NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, মার্চ ৮, ২০২৬ | ২৪ ফাল্গুন ১৪৩২
ব্রেকিং নিউজ
জাকাত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশে দারিদ্র্য বিমোচন সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী ‘ইরানি হামলার’ জেরে জরুরি বৈঠকে বসছে আরব লিগ ট্রাম্পের হুমকির পরপরই পাল্টা সতর্কবার্তা দিল ইরান ‘রোনালদোর চোট ধারণার চেয়েও গুরুতর’ তৃষার সঙ্গে ম্যাচিং পোশাকে বিয়েবাড়িতে বিজয়, ফের আদালতে স্ত্রী রবিবার থেকে রেশনিং পদ্ধতিতে জ্বালানি তেল বিক্রি যুদ্ধের মধ্যে প্রথম জুমায় খামেনির জন্য ইরানিদের শোক মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে তারেক রহমান ও আমিরাতের প্রেসিডেন্টের ফোনালাপ আকাশসীমা আংশিক চালু, সীমিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে এমিরেটস ইরানে হামলা না করার সিদ্ধান্তে অটল ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী, ক্ষুব্ধ ট্রাম্প
Logo
logo

ইসরায়েলি হামলায় নিহত মায়ের গর্ভ থেকে জন্ম নিল কন্যাশিশু


খবর   প্রকাশিত:  ২২ এপ্রিল, ২০২৪, ১০:৫৩ এএম

ইসরায়েলি হামলায় নিহত মায়ের গর্ভ থেকে জন্ম নিল কন্যাশিশু

গাজা শহরের রাফায় ইসরায়েলি হামলায় এক অন্তঃসত্ত্বা মায়ের মৃত্যু হয়েছে, তবে তার গর্ভের সন্তানকে বাঁচানো সম্ভব হয়েছে। ইসরায়েলি ওই হামলায় ১৯ জন নিহত হন বলে ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। তারা আরো জানায়, দুটি বাড়িতে হামলা হয়। নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের ১৩ শিশু রয়েছে।

ওই হামলায় দুই নারীও নিহত হন।

 

সদ্য জন্ম নেওয়া কন্যাশিশুটির মায়ের নাম সাবরিন আল-সাকানি। তিনি ৩০ সপ্তাহের গর্ভবতী ছিলেন। প্রথম বাড়িতে ইসরায়েলি হামলায় সাকানি, তার স্বামী আহমেদ জাওদা এবং তাদের আরেক কন্যা মালাক নিহত হন।

এই হামলার পর অস্ত্রোপচার করে নিহত মায়ের পেটে থাকা সন্তানকে বাঁচিয়েছেন রাফাহর কুয়েতি হাসপাতালের চিকিৎসকরা।

 

শিশুটির চাচা রামি আল-শেখ জানিয়েছেন, হামলায় নিহত হওয়া তার বোন মালাক শিশুটির নাম রাখতে চেয়েছিল ‘রুহ’। যার বাংলা অর্থ আত্মা। তিনি বলেন, ‘বোন আসছে ভেবে খুবই খুশি ছিল মালাক।

’ শিশুটির ওজন ১.৪ কেজি (৩.০৯ পাউন্ড) এবং একটি জরুরি সি-সেকশনের মাধ্যমে কন্যাশিশুটির জন্ম হয়। চিকিৎসক মোহাম্মদ সালামা জানিয়েছেন, শিশুটির অবস্থা স্থিতিশীল এবং ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছে। শিশুটিকে অন্য একটি শিশুর সঙ্গে রাফাহ হাসপাতালের একটি ইনকিউবেটরে রাখা হয়েছে। তার বুকে টেপে লেখা ‘শহীদ সাবরীন আল-সাকানির শিশু।’ 

 

শিশুটি তিন থেকে চার সপ্তাহ হাসপাতালে থাকবে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক সালামা।

এরপর শিশুটিকে তার পরিবার, ফুপু, চাচা না দাদা-দাদী, কার কাছে দেওয়া যায় সেটি দেখা হবে। যদিও শিশুটি বেঁচে গেছে। কিন্তু তার জন্ম হয়েছে এতিম অবস্থায়, যা সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয়।

 

রাফাহতে হতাহতের বিষয়ে জানতে চাইলে একজন ইসরায়েলি সামরিক মুখপাত্র বলেন, ‘সশস্ত্র যোদ্ধাসহ বিভিন্ন জঙ্গি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা করা হয়েছে।’ সাকার আবদেল আল নামে এক ফিলিস্তিনি ব্যক্তি বলেছেন, ‘আপনি কি নিহতদের মধ্যে একজনও পুরুষ দেখেছেন?’ তিনি বলেন, ‘সবাই নারী ও শিশু। আমার স্ত্রী, সন্তান এবং সকলের সঙ্গে আমার সম্পূর্ণ পরিচয় মুছে ফেলা হয়েছে।’ নিহতদের মধ্যে তার পরিবারও ছিল।  

মোহাম্মদ আল-বেহাইরি বলেছেন, তার মেয়ে এবং নাতি এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে আছে। তিনি বলেন, “এটা খুব কষ্টের অনুভূতি, আমাদের কান্না করার শক্তিও নেই। আমাদের কী অনুভূতি হওয়া উচিত? আপনি যখন আপনার সন্তানদের হারাবেন, আপনি যখন আপনার প্রিয়জনদের হারাবেন, তখন আপনার অনুভূতি কেমন হবে?” গত বছর অক্টোবরে গাজায় ইসরায়েলের হামলা শুরুর পর থেকে ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের হিসাবমতে, ফিলিস্তিনি নিহতের সংখ্যা ৩৪ হাজার ছাড়িয়ে গেছে।