NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, জুন ২৮, ২০২৬ | ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
মালয়েশিয়া ও চীন সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করেছি: সংসদে প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের পথ সামনে খুলবে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ‘সিয়াকেও লোহাগড় দুর্গ থেকে ফেলে দেওয়া হোক’ ভূমিকম্পে বিপর্যস্ত ভেনিজুয়েলা, মৃত্যু ১৪০০ ছাড়াল শতভাগ জয় নিয়ে গ্রুপপর্ব শেষ আর্জেন্টিনার কঠিন সময়ের মধ্যেই মা হওয়ার সিদ্ধান্ত সামান্থার বাংলাদেশ-মায়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব বেইজিংয়ের যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তিতে পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শনের সুযোগ রয়েছে: আইএইএ প্রধান যে কারণে ম্যাডোনার বহুল প্রতীক্ষিত বায়োপিক বাতিল হলো রূপকথা লিখে আর্জেন্টিনাকে পেল কেপ ভার্দে, সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিদায়
Logo
logo

পোপ ফ্রান্সিসের বড়দিনের বার্তায় গাজা যুদ্ধ শেষ করার আহ্বান


খবর   প্রকাশিত:  ১২ জানুয়ারী, ২০২৪, ১২:১৫ পিএম

পোপ ফ্রান্সিসের বড়দিনের বার্তায় গাজা যুদ্ধ শেষ করার আহ্বান

গাজায় যুদ্ধ বন্ধ করার এবং হামাসের হাতে বন্দি ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তির আহ্বান জানিয়েছেন পোপ ফ্রান্সিস। তাঁর ঐতিহ্যবাহী বড়দিনের বার্তায় গাজার ‘মরিয়া মানবিক পরিস্থিতি’ সমাধানের জন্য আরো সাহায্যের আহ্বান জানিয়েছেন।

হামাসের যোদ্ধারা ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে নজিরবিহীন এক হামলা চালালে যুদ্ধ শুরু হয়। সেই হামলায় প্রায় এক হাজার ২০০ জন নিহত এবং প্রায় ২৪০ জন জিম্মি হয়েছিল।

 
অন্যদিকে হামাস বলছে, যুদ্ধে ২০ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।

 

ভ্যাটিকানের সেন্ট পিটার্স ব্যাসিলিকায় জড়ো হওয়া হাজার হাজার উপাসকের উদ্দেশে পোপ ফ্রান্সিস ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে সহিংসতার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘৭ অক্টোবরের জঘন্য হামলার শিকারদের দুঃখ আমি আমার হৃদয়ে বহন করছি এবং যারা এখনো জিম্মি রয়েছে তাদের মুক্তির জন্য আমি আমার জরুরি আবেদন পুনর্ব্যক্ত করছি।’

পাশাপাশি ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের সমাপ্তির জন্য অনুরোধ এবং মানবিক সাহায্যের ব্যবস্থা করার মাধ্যমে মরিয়া মানবিক পরিস্থিতির সমাধানের জন্যও আহ্বান জানান পোপ।

 

 

ইসরায়েল বলেছে, গাজায় এখনো ১৩২ জনকে জিম্মি করে রাখা হয়েছে।

এ ছাড়া ‘ইউক্রেনের জন্যও শান্তির’ আহ্বান জানিয়েছেন পোপ। সেখানে রাশিয়ার সঙ্গে প্রায় দুই বছর ধরে যুদ্ধ চলছে।

তিনি আরো বলেছেন, তিনি প্রার্থনা করেছেন, যেন সিরিয়া, লেবানন ও ইয়েমেনে ‘শিগগিরই রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতা অর্জিত হয়’, যে দেশগুলো বছরের পর বছর যুদ্ধ ও অস্থিরতায় কাঁপছে।

 

 

পোপ ফ্রান্সিস আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান, আফ্রিকার কিছু অংশ এবং উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়াসহ অন্যান্য সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য তাঁর ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। তিনি বিশ্বজুড়ে লাখ লাখ অভিবাসীর জন্যও কথা বলেছেন।

সূত্র : বিবিসি