NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬ | ১৫ কার্তিক ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
বাংলাদেশ-জাপান চারটি সমঝোতা স্মারক ও দুটি অনুদান চুক্তি সই উন্নত দেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী স্পেনে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে বেড়েই চলছে প্রাণহানি নির্বাচনে আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে নেতানিয়াহুর ‘কারচুপির’ অভিযোগ অর্থ আত্মসাতের মামলায় গায়ক ইন্দ্রনীল সেন গ্রেপ্তার ‘ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাব’, তারেক রহমানকে নিয়ে এক্স পোস্টে যা বললেন তাকাইচি নির্বাচনি প্রচারে ট্রাম্পের নতুন কৌশল ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়ার ওপর ভারতকে চাপ দিতে বলল পোল্যান্ড ইসরায়েলের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী কে, চলছে নানা জল্পনা ‘কিং’-এর পোস্টারে প্রেমিক রূপে শাহরুখ
Logo
logo

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিসহ ১৭০০ অভিবাসী আটক


খবর   প্রকাশিত:  ২৪ জুন, ২০২৪, ০৪:১১ পিএম

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিসহ ১৭০০ অভিবাসী আটক

বাংলাদেশিসহ ১৭০০ অভিবাসী কর্মীদের আটক করেছে সেলেঙ্গর মালয়েশিয়ান ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্ট জেআইএম। এই সমন্বিত অভিযানটি পরিচালনা হয় জালান সুলতান আব্দুস সামাদ ৩৮ বন্দর সুলতান সুলায়মান আবাসিক এলাকায়। এ অভিযানে মোট কতজন বাংলাদেশি আটক হয়েছে তা জানায়নি দেশটির ইমিগ্রেশন। 

অভিযানটির পরিচালক খাইরুল আমিনুস কামরুদ্দিন বলেন, এই আবাসিক এলাকায় তিন মাস ধরে আমাদের গোয়েন্দা বাহিনী এটি পরিচালনা করছে।

অভিযানের আটককৃতদের মাঝে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, মিয়ানমার, ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক রয়েছেন। 

 

তিনি আরো বলেন, আমরা সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এই আবাসিক এলাকার বিদেশি নাগরিকদের ব্যাপারে বিভন্ন অভিযোগ পাই। অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা এই অভিযান পরিচালনা করি। আমরা প্রাথমিক অভিযানে তাদের মধ্যে অনেকের নিকট প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস, ভিসা না থাকা, অতিরিক্ত অবস্থানের মতো অপরাধী পেয়েছি।

 

 

খায়রুল আমিনুস বলেন, জিআইএম, সেন্ট্রাল ব্রিগেড জেনারেল অপারেশন ফোর্স (জিওএফ), সেলাঙ্গর ন্যাশনাল রেজিস্ট্রেশন ডিপার্টমেন্ট (জেপিএন), রয়্যাল ক্ল্যাং সিটি কাউন্সিল (এমবিডিকে) এবং কেডিএনের ২৯৮ জন এই সমন্বিত অভিযানে অংশ নেন। 

তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, যেসব বিদেশী নাগরিকদের বৈধতার জন্য ডকুমেন্টেশন প্রক্রিয়া এখনও চলমান রয়েছে তাদেরও আটক করা হয়েছে। আর অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩ ধারার পাশাপাশি অন্যান্য অপরাধের সাথে জড়িত আছে তাদের সংখ্যা আমরা এখন দিতে সক্ষম নই।

মালয়েশিয়ার সরকারী গণমাধ্যম বারনামা জানায়, বিকাল ৫টার দিকে অভিযানের সময় বেশিরভাগ বিদেশি নাগরিক উক্ত আবাসন এলাকায় ফুটবল খেলছিলেন ও রাতের বাজারের জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনাকাটায করছিলেন।

আবার কেউ কেউ সাপ্তাহিক ছুটি কাটাচ্ছিলেন। এসময় ইমিগ্রেশনের উপস্থিতি টের পেয়ে তাদের মধ্যে কেউ কেউ গাড়ির নীচে লুকিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। গ্রেপ্তার এড়াতে তাদের বাচ্চাদের রুমে একা রেখে আসার অজুহাত দিলেও শেষ রক্ষা হয়নি তাদের।