NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, মার্চ ৭, ২০২৬ | ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২
ব্রেকিং নিউজ
রবিবার থেকে রেশনিং পদ্ধতিতে জ্বালানি তেল বিক্রি যুদ্ধের মধ্যে প্রথম জুমায় খামেনির জন্য ইরানিদের শোক মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে তারেক রহমান ও আমিরাতের প্রেসিডেন্টের ফোনালাপ আকাশসীমা আংশিক চালু, সীমিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে এমিরেটস ইরানে হামলা না করার সিদ্ধান্তে অটল ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী, ক্ষুব্ধ ট্রাম্প মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি মন্ত্রীকে সরিয়ে দিলেন ট্রাম্প এবার তিশার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিলেন সামিয়া অথৈ যুক্তরাষ্ট্রকে কূটনৈতিকভাবে ইরান সংকট সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশের খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা স্থগিত করল ইরান আর্জেন্টিনা-স্পেন ‘ফিনালিসিমা’ স্থানান্তর হতে পারে ইউরোপে
Logo
logo

রাশিয়ার ৪টি তেল শোধনাগারে ইউক্রনের হামলা


খবর   প্রকাশিত:  ২২ জুন, ২০২৪, ০৩:১০ পিএম

রাশিয়ার ৪টি তেল শোধনাগারে ইউক্রনের হামলা

রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের চারটি তেল শোধনাগার ও সামরিক স্থাপনায় ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। কিয়েভের কর্মকর্তারা শুক্রবার (২১ জুন) এ তথ্য জানিয়েছে। একই সঙ্গে ১১৪টি ড্রোন ধ্বংসের দাবি এবং একজন নিহত হওয়ার কথা জানিয়েছে রাশিয়া।

ইউক্রেনের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, আফিপস্কি, ইলস্কি, ক্রাসনোদার ও আস্ট্রাখান তেল শোধনাগার এবং একটি রেডিও ও গোয়েন্দা স্থাপনায় ড্রোন হামলা চালিয়েছে তারা।

এ ছাড়া ক্রাসনোদারে একটি ড্রোন প্রস্তুত ও সংরক্ষণাগার লক্ষ্য করেও হামলা চালানো হয়েছে। এতে সেখানে বিস্ফোরণের পর আগুন ধরে যায়।

 

অন্যদিকে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ক্রিমিয়া ও কৃষ্ণ সাগরের ওপরে ৭০টি ড্রোন ধ্বংস করেছে তারা। সেই সঙ্গে ক্রাসনোদারে ৪৩টি এবং ভলগোগ্রাদে একটি ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে।

 

এ ছাড়া স্থানীয় গভর্নর ভেনিয়ামিন কনড্রাতিয়েভ টেলিগ্রামে জানান, ক্রাসনোদরে ইউঝনি ট্রেন স্টেশনের কাছে ড্রোন হামলায় একজন নিহত হয়েছে। পাশাপাশি সেভারস্কি জেলায় একটি তেল শোধনাগারে বেশ কয়েকটি প্রশাসনিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

কয়েক মাস ধরে রুশ তেল শোধনাগারে বেশ কয়েকটি আক্রমণ চালিয়েছে ইউক্রেন। এসব জায়গা থেকে রুশ সামরিক বাহিনীকে জ্বালানি সরবরাহ করা হয় বলে ইউক্রেন এগুলোকে তাদের ন্যায্য লক্ষ্যবস্তু বলে যুক্তি দেয়।

রাশিয়াও ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতাকে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। ফলে দেশটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করতে বাধ্য হয়েছে।