NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬ | ২০ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ইন্দো-প্যাসিফিকে সহযোগিতা জোরদারে দিল্লিতে কোয়াড শেরপাদের বৈঠক কিউবার বিরুদ্ধে ফের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, টার্গেটে কাস্ত্রো পরিবারের সদস্য ও ব্যাংক-জ্বালানি খাত মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার মধ্যে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে সিরিয়ার রাসায়নিক অস্ত্র নিয়ে বৈঠক ডিসেম্বর পর্যন্ত মার্কিন সরকার সচল রাখতে অর্থ বিল সই করলেন ট্রাম্প ইরানকে ট্রাম্পের নতুন হুঁশিয়ারি: ফের হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে দেওয়া সামরিক সহায়তার অর্থ ইউরোপকে ফেরত দিতে হবে: ট্রাম্প ন্যায়বিচার নিশ্চিত হলেই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তোলা সম্ভব : আইরিন খান আমি রাজপরিবারের হলে মেগান আর প্রিন্স হ্যারিকে ফিরিয়ে নিতাম না : ট্রাম্প শান্তিচুক্তির অগ্রগতি হলে পুতিনের সঙ্গে আবার বৈঠকে বসতে চান ট্রাম্প বিশেষ সম্মানে মেসির ক্যারিয়ার উদযাপন করবে আর্জেন্টিনা
Logo
logo

পুতিন আর কিম যে কারণে বন্ধু হতে আগ্রহী


খবর   প্রকাশিত:  ১৮ জুন, ২০২৪, ০৩:৩১ পিএম

পুতিন আর কিম যে কারণে বন্ধু হতে আগ্রহী

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এই সপ্তাহেই উত্তর কোরিয়া সফর করতে পারেন বলে তুমুল জল্পনা ছিল। অবশেষে সোমবার ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে, পুতিন মঙ্গলবারেই উত্তর কোরিয়া সফরে যাচ্ছেন।

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইওন সুক ইওলের কাজাখস্তানে রাষ্ট্রীয় সফর ঘিরে গত বুধবার প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ে এক কর্মকর্তা সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। সেখানেই কথাপ্রসঙ্গে প্রেসিডেন্ট পুতিনের উত্তর কোরিয়া সফরের বিষয়টি জানান তিনি।

 

 

যদি পুতিন উত্তর কোরিয়া সফর করেন তাহলে সেটা হবে দীর্ঘ ২৪ বছর পর তার প্রথম সফর। সবশেষ ২০০০ সালে  উত্তর কোরিয়া গিয়েছিলেন তিনি। তখন কিম জং উনের বাবা কিম জং ইল ক্ষমতায় ছিলেন। উত্তর কোরিয়া সফরের জন্য কিমের আমন্ত্রণটি গত বছরের সেপ্টেম্বরে গ্রহণ করেন পুতিন।

ওই সময় দুই নেতা রাশিয়ার পূর্ব সীমান্তে ভস্তোচনি কসমোড্রোমে বৈঠক করেছিলেন।

 

রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার দুই নেতার গত বছরের ওই বৈঠকটা দেখা হয় দুই দেশের সম্পর্কের ভিত্তি স্থাপনের প্রক্রিয়া হিসেবে। আর এবারের সফরকে বিশ্লেষকরা বলছেন, দুই দেশের বন্ধন আরো দৃঢ় হয়েছে সেটা বোঝানোর উপলক্ষ।

মনে করা হচ্ছে, এই সফরে প্রধান আগ্রহ থাকবে দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে কিভাবে সামরিক সহযোগিতা বাড়ানো যায় সেই দিকে।

 

একই সঙ্গে অন্যান্য ক্ষেত্র যেমন অর্থনীতি, সংস্কৃতি, কৃষি, পর্যটন ও সামাজিক নানা বিষয়েও পারস্পরিক আদানপ্রদান বাড়ানো যায় সেদিকেও নজর থাকবে।