NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, জুন ২৮, ২০২৬ | ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
মালয়েশিয়া ও চীন সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করেছি: সংসদে প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের পথ সামনে খুলবে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ‘সিয়াকেও লোহাগড় দুর্গ থেকে ফেলে দেওয়া হোক’ ভূমিকম্পে বিপর্যস্ত ভেনিজুয়েলা, মৃত্যু ১৪০০ ছাড়াল শতভাগ জয় নিয়ে গ্রুপপর্ব শেষ আর্জেন্টিনার কঠিন সময়ের মধ্যেই মা হওয়ার সিদ্ধান্ত সামান্থার বাংলাদেশ-মায়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব বেইজিংয়ের যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তিতে পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শনের সুযোগ রয়েছে: আইএইএ প্রধান যে কারণে ম্যাডোনার বহুল প্রতীক্ষিত বায়োপিক বাতিল হলো রূপকথা লিখে আর্জেন্টিনাকে পেল কেপ ভার্দে, সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিদায়
Logo
logo

নিউইয়র্কে আন্তর্জাতিক জেনোসাইড ও প্রতিরোধ দিবস পালন


খবর   প্রকাশিত:  ১৩ জানুয়ারী, ২০২৪, ০৩:২৩ এএম

নিউইয়র্কে আন্তর্জাতিক জেনোসাইড ও প্রতিরোধ দিবস পালন

নিউইয়র্কে জেনোসাইড ’৭১ ফাউন্ডেশন, যুক্তরাষ্ট্র’র উদ্যোগে গত ৯ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক জেনোসাইড ও প্রতিরোধ দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি স্মরণে র‌্যালি, মোমবাতি প্রজ্জ্বলন, “আন্তর্জাতিক জেনোসাইড দিবসের তাৎপর্য ও একাত্তরে বাংলাদেশের জেনোসাইডের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি” শীর্ষক সেমিনার ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
এদিন সন্ধ্যায় জ্যাকসন হাইটসের ডাইভারসিটি প্লাজায় একাত্তরের গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দাবিতে র‌্যালি, মোমবাতি প্রজ্জ্বলন কর্মসূচি পালন শেষে মামুন’স টিউটোরিয়ালে “আন্তর্জাতিক জেনোসাইড দিবসের তাৎপর্য ও একাত্তরে বাংলাদেশের জেনোসাইডের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি” শীর্ষক সেমিনার ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ও কী নোট স্পিকারের বক্তব্য উপস্থাপন করেন জেনোসাইড ’৭১ ফাউন্ডেশন, যুক্তরাষ্ট্র এর সভাপতি ড. প্রদীপ রঞ্জন কর।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কন্সাল জেনারেল মোহাম্মদ নাজমুল হুদা। বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের প্রেস সেক্রেটারী নাসির উদ্দিন।
অন্যদের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন বিশিষ্ট সাংবাদিক এম ফজলুর রহমান, নিনি ওয়াহেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা সুব্রত বিশ্বাস, সাগর লোহানী, ড. ওবায়েদ উল্লাহ মামুন, ক্লারা রোজারিও, অধ্যাপক হুসনে আরা, আওয়ামীলীগ নেতা প্রকৌ: মোহাম্মাদ আলী সিদ্দিকী, এ্যাড. শাহ মো: বখতিয়ার আলী, এমএ করিম জাহাঙ্গীর, আক্তার হোসেন, হেলাল মাহমুদ, জালাল উদ্দিন জলিল, আশরাফ, জাকির হোসেন বাচ্চু, রুমানা আখতার, শহিদুল ইসলাম প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাসে ৩০ লাখ বাঙালিকে হত্যা, ৪ লাখের অধিক নারীর সভ্রমহানীর ঘটনা বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ গণহত্যাযজ্ঞের একটি। অথচ আজ অবধি তা জাতিসংঘের স্বীকৃতি পায়নি। একাত্তরে পাক হায়নাদের সেই নৃশংস গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এখন সময়ের দাবি।
সভাপতির বক্তব্যে ড. প্রদীপ রঞ্জন কর বাংলাদেশে পাক বাহিনীর সেই নির্মম গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি না পাওয়া পর্যন্ত তাদের কর্মসূচি অব্যাহত রাখবেন বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
উল্লেখ্য, জাতিসংঘের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০১৫ সাল থেকে ৯ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক জেনোসাইড ও প্রতিরোধ দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। তবে এই রেজুলেশনে বাংলাদেশ এখনও অন্তর্ভুক্ত হতে পারেনি। মেলেনি গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। বাংলাদেশ ২৫ মার্চকে গণহত্যা দিবসের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ের জন্য দাবি জানিয়ে আসছে। জেনোসাইড ’৭১ ফাউন্ডেশন, যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘ্যদিন ধরে এ দাবি আদায়ে নানা কর্মসুচি পালন করে আসছে।