NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, জুন ২৮, ২০২৬ | ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
মালয়েশিয়া ও চীন সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করেছি: সংসদে প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের পথ সামনে খুলবে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ‘সিয়াকেও লোহাগড় দুর্গ থেকে ফেলে দেওয়া হোক’ ভূমিকম্পে বিপর্যস্ত ভেনিজুয়েলা, মৃত্যু ১৪০০ ছাড়াল শতভাগ জয় নিয়ে গ্রুপপর্ব শেষ আর্জেন্টিনার কঠিন সময়ের মধ্যেই মা হওয়ার সিদ্ধান্ত সামান্থার বাংলাদেশ-মায়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব বেইজিংয়ের যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তিতে পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শনের সুযোগ রয়েছে: আইএইএ প্রধান যে কারণে ম্যাডোনার বহুল প্রতীক্ষিত বায়োপিক বাতিল হলো রূপকথা লিখে আর্জেন্টিনাকে পেল কেপ ভার্দে, সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিদায়
Logo
logo

যুক্তরাষ্ট্রের মিনিয়াপোলিস সিটি কাউন্সিলে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত অরিন চৌধুরী জয়ী


খবর   প্রকাশিত:  ১৫ জানুয়ারী, ২০২৪, ০৯:১৮ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রের মিনিয়াপোলিস সিটি কাউন্সিলে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত অরিন চৌধুরী জয়ী

বিশেষ প্রতিনিধি: যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের মিনিয়াপোলিস সিটি কাউন্সিলের কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত অরিন চৌধুরী। তিনি গত নভেম্বরের নির্বাচনে কাউন্সিলর হিসেবে শপথও নিয়েছেন। নির্বাচনে তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন শ্বেতাঙ্গ লুথার র‌্যানহেইম। ১২ নম্বর ওয়ার্ডের নির্বাচনে অরিন চৌধুরী পান ৬ হাজার ৫২৫ ভোট এবং লুথার র‌্যানহেইম পান ৪ হাজার ৪৩১ ভোট।

২৬ বছর বয়সি অরিন চৌধুরীকে দেখা হচ্ছে নতুন প্রজন্মের গর্ব হিসেবে। তিনি তার নির্বাচনী প্রচারণায় জনগণের নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দিয়েছিলেন। অরিন চৌধুরী এই প্রথম কাউন্সিলর নির্বাচিত হলেও এর আগে স্থানীয় রাজনীতিতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তিনি সাবেক কাউন্সিলর জ্যাস চ্যাভেজের নীতি সহযোগী হিসেবেও কাজ করেছেন।

স্থানীয় কংগ্রেসম্যানদের নির্বাচনেও তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। বাসযোগ্য আবাসন এবং জলবায়ু পরিবর্তন নিয়েও তার কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে। কাউন্সিলর হিসেবে তার প্রাথমিক দায়িত্ব হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা, আবাসন সংকটের সমাধান করা এবং বেকারত্ব দূরীকরণে চাকরির প্রশিক্ষণ দেওয়া।

উল্লেখ্য, অরিন চৌধুরী ১৯৯৭ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মিনেসোটার শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একটি থেকে চার বছরের ডিগ্রি অর্জন করেছিলেন। তার বিষয় ছিল রাষ্ট্রবিজ্ঞান। বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই তিনি রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। তার বাবা চিকিৎসক এবং মা কমকাস্ট ক্যাবল কোম্পানির ম্যানেজার। তার এক ভাই ও এক বোন রয়েছে। তারা দুজনেই মিনেসোটা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। তার স্বজনরা আশা করেন, কাউন্সিলর হিসেবে অরিন খুব ভালো করবেন এবং ভবিষ্যতে একজন নারী কংগ্রেসম্যান হিসেবে স্থানীয়দের সেবা করার সুযোগ পাবেন।