NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬ | ২০ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপের বৈঠক মার্কিন হামলায় ৩ ইরানি সামরিক পাইলট নিহত: আইআরজিসি সুড়ঙ্গের ভেতর থেকে ভেসে আসছে আরো মানুষের কণ্ঠস্বর রেকর্ড ৯৯৫ কোটি টাকায় আল হিলালে ব্রাজিলের মার্তিনেল্লি টিজারের সমালোচনা কাটিয়ে ‘হ্যারি পটার’ ট্রেলারে মুগ্ধ ভক্তরা ইন্দো-প্যাসিফিকে সহযোগিতা জোরদারে দিল্লিতে কোয়াড শেরপাদের বৈঠক কিউবার বিরুদ্ধে ফের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, টার্গেটে কাস্ত্রো পরিবারের সদস্য ও ব্যাংক-জ্বালানি খাত মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার মধ্যে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে সিরিয়ার রাসায়নিক অস্ত্র নিয়ে বৈঠক ডিসেম্বর পর্যন্ত মার্কিন সরকার সচল রাখতে অর্থ বিল সই করলেন ট্রাম্প ইরানকে ট্রাম্পের নতুন হুঁশিয়ারি: ফের হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র
Logo
logo

পারমাণবিক বোমার ব্যবহার নিয়ে যা বললেন পুতিন


খবর   প্রকাশিত:  ০৯ জুন, ২০২৪, ০৭:৫০ পিএম

পারমাণবিক বোমার ব্যবহার নিয়ে যা বললেন পুতিন

রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পরই আলোচনায় আসে পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার নিয়ে। পুতিন এই যুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করবেন কি না তা নিয়ে তৈরি হয় ধোঁয়াশা। এবার সে বিষয়ে স্পষ্ট বক্তব্য দিলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

শুক্রবার (৭ জুন) পুতিন বলেন, ইউক্রেনে জয়ের জন্য রাশিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করার দরকার নেই।

 

পুতিনের এমন বার্তার পর বোঝা যাচ্ছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপে চলা বড় যুদ্ধটি পারমাণবিক যুদ্ধে রূপ নেবে না।

 

তবে এর আগে বেশ কয়েকবার নিজেদের প্রতিরক্ষার জন্য পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন পুতিন।

সেন্ট পিটার্সবার্গের ইকোনমিক ফোরামে রাশিয়ার এক প্রভাবশালী বিশ্লেষক প্রশ্ন করেন ইউক্রেন ইস্যুতে পারমাণবিক পিস্তল ধরা হবে কি না। জবাবে পুতিন বলেন, এ ধরনের অস্ত্র ব্যবহারের কোনো পরিস্থিতি দেখছি না।

রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার হতে পারে বিশেষ ক্ষেত্রে। যেমন সার্বভৌমত্ব ও দেশের অখণ্ডতার ওপর হুমকি তৈরি হলে। কিন্তু আমি মনে করি না এ ধরনের সময় এসেছে। পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের কোনো প্রয়োজন নেই।

 

মস্কো ক্রিমিয়া ছাড়াও ইউক্রেনের কাছ থেকে সম্প্রতি দখলে নেওয়া চারটি অঞ্চলকে এখন নিজেদের বলে মনে করে। ফলে কিয়েভ যদি এসব অঞ্চল পুনরায় ফেরত নেওয়ার চেষ্টা করে তাহলে পারমাণবিক হামলার ঝুঁকি তৈরি হবে।

 

সম্প্রতি রাশিয়ান টার্গেটে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা জোরদার করেছে ইউক্রেন। তাদের লক্ষ্য হলো রাশিয়ার কাছ থেকে অঞ্চলগুলো ফিরিয়ে আনা।