NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, জুন ২৭, ২০২৬ | ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
বাংলাদেশ-মায়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব বেইজিংয়ের যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তিতে পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শনের সুযোগ রয়েছে: আইএইএ প্রধান যে কারণে ম্যাডোনার বহুল প্রতীক্ষিত বায়োপিক বাতিল হলো রূপকথা লিখে আর্জেন্টিনাকে পেল কেপ ভার্দে, সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিদায় চীন সব সময় বাংলাদেশের পাশে থাকবে : শি জিনপিং বেইজিংয়ে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির জাদুঘর পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী কেতন হত্যায় পরস্পরকে দুষছেন সিয়া-চেতন ভেনিজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ১৮৮ আর্জেন্টিনা-স্পেন শেষ ৩২-এ মুখোমুখি হতে পারে অভিনেত্রীর ফ্ল্যাট থেকে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার
Logo
logo

নির্বাচিত হলে শর্তসাপেক্ষে ন্যাটোতে থাকবেন ট্রাম্প


খবর   প্রকাশিত:  ২০ মার্চ, ২০২৪, ০৯:০৩ পিএম

নির্বাচিত হলে শর্তসাপেক্ষে ন্যাটোতে থাকবেন ট্রাম্প

সামরিক জোট ন্যাটো থেকে সরে আসার হুমকি অনেকবারই দিয়েছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে নির্বাচিত হলে শর্তসাপেক্ষে ন্যাটোতে থাকার ঘোষণা দিয়েছেন ট্রাম্প। 

জোটের সদস্য অন্যান্য দেশের আর্থিক অনুদান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। তবে আবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে সদস্য দেশগুলো যদি তাদের ভাগের অর্থ (চাঁদা) যথাযথভাবে পরিশোধ করে, সেক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র ন্যাটোতে থাকবে বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প।

মঙ্গলবার (১৯ মার্চ)  জিবি নিউজ টেলিভিশন চ্যানেলে উপস্থাপক নাইজেল ফারাজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে উপরোক্ত মন্তব্য করেন তিনি।

 

ট্রাম্প বলেন, তিনি মনে করেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ন্যাটোতে ৯০ শতাংশ অর্থ দিয়ে থাকে, সেই পরিমান শতভাগও হতে পারে। তিনি প্রশ্ন করেন, আমরা কেন ওই দেশগুলোকে পাহারা দেব যাদের প্রচুর অর্থ আছে?

সাক্ষাৎকারে উপস্থাপক জানতে চান, ন্যাটো সদস্যরা যদি প্রতিশ্রুতি মেনে তাদের অংশের অর্থ পরিশোধ করে, তবে আমেরিকা জোটে থাকবে কিনা? জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘হ্যাঁ, শতভাগ আমেরিকা সেখানে থাকবে।’ ট্রাম্পের অভিযোগ ২০১৪ সালে ওয়েলসে ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে সদস্যরা নিজেদের জিডিপির ২ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে খরচ করার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তা তারা মানছে না।

 

কয়েক সপ্তাহ আগে ট্রাম্প বলেছিলেন, ন্যাটোর যেসব সদস্যরা নিজেদের খরচের অংশটুকু পরিশোধ করে না তাদের সঙ্গে রাশিয়া যা খুশি করুক। এ সময় নির্বাচিত হলে ন্যাটো থেকে বেরিয়ে আসারও ঘোষণা দেন তিনি। ট্রাম্পের দাবি তার এই মন্তব্যের পর থেকে টাকা দিতে শুরু করেছে সদস্যদেশ গুলো। তিনি উপস্থাপক ফারাজকে বলেন, আপনি জানেন কিনা আমি জানি না, তবে এই মন্তব্যগুলো করার পর থেকে প্রচুর অর্থ এসেছে।