NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬ | ২০ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সিরিয়ায় আসাদ আমলের রাসায়নিক অস্ত্র ধ্বংস শুরু, ২০১৪ সালের পর প্রথম যাচাইয়ে স্বাগত জানাল জাতিসংঘ রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপের বৈঠক মার্কিন হামলায় ৩ ইরানি সামরিক পাইলট নিহত: আইআরজিসি সুড়ঙ্গের ভেতর থেকে ভেসে আসছে আরো মানুষের কণ্ঠস্বর রেকর্ড ৯৯৫ কোটি টাকায় আল হিলালে ব্রাজিলের মার্তিনেল্লি টিজারের সমালোচনা কাটিয়ে ‘হ্যারি পটার’ ট্রেলারে মুগ্ধ ভক্তরা ইন্দো-প্যাসিফিকে সহযোগিতা জোরদারে দিল্লিতে কোয়াড শেরপাদের বৈঠক কিউবার বিরুদ্ধে ফের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, টার্গেটে কাস্ত্রো পরিবারের সদস্য ও ব্যাংক-জ্বালানি খাত মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার মধ্যে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে সিরিয়ার রাসায়নিক অস্ত্র নিয়ে বৈঠক
Logo
logo

নির্বাচনে সেনা বাহিনী মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মাঠে থাকবে, পরিপত্র জারি


খবর   প্রকাশিত:  ১৩ জানুয়ারী, ২০২৪, ০৬:২১ এএম

নির্বাচনে সেনা বাহিনী মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মাঠে থাকবে, পরিপত্র জারি

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সশস্ত্র বাহিনী, পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাবসহ সব বাহিনী ২৯ ডিসেম্বর মাঠে নামবে। তারা মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত ১৩ দিন দায়িত্ব পালন করবে।

গতকাল বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. মোস্তাফিজুর রহমানের জারি করা এক পরিপত্রে এসব নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট সবাইকে পাঠানো হয়েছে।

পরিপত্রে বলা হয়, নির্বাচনের দিন প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে ১৫ থেকে ১৭ জন নিরাপত্তা রক্ষাকারী সদস্য নিয়োজিত থাকবেন।

 
নির্বাচনকালীন পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি, আর্মড পুলিশ, আনসার ব্যাটালিয়ন ও কোস্টগার্ড এবং সশস্ত্র বাহিনী ভোটের আগে-পরে ১৩ দিনের জন্য মোতায়েন থাকবে।

 

এতে আরো বলা হয়, ২৯ ডিসেম্বর থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সশস্ত্র বাহিনী মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। এ ছাড়া পুলিশ, আনসার-ভিডিপিসহ ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা রক্ষাকারী সদস্যরা পাঁচ দিনের জন্য মোতায়েন থাকবে। ভোটের আগের দুদিন থেকে তাদের মোতায়েন করা হবে।

 

 

আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে ২৭টি দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী নিয়ে মোট বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৮৯৬ জন। তবে উচ্চ আদালত থেকে নির্দেশনা এলে এ সংখ্যা আরো বাড়তে বা কমতে পারে। এই নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র ৪২ হাজার ১০৩টি।

 
আর ভোটার সংখ্যা ১১ কোটি ৯৬ লাখ ৯১ হাজার ৬৩৩। এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৭ লাখ ৭১ হাজার ৫৭৯ জন এবং নারী ভোটার ৫ কোটি ৮৯ লাখ ১৯ হাজার ২০২ জন। আর হিজড়া ভোটার রয়েছেন ৮৫২ জন।

 

চার লাখ ছয় হাজার ৩৬৪ জন প্রিজাইডিং অফিসার, দুই লাখ ৮৭ হাজার ৭২২ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং পাঁচ লাখ ৭৫ হাজার ৪৪৩ জন পোলিং অফিসার, মোট নয় লাখ নয় হাজার ৫২৯ জন ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করবেন।