NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, জুন ২৪, ২০২৬ | ৯ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
যৌথ প্রতিরক্ষা সহযোগিতা কমিটি গঠনে সম্মত বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া ইরানের তেল রপ্তানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ব্রিটিশ রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ, কে হচ্ছেন স্টারমারের উত্তরসূরি? হালান্ডের জোড়া গোলে ২৮ বছর পর বিশ্বকাপের নকআউটে নরওয়ে জনপ্রিয়তার শীর্ষে যে ৬ পাকিস্তানি নাটক মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক চলছে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হলেও রয়েছে বড় চ্যালেঞ্জ সুইজারল্যান্ডে নতুন দফা আলোচনা, ইরানকে আবারও হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের কাতারে গ্যাস কারখানায় বিস্ফোরণে আহত ৫৪, নিখোঁজ ১৮ আবার কেপ ভার্দের চমক, এবার উরুগুয়ের জালে ২ গোল
Logo
logo

আজারবাইজান-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী


খবর   প্রকাশিত:  ২২ নভেম্বর, ২০২৪, ০৮:১৪ এএম

আজারবাইজান-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী

বাংলাদেশে নিযুক্ত আজারবাইজানের অনাবাসিক রাষ্ট্রদূত এলচিন হুসেইনলি প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।

মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন এ সাক্ষাৎ করেন তারা। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা আরও গভীর করার উপায় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

 

আলোচনায় প্রধানত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে আসে, যার মধ্যে রয়েছে আগামীতে বাকুতে অনুষ্ঠিতব্য কপ-২৯ সম্মেলন, জ্বালানি সহযোগিতা, বাণিজ্য এবং ব্যবসায়িক অংশীদারত্ব। এছাড়াও আজারবাইজান ও বাংলাদেশের মধ্যে একটি বিমান সেবা চুক্তির প্রস্তাব নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

অধ্যাপক ইউনূস আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে অনুষ্ঠিতব্য আসন্ন কপ-২৯ সম্মেলনে যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

 

এ সম্মেলনে প্রায় ৩২ হাজারের বেশি প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করবেন এবং মূলত জলবায়ু অর্থায়ন নিয়ে আলোচনা হবে, যা উভয় দেশের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ।

রাষ্ট্রদূত হুসেইনলি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদার করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে বলেন, আজারবাইজান নতুন সুযোগ খুঁজছে এবং বাংলাদেশের সঙ্গে আরও ব্যবসায়িক সম্পর্ক স্থাপনের উপায় অনুসন্ধান করছে।

তিনি উল্লেখ করেন, জুন মাসে বাকুতে দুই দেশের মধ্যে একটি পররাষ্ট্র দপ্তর পরামর্শ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যেখানে আজারবাইজান বিমান সেবা চুক্তি স্বাক্ষরের আগ্রহ প্রকাশ করে।

 

অধ্যাপক ইউনূস আজারবাইজানকে ভালো বন্ধু হিসেবে উল্লেখ করেন এবং দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও ব্যবসায়িক সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান। তিনি আজারবাইজানের জনগণ, নেতৃত্ব এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন।