NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, সেপ্টেম্বর ২, ২০২৬ | ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
বাংলাদেশে প্রায় ৬ লাখ চাকরি ঝুঁকিতে: বিশ্বব্যাংক আমাদের সামনে এখনো কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী মক্কা প্যাক্টে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি মানবে সরকার ইরানে ফের যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিনদের সতর্কবার্তা নিউইয়র্কে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় নারী ব্যাংক কর্মকর্তা নিহত শাটডাউন ঠেকাতে বড় সিদ্ধান্ত, ৩৭০–৪৮ ভোটে বাজেট বিল পাস মার্কিন হাউসে ‘১৯৪৫-এর বিশ্বব্যবস্থা দিয়ে ২০২৬ চলবে না’: জাতিসংঘ সংস্কারের ডাক গুতেরেসের সাত মাসে শিশু নিখোঁজের ঘটনায় ১৫ হাজার ৭১৭ জিডি শহীদ জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে তারেক রহমানের শ্রদ্ধা এসসিও সম্মেলনে শি-মোদি-পুতিন, আলোচনায় যেসব বিষয়
Logo
logo

ইসরায়েলি হামলায় স্ত্রী-সন্তানসহ হামাসের কমান্ডার নিহত


খবর   প্রকাশিত:  ০৬ অক্টোবর, ২০২৪, ১২:৩৫ এএম

ইসরায়েলি হামলায় স্ত্রী-সন্তানসহ হামাসের কমান্ডার নিহত

ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস জানিয়েছে, ইসরায়েলি হামলায় শনিবার লেবাননের উত্তরাঞ্চলের একটি শরণার্থী শিবিরে তাদের এক কমান্ডার নিহত হয়েছেন। গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এই প্রথম ওই এলাকায় হামলা হলো।

হামাস বলেছে, ‘কমান্ডার’ সাঈদ আতাল্লাহ আলী, তার স্ত্রী ও দুই মেয়ে ইসরায়েলি বোমা হামলায় নিহত হয়েছে। বেদ্দাওই শিবিরে তার বাড়িতে হামলা চালানো হয়েছিল, যা ত্রিপোলির নিকটে অবস্থিত।

 

গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরায়েল লেবাননে হামাসের সদস্যদের লক্ষ্য করে বারবার হামলা চালিয়েছে। হামাস জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত লেবাননে তাদের অন্তত ১৮ জন যোদ্ধা নিহত হয়েছেন।

 

এর আগে সোমবার এক বিমান হামলায় ফাতাহ শারিফ আবু আল-আমিন নামের লেবাননভিত্তিক এক হামাস নেতাকে দক্ষিণ লেবাননের আল-বাস শিবিরে তার বাড়িতে হত্যা করা হয়েছে বলে জানানো হয়। এ ছাড়া আগস্ট মাসে দক্ষিণ লেবাননের সাইদন শহরে ইসরায়েলি হামলায় হামাসের কমান্ডার সামের আল-হাজ নিহত হন।

 

তার আগে এ বছরের জানুয়ারিতে এক মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন, ইসরায়েলের চালানো হামলায় হিজবুল্লাহর দক্ষিণ বৈরুত ঘাঁটিতে হামাসের ডেপুটি নেতা সালেহ আল-আরৌরি ও আরো ছয়জন যোদ্ধা নিহত হয়েছেন।

১৯৪৮ সালের যুদ্ধে ইসরায়েলের সৃষ্টির সময় যারা দেশছাড়া হয়েছিল বা পালিয়ে গিয়েছিল তাদের জন্য লেবাননে ১২টি ফিলিস্তিনি শরণার্থী শিবির তৈরি হয়েছিল। দীর্ঘদিনের একটি চুক্তির কারণে লেবাননের সেনাবাহিনী এই শিবিরগুলোতে প্রবেশ করে না এবং ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীগুলোকেই নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করতে দেয়।