NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, জুন ৩০, ২০২৬ | ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
২০৩৮ সালে ৬৪ দলের ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজনে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র: হোয়াইট হাউসের বড় ঘোষণা ২৯ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতি তদন্তের দাবি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছাত্র বিক্ষোভের মুখে পদত্যাগের ঘোষণা সার্বিয়ার প্রেসিডেন্টের ‘ধর্মীয় অবমাননা’র অভিযোগ, ১৫ দিন সম্প্রচার বন্ধ জিও নিউজের মরক্কোর বিস্ময়বালককে নিয়ে ইউরোপ জায়ান্টদের কাড়াকাড়ি ডেটিং অ্যাপে সঙ্গী খুঁজছেন রাকুল প্রীতের স্বামী? মালয়েশিয়া ও চীন সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করেছি: সংসদে প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের পথ সামনে খুলবে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ‘সিয়াকেও লোহাগড় দুর্গ থেকে ফেলে দেওয়া হোক’
Logo
logo

৮৯.৬ শতাংশ ভোট পেয়ে ফের মিসরের প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন সিসি


খবর   প্রকাশিত:  ১৩ জানুয়ারী, ২০২৪, ০২:০৬ এএম

৮৯.৬ শতাংশ ভোট পেয়ে ফের মিসরের প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন সিসি

মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাতেহ আল-সিসি ৮৯.৬ শতাংশ ভোট পেয়ে ছয় বছরের মেয়াদে আবারও জয়ী হয়েছেন। দেশটির নির্বাচন কর্তৃপক্ষ সোমবার এক ঘোষণায় এ তথ্য জানিয়েছে।

কর্তৃপক্ষের প্রধান হাজেম বাদাউয়ি বলেছেন, ৬৬.৮ শতাংশে ভোটার ভোট দিয়েছেন। তিনি এ সংখ্যাকে ‘অভূতপূর্ব’ বলে আখ্যায়িত করেছেন।

 
এক দশক ধরে সবচেয়ে জনবহুল আরবদেশ শাসন করা সাবেক সেনাপ্রধান সিসির পক্ষে তিন কোটি ৯০ লাখেরও বেশি লোক তাদের ভোট দিয়েছে।

 

১০ থেকে ১২ ডিসেম্বরের মধ্যে অনুষ্ঠিত ভোটে প্রেসিডেন্ট সিসি তিনজন প্রার্থীর সঙ্গে লড়াই করেন। রিপাবলিকান পিপলস পার্টির নেতৃত্ব দেওয়া হাজেম ওমর ৪.৫ শতাংশ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় হয়েছেন। অন্য দুই প্রার্থী ছিলেন বামপন্থী মিসরীয় সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতা ফরিদ জাহরান এবং শতাব্দী প্রাচীন কিন্তু অপেক্ষাকৃত প্রান্তিক দল ওয়াফড থেকে আবদেল-সানাদ ইয়ামামা।

 

 

আগামী এপ্রিল থেকে সিসি তৃতীয় মেয়াদে দায়িত্ব শুরু করবেন। দেশটির সংবিধান অনুযায়ী এটি তাঁর চূড়ান্ত মেয়াদ।

মিসরের সবচেয়ে খারাপ অর্থনৈতিক সংকট এবং প্রতিবেশী গাজায় ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধকে ঘিরে উচ্চ উত্তেজনা থাকা সত্ত্বেও সিসির জয় অবাক হওয়ার মতো কিছু নয়। দেশটিতে মুদ্রার পতন এবং বার্ষিক মুদ্রাস্ফীতি ৩৬.৪ শতাংশে চলছে।

 
এমনকি বর্তমান অর্থনৈতিক সংকটের আগেও মিসরের প্রায় ১০ কোটি ৬০ লাখ জনসংখ্যার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ দারিদ্র্য সীমার নিচে বাস করত।