NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, জুন ২৩, ২০২৬ | ৯ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
যৌথ প্রতিরক্ষা সহযোগিতা কমিটি গঠনে সম্মত বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া ইরানের তেল রপ্তানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ব্রিটিশ রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ, কে হচ্ছেন স্টারমারের উত্তরসূরি? হালান্ডের জোড়া গোলে ২৮ বছর পর বিশ্বকাপের নকআউটে নরওয়ে জনপ্রিয়তার শীর্ষে যে ৬ পাকিস্তানি নাটক মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক চলছে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হলেও রয়েছে বড় চ্যালেঞ্জ সুইজারল্যান্ডে নতুন দফা আলোচনা, ইরানকে আবারও হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের কাতারে গ্যাস কারখানায় বিস্ফোরণে আহত ৫৪, নিখোঁজ ১৮ আবার কেপ ভার্দের চমক, এবার উরুগুয়ের জালে ২ গোল
Logo
logo

যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশিদের শিক্ষাবৃত্তির সংখ্যা বাড়ানোর অনুরোধ


খবর   প্রকাশিত:  ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৪, ০৬:৫১ এএম

যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশিদের শিক্ষাবৃত্তির সংখ্যা বাড়ানোর অনুরোধ

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য যুক্তরাজ্য সরকারের শিক্ষাবৃত্তির সংখ্যা বৃদ্ধি এবং যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির অপেক্ষায় থাকা শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসা ইস্যু বেগবান করার অনুরোধ ক‌রে‌ছেন পররাষ্ট্র স‌চিব মো. জসীম উ‌দ্দিন।

বুধবার (৬ নভেম্বর) ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক পররাষ্ট্র সচিবের সাক্ষাতে আসেন। এ সময় এ অনু‌রোধ ক‌রেন পররাষ্ট্র স‌চিব।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, পররাষ্ট্র স‌চি‌বের অনু‌রো‌ধের জবাবে ব্রিটিশ হাইকমিশনার বিষয়টি বিবেচনার আশ্বাস দেন।

একইস‌ঙ্গে হাইকমিশনার বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে যুক্তরাজ্যের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

 

বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে অংশীদারিত্ব ও পারস্পরিক স্বার্থ, বিশেষ করে ব্যবসা ও বাণিজ্য, পাচার হওয়া সম্পদ ফিরিয়ে আনা, সমুদ্র নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, অভিবাসন ও শ্রমের গতিশীলতা এবং রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়।

পররাষ্ট্র সচিব বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে একটি মসৃণ গণতান্ত্রিক রূপান্তরে অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার উদ্যোগের প্রতি ব্রিটিশ সরকারের সমর্থনের কথা স্বীকার করেন।

তি‌নি যুক্তরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশ জনগোষ্ঠী, কমনওয়েলথ ঐতিহ্য ও অভিন্ন মূল্যবোধের দৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত দুই দেশের মধ্যকার চমৎকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

 

ব্রিটিশ হাইকমিশনার বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক এবং রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে গণতান্ত্রিক রূপান্তর ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে যুক্তরাজ্যের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

তিনি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন এবং বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকারের প্রতি ইউকে'র অব্যাহত সমর্থনের আশ্বাস দেন।