NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, মার্চ ৭, ২০২৬ | ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২
ব্রেকিং নিউজ
রবিবার থেকে রেশনিং পদ্ধতিতে জ্বালানি তেল বিক্রি যুদ্ধের মধ্যে প্রথম জুমায় খামেনির জন্য ইরানিদের শোক মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে তারেক রহমান ও আমিরাতের প্রেসিডেন্টের ফোনালাপ আকাশসীমা আংশিক চালু, সীমিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে এমিরেটস ইরানে হামলা না করার সিদ্ধান্তে অটল ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী, ক্ষুব্ধ ট্রাম্প মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি মন্ত্রীকে সরিয়ে দিলেন ট্রাম্প এবার তিশার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিলেন সামিয়া অথৈ যুক্তরাষ্ট্রকে কূটনৈতিকভাবে ইরান সংকট সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশের খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা স্থগিত করল ইরান আর্জেন্টিনা-স্পেন ‘ফিনালিসিমা’ স্থানান্তর হতে পারে ইউরোপে
Logo
logo

ক্ষমতাচ্যুত হলেন থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিন


খবর   প্রকাশিত:  ১৫ আগস্ট, ২০২৪, ০৩:৪৯ এএম

ক্ষমতাচ্যুত হলেন থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিন

ক্ষমতাচ্যুত হয়েছেন থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিন। তাকে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি সংবিধান ভঙ্গ করেছেন বলে দেশটির একটি আদালত রায় দিয়েছেন। ফলে তিনি আর প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকতে পারবেন না।

 

 

গত সপ্তাহে দেশটির জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল প্রগ্রেসিভ মুভ ফরোয়ার্ড পার্টিকে নিষিদ্ধ করে দেন একই আদালত। দলটির নেতাদের রাজনীতি থেকে ১০ বছর নিষিদ্ধও করা হয়। দলটি গত বছরের সংসদ নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি আসনে জয় পেয়েছিল। আদালতের এমন রায়ের কারণে আরো রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মুখে পড়ল থাইল্যান্ড।

 

ব্যাঙ্ককের সাংবিধানিক আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিন একজন জেলখাটা আইনজীবীকে সরকারের দায়িত্বে নিয়োগ করে নৈতিকতা ভঙ্গ করেছেন। আদালতের ৯ বিচারকের মধ্যে পাঁচজন প্রধানমন্ত্রী স্রেথাকে সরিয়ে দেওয়ার পক্ষে রায় দিয়েছেন। তিনি জেনেশুনে একজন নীতি-নৈতিকতাহীন ব্যক্তিকে নিয়োগ দিয়েছিলেন বলে তারা জানান। 

পিচিট চুয়েনবান নামের যে আইনজীবীকে সরকারে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার কাছের লোক ছিলেন।

 পিচিট চুয়েনবান ২০০৮ সালে জমিসংক্রান্ত একটি মামলায় সুপ্রিম কোর্টের কর্মকর্তাদের ঘুষ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। এরপর তাকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। জমিসংক্রান্ত মামলাটিতে থাকসিন সিনাওয়াত্রাও জড়িত ছিলেন।

 

এখন ক্ষমতাসীন ফিউ থাইয়ের নেতৃত্বাধীন জোট ফের প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য নতুন প্রার্থী দেবে। যিনি সংসদের ৫০০ সদস্যদের মাধ্যমে নির্বাচিত হবেন।

 গত বছরের আগস্টে প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন স্রেথা। এর মাধ্যমে থাইল্যান্ডে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার অবসান হয়েছিল। কিন্তু তার ফিউ থাই পার্টিকে সেনাবাহিনীর মনোনীত প্রার্থীদের সঙ্গে জোট করে সরকার গঠন করতে হয়েছিল।