NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬ | ২০ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ইন্দো-প্যাসিফিকে সহযোগিতা জোরদারে দিল্লিতে কোয়াড শেরপাদের বৈঠক কিউবার বিরুদ্ধে ফের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, টার্গেটে কাস্ত্রো পরিবারের সদস্য ও ব্যাংক-জ্বালানি খাত মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার মধ্যে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে সিরিয়ার রাসায়নিক অস্ত্র নিয়ে বৈঠক ডিসেম্বর পর্যন্ত মার্কিন সরকার সচল রাখতে অর্থ বিল সই করলেন ট্রাম্প ইরানকে ট্রাম্পের নতুন হুঁশিয়ারি: ফের হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে দেওয়া সামরিক সহায়তার অর্থ ইউরোপকে ফেরত দিতে হবে: ট্রাম্প ন্যায়বিচার নিশ্চিত হলেই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তোলা সম্ভব : আইরিন খান আমি রাজপরিবারের হলে মেগান আর প্রিন্স হ্যারিকে ফিরিয়ে নিতাম না : ট্রাম্প শান্তিচুক্তির অগ্রগতি হলে পুতিনের সঙ্গে আবার বৈঠকে বসতে চান ট্রাম্প বিশেষ সম্মানে মেসির ক্যারিয়ার উদযাপন করবে আর্জেন্টিনা
Logo
logo

ইমরান খানকে গ্রেপ্তার আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন : জাতিসংঘ


খবর   প্রকাশিত:  ০৩ জুলাই, ২০২৪, ০৭:২৮ পিএম

ইমরান খানকে গ্রেপ্তার আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন : জাতিসংঘ

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে বিধিবহির্ভূতভাবে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের একটি মানবাধিকার সংস্থার ওয়ার্কিং গ্রুপ অন আরবিট্রারি ডিটেনশন। তার গ্রেপ্তারকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলেও আখ্যায়িত করেছে তারা। 

জেনেভা-ভিত্তিক ইউএন ওয়ার্কিং গ্রুপ অন অরবিট্রারি ডিটেনশন গত সোমবার (১ জুলাই) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাকে অবিলম্বে মুক্তি দিয়ে আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ ও অন্যান্য ক্ষতিপূরণের প্রয়োগযোগ্য অধিকার দেওয়া যথাযথ প্রতিকার হতে পারে। 

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ইমরান খানকে আটকের কোনো আইনগত ভিত্তি ছিল না।

তাকে রাজনৈতিক কারণে প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছিল। সুতরাং শুরু থেকেই এই বিচারটি আইনের ভিত্তিতে ছিল না এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এটি ব্যবহার করা হয়েছিল। ওয়ার্কিং গ্রুপ গত ২৫ মার্চ তাদের এই মতামত দিলেও তা প্রকাশ করা হয় সোমবার।  

 

সংস্থাটির মতে, ইমরান খান এবং তার দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) বিরুদ্ধে বড় ধরনের দমন অভিযান চালানো হয়েছে।

এতে আরো বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনের আগে পিটিআই নেতাদের গ্রেপ্তার, নির্যাতন এবং তাদের সমাবেশে বাধা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া নির্বাচনে ‘ব্যাপক জালিয়াতি’ এবং ‘সংসদীয় আসন চুরি’ করার অভিযোগও আনা হয়েছে। 

 

এ বিষয়ে পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন গত ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ অস্বীকার করেছে।