NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬ | ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
বাংলাদেশ-জাপান চারটি সমঝোতা স্মারক ও দুটি অনুদান চুক্তি সই উন্নত দেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী স্পেনে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে বেড়েই চলছে প্রাণহানি নির্বাচনে আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে নেতানিয়াহুর ‘কারচুপির’ অভিযোগ অর্থ আত্মসাতের মামলায় গায়ক ইন্দ্রনীল সেন গ্রেপ্তার ‘ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাব’, তারেক রহমানকে নিয়ে এক্স পোস্টে যা বললেন তাকাইচি নির্বাচনি প্রচারে ট্রাম্পের নতুন কৌশল ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়ার ওপর ভারতকে চাপ দিতে বলল পোল্যান্ড ইসরায়েলের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী কে, চলছে নানা জল্পনা ‘কিং’-এর পোস্টারে প্রেমিক রূপে শাহরুখ
Logo
logo

আনিসুল হক ও সহযোগী তৌফিকার সম্পদের খোঁজে দুদক


খবর   প্রকাশিত:  ০৮ অক্টোবর, ২০২৪, ১২:৩৭ এএম

আনিসুল হক ও সহযোগী তৌফিকার সম্পদের খোঁজে দুদক

সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও তার সহযোগী অ্যাডভোকেট তৌফিকা করিমের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও বিভিন্ন দুর্নীতির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধান করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ সোমবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে অনুসন্ধানের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে শিগগিরই অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হবে। দুদক সূত্র কালের কণ্ঠকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।

 

অভিযোগে বলা হয়, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক মন্ত্রী থাকাকালে ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতি করে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন। নিজ নামে কসবা, ত্রিশাল এবং পূর্বাচলে ৬.৮০ একর জমি ক্রয় করেছেন। সিটিজেন ব্যাংক, এক্সিম বাংলাদেশে ৪০ কোটি ১০ লাখ টাকার শেয়ার রয়েছে। সঞ্চয়পত্র, বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা এবং অন্যান্য বিনিয়োগ রয়েছে ২৩ কোটি ২৬ লাখ ৭৯ হাজার ৮৮৪ টাকার।

৪টি গাড়ি ও ১টি মোটরসাইকেলও রয়েছে।

 

এ ছাড়া অ্যাডভোকেট তৌফিকা করিমের নামে-বেনামে দেশে-বিদেশে অঢেল সম্পদ রয়েছে। তৌফিকা করিম সিটিজেন চার্টার ব্যাংকের চেয়ারম্যান ছিলেন। এ সুবাদে তার মাধ্যমে আনিসুল হক কানাডাসহ বিভিন্ন দেশে কোটি কোটি টাকা পাচার করেছেন।

তিনি নিম্ন আদালতের অধিকাংশ কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে জনপ্রতি ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা ঘুষ নিতেন। দুদকের গোপনীয় অনুসন্ধানে আইনমন্ত্রীর প্রায় সব দুর্নীতির সঙ্গে তৌফিকা করিমের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। তারা নিজ নামের পাশাপাশি তাদের আত্মীয়-স্বজনদের নামেও সম্পদ গড়েছেন। এ ছাড়া দুজনেই বিদেশে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার করেছেন।