক অবকাঠামো বিস্তারের যে চেষ্টা করা হচ্ছে তা এখন মস্কোর সামনে ‘প্রধান চ্যালেঞ্জ ও হুমকি’।

দলিলে আরো বলা হয়েছে, রাশিয়ার স্বাধীন অভ্যন্তরীণ ও পররাষ্ট্রনীতি যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের বিদ্বেষী নীতির কবলে পড়েছে। মহাসাগরগুলোসহ গোটা বিশ্বের ওপর পশ্চিমা দেশগুলো আধিপত্য বিস্তার করতে চায়।

মার্কিন নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটোর পূর্ব অভিমুখী বিস্তারের তীব্র সমালোচনা করছে রাশিয়া ও চীনসহ আরো কিছু দেশ। তাদের বক্তব্য, তিন দশকেরও বেশি সময় আগে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর ন্যাটো জোট ভেঙে দেয়া উচিত ছিল।