NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬ | ২০ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সিরিয়ায় আসাদ আমলের রাসায়নিক অস্ত্র ধ্বংস শুরু, ২০১৪ সালের পর প্রথম যাচাইয়ে স্বাগত জানাল জাতিসংঘ রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপের বৈঠক মার্কিন হামলায় ৩ ইরানি সামরিক পাইলট নিহত: আইআরজিসি সুড়ঙ্গের ভেতর থেকে ভেসে আসছে আরো মানুষের কণ্ঠস্বর রেকর্ড ৯৯৫ কোটি টাকায় আল হিলালে ব্রাজিলের মার্তিনেল্লি টিজারের সমালোচনা কাটিয়ে ‘হ্যারি পটার’ ট্রেলারে মুগ্ধ ভক্তরা ইন্দো-প্যাসিফিকে সহযোগিতা জোরদারে দিল্লিতে কোয়াড শেরপাদের বৈঠক কিউবার বিরুদ্ধে ফের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, টার্গেটে কাস্ত্রো পরিবারের সদস্য ও ব্যাংক-জ্বালানি খাত মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার মধ্যে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে সিরিয়ার রাসায়নিক অস্ত্র নিয়ে বৈঠক
Logo
logo

বিশ্বকাপের শুভেচ্ছাদূত নির্বাচিত হলেন শহিদ আফ্রিদি


খবর   প্রকাশিত:  ২৪ মে, ২০২৪, ০৯:২৩ পিএম

বিশ্বকাপের শুভেচ্ছাদূত নির্বাচিত হলেন শহিদ আফ্রিদি

ধাপে ধাপে আগামী ১ জুন থেকে শুরু হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য শুভেচ্ছাদূত ঘোষণা করছে আইসিসি। এর আগে শুভেচ্ছাদূত ঘোষণা করা হয়েছিল সেরা দৌড়বিদ উসাইন বোল্ট, ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক কিংবদন্তি ক্রিকেটার ক্রিস গেইল ও ভারতের বিশ্বকাপজয়ী তারকা যুবরাজ সিংকে।

এবার তিন কিংবদন্তি ক্রীড়াবিদদের তালিকায় যুক্ত হলেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক শহিদ আফ্রিদি। সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের বিশ্বকাপে ব্যাট-বল হাতে দারুণ কিছু প্রদর্শনী দেখানোয় তাকে এই সম্মান জানিয়েছে আইসিসি।

 

২০০৭ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম আসরে টুর্নামেন্টসেরা হয়েছিলেন আফ্রিদি। সে আসরের ফাইনালে ভারতের কাছে মাত্র ৫ রানে হেরে গিয়েছিল তার দল পাকিস্তান।

তবে পরের আসরে (২০০৯ সালে) ঠিকই শিরোপা জিতে নিয়েছে পাকিস্তান। ওই আসরের সেমিফাইনাল ও ফাইনালে ম্যাচসেরা হয়েছিলেন আফ্রিদি।

 

শুভেচ্ছাদূত নির্বাচিকত হওয়ার বিষয়ে আফ্রিদি বলেন, ‘আইসিসি পুরুষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এমন একটি ইভেন্ট যা আমার হৃদয়ের খুব কাছের। উদ্বোধনী সংস্করণে প্লেয়ার অব দ্য টুর্নামেন্ট হওয়া থেকে শুরু করে ২০০৯ সালে ট্রফি জয় পর্যন্ত এই মঞ্চে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আমার ক্যারিয়ারের কিছু পছন্দের বিষয় এসেছে।’

 

তিনি আরও বলেন, ‘সাম্প্রতিক বছরগুলোতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আরও শক্তিশালী হয়েছে। আমি এই সংস্করণের অংশ হতে পেরে রোমাঞ্চিত। যেখানে আগের চেয়ে আরও বেশি দল, আরও ম্যাচ এবং আরও বেশি আনন্দ দেখতে পাবো। আমি ৯ জুন ভারত বনাম পাকিস্তান ম্যাচের সাক্ষী হওয়ার জন্য বিশেষভাবে মুখিয়ে আছি। এটি খেলাধুলার অন্যতম সেরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং নিউইয়র্ক হবে দুটি দুর্দান্ত দলের মধ্যকার লড়াইয়ের জন্য উপযুক্ত মঞ্চ।’