NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, নভেম্বর ১, ২০২৬ | ১৭ কার্তিক ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
তাহসিফের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদে দেওয়া দ্বীপের তথ্য যাচাই করছে পিবিআই মার্কিন নির্বাচনে এবার আগাম ভোটের রেকর্ড? ৩০ নভেম্বর থেকে যুক্তরাজ্যের শিক্ষার্থী ভিসায় নতুন নিয়ম ইউক্রেনে ৫০০ প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিল যুক্তরাষ্ট্র হাকিমির হ্যাটট্রিকে প্রতিপক্ষের জালে গোলোৎসব পিএসজির আসছে কার্তিক আরিয়ানের ‘অপারেশন সিঁদুর’ প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি, তদন্তে কমিটি আলাস্কায় প্রার্থীর নাম নিয়ে বিতর্ক মিশিগানে রিপাবলিকানদের হাতিয়ার ‘ইসলামবিদ্বেষ’ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতার চেষ্টা, ইরানে ফিরলেন কাতারের মধ্যস্থতাকারীরা
Logo
logo

আমরা একটি সাংস্কৃতিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি : প্রধান বিচারপতি


খবর   প্রকাশিত:  ১৩ জানুয়ারী, ২০২৪, ১২:২৪ এএম

আমরা একটি সাংস্কৃতিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি : প্রধান বিচারপতি

সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চা, মানুষের কল্যাণে নিয়োজিত হয়ে দেশের সাংস্কৃতিক সংকট উত্তরণে তরুণ শিল্পীদের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান।

রবিবার (২৪ ডিসেম্বর) জাতীয় জাদুঘরের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মিলনায়তনে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ আহ্বান জানান বিচার বিভাগের প্রধান।

মুক্তিযুদ্ধে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী ও কলাকুশলী শব্দসৈনিকদের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের পক্ষ থেকে ওই সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওবায়দুল হাসান বলেন, ‘স্বীকার করতে দ্বিধা নেই যে অবাধ তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে আমরা একটি সাংস্কৃতিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি।

 
সুস্থ ধারার বাঙালি সংস্কৃতি আজ হুমকির সম্মুখীন। তাই তরুণ প্রজন্মের শিল্পীদের প্রতি আহ্বান থাকবে- মহান মুক্তিযুদ্ধের শব্দসৈনিকগণ শিল্পের মাধ্যমে দেশ ও মানুষের কল্যাণে নিজেদের নিয়োজিত করার যে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, তা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে সকল প্রকার আগ্রাসন, বিশেষ করে সাংস্কৃতিক আগ্রাসনকে প্রতিহত করে অপসংস্কৃতির করাল গ্রাস হতে দেশকে মুক্ত রাখতে প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থান হতে সর্বোচ্চ ভূমিকা পালন করুন।’

 

স্বাধীন গণমাধ্যমের প্রয়োজনীয়তা, কার্যকারীতা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘একটি দেশের স্বাধীনতা অর্জনে গণমাধ্যম কতটা শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে পারে, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র তার একটি অনন্য দৃষ্টান্ত। মুক্তিযুদ্ধে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বগাঁথা দেশে ও বর্হিবিশ্বের মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব ছিল স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের।

 
’

 

মুক্তিযুদ্ধে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র ও এর সঙ্গে জড়িতদের অবদান তুলে ধরে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের অনেক গুরুত্বপূর্ণ দিক নির্দেশনা প্রদান করা হতো স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের মাধ্যমে। মুক্তিযুদ্ধের অনিবার্য কণ্ঠস্বরে পরিণত হয়েছিল এটি।’

প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘মহান মুক্তিযুদ্ধের শব্দসৈনিকদের দেখানো পথ ধরে তরুণ প্রজন্ম আগামী দিনগুলোতে সুস্থ বাঙালি সংস্কৃতির সোনার বাংলা গড়ে তুলে বিশ্বদরবারে বাঙালি সংস্কৃতির মর্যাদা বৃদ্ধি করবে। তবেই আমাদের স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী ও কলাকুশলী শব্দসৈনিকদের আত্মত্যাগ সফল হবে।

 
’

 

অনুষ্ঠানে জাতীয় জাদুঘরের পর্ষদ সভাপতি অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক ও সংস্কৃতিবিষয়ক সচিব খলিল আহমদ বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন। 
সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক মো. কামরুজ্জামান। সঞ্চালনায় ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের জনশিক্ষা বিভাগের কিপার আসমা ফেরদৌসি।

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী, কলাকুশলীসহ জীবিত ৮৬ জন বীর মুক্তিযোদ্ধার মধ্যে উপস্থিত ৫৪ জন শব্দসৈনিককে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। তাঁদের হাতে সংবর্ধনা ক্রেস্ট, চেক ও উত্তরীয় পরিয়ে দেন অতিথিরা।