NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, নভেম্বর ১, ২০২৬ | ১৭ কার্তিক ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
যুবকদের জন্য ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ তহবিল ঘোষণা সরকারের : প্রধানমন্ত্রী লন্ডনে ফিলিস্তিনপন্থি বিক্ষোভে ১৩৯ জন গ্রেফতার ফ্রান্সজুড়ে আবারও লাখো মানুষের বিক্ষোভ, সংঘর্ষে উত্তাল রাজপথ ক্যালিফোর্নিয়ায় হ্যালোইন সামগ্রীর দোকানে গুলি, নিহত ১ রাফিনিয়া-ইয়ামালের জোড়ায় প্রতিপক্ষকে ৬ গোলে উড়িয়ে ফের শীর্ষে বার্সেলোনা মুক্তির ছাড়পত্র পেল দেশের প্রথম এআই সিনেমা ‘গ্যাপ’ তাহসিফের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদে দেওয়া দ্বীপের তথ্য যাচাই করছে পিবিআই মার্কিন নির্বাচনে এবার আগাম ভোটের রেকর্ড? ৩০ নভেম্বর থেকে যুক্তরাজ্যের শিক্ষার্থী ভিসায় নতুন নিয়ম ইউক্রেনে ৫০০ প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিল যুক্তরাষ্ট্র
Logo
logo

দেশে রাতকানা রোগ শূন্যের কোটায় নেমে এসেছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী


খবর   প্রকাশিত:  ১২ জানুয়ারী, ২০২৪, ০১:০১ পিএম

দেশে রাতকানা রোগ শূন্যের কোটায় নেমে এসেছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দেশে রাতকানা রোগ শূন্যের কোটায় নেমে এসেছে মন্তব্য করে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, সারা দেশের ছয় মাস থেকে পাঁচ বছর বয়সী ২ কোটি ৩০ লাখ শিশুকে ‘ভিটামিন-এ প্লাস’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে। ভিটামিন এ এর পর্যাপ্ততা পেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। শারীরিক নানা জটিলতা দূর হয়। এক সময় ভিটামিনের অভাবে শিশুদের রাতকানা (অন্ধত্ব) রোগের প্রকোপ থাকলেও এখন তা শূন্যের কোটায়।

 

 

আজ মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর মহাখালী জাতীয় প্রতিষেধক ও সামাজিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে (নিপসম) ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনকালে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

অনুষ্ঠানে শুরুতে জানানো হয়, সারা দেশে ছয় মাস থেকে পাঁচ বছর বয়সী ২ কোটি ৩০ লাখের বেশি শিশুকে আজ ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এর মধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুকে নীল রঙের এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুকে একটি করে লাল রঙের ক্যাপুসল খাওয়ানো হবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু যখন এই কর্মসূচি হাতে নেন তখন ৪ শতাংশের বেশি শিশু ভিটামিন এ-এর অভাবে অন্ধত্বসহ নানা রোগে ভুগত।

 
এ ছাড়া এক সময়ে খর্বকায় শিশুর সংখ্যা অনেক ছিল। পুষ্টির মান বাড়ায় এখন সেটি ২০ শতাংশের নিচে চলে এসেছে।

 

জাহিদ মালেক আরো বলেন, আমরা মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্যে অনেক এগিয়েছি। আগের তুলনায় মাতৃমৃত্যু হার কমেছে।

 
এটি আরো কমাতে হলে বাল্যবিয়ে রোধ করতে হবে। একজন অসুস্থ মা সন্তান জন্ম দিলে অপরিণত ও কম ওজনের শিশুর জন্ম হতে পারে। আমরা প্রাতিষ্ঠানিক ডেলিভারিতে অনেক পিছিয়ে আছি। ক্লিনিক ও হাসপাতালে সেই ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

 

৮ ঘণ্টা সার্ভিসের হাসপাতালগুলো চলতে পারে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, এগুলো ২৪ ঘণ্টা করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 
এতে করে প্রাতিষ্ঠানিক প্রসব বাড়বে, কমবে শিশু ও মাতৃমৃত্যু হার। একই সঙ্গে অহেতুক কেউ যাতে সি-সেকশন না করায় সেদিকে নজর দিতে হবে। হাসপাতালে বিশেষ করে উপজেলা পর্যায়ে চিকিৎসার মান বাড়াতে হবে বলেও জানান তিনি।

 

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের সচিব আজিজুর রহমান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার খুরশিদ আলম, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. টিটো মিয়া, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীর প্রমুখ।